গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

মূল হোতা গ্রেফতার

ভুয়া নিয়োগপত্রে চাকরি, বেতনও দিতো প্রতারক চক্র

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:১২ পিএম, ১৫ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ০৬:১৬ এএম ২০২৬
ভুয়া নিয়োগপত্রে চাকরি, বেতনও দিতো প্রতারক চক্র
ছবি

গ্রেফতার ব্যক্তির নাম মো. বাবলু কাজী -ছবি সংগৃহীত

সরকারি কর্মকর্তাদের সিল ও স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগপত্র, যোগদানপত্র ও প্রজ্ঞাপন তৈরি করে সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া একটি প্রতারক চক্রের মূল হোতাকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেফতার ব্যক্তির নাম মো. বাবলু কাজী (৬০)। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর পল্লবী এলাকা থেকে ডিবির ওয়ারী বিভাগের একটি দল তাঁকে গ্রেফতার করে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানান, বাবলু কাজী ও তাঁর সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা পরিচয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। চক্রটি উপসচিবের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগপত্র, যোগদানপত্র ও প্রজ্ঞাপন তৈরি করে চাকরিপ্রার্থীদের দিত।

পুলিশ জানায়, গত ২৫ জুন থেকে ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে ফরিদপুরের নগরকান্দা এলাকার মো. সবুজ সরকারকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে তাঁর কাছ থেকে ১৩ লাখ টাকা নেয় চক্রটি। এ ঘটনায় করা অভিযোগের তদন্তে নেমে বাবলু কাজীর সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত করে ডিবি।

গ্রেফতারের সময় বাবলু কাজীর কাছ থেকে বাংলাদেশ সরকারের সিলযুক্ত ও জাল স্বাক্ষর করা ভুয়া নিয়োগ আদেশ, যোগদানপত্র, প্রজ্ঞাপন এবং নকল হাজিরা খাতা উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য, চক্রটি অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে প্রতারণার কৌশল সাজিয়েছিল। সাধারণ মানুষের আনাগোনা বেশি- এমন সরকারি কার্যালয়গুলোকে তারা নিজেদের কার্যক্রমের জন্য বেছে নিত। চক্রের একজন নিজেকে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং অন্যরা তাঁর গাড়িচালক বা অফিস সহকারী পরিচয় দিয়ে এসব কার্যালয়ে অবাধে চলাফেরা করত। এতে চাকরিপ্রার্থীদের কাছে নিজেদের সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে পারত তারা।

চক্রের সদস্যরা কোনো পরীক্ষা ছাড়াই সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখাত। এমনকি চাকরিতে যোগদানের পর টাকা পরিশোধের সুযোগ দেওয়ার কথাও বলা হতো। এতে চাকরিপ্রার্থীদের আস্থা আরো বেড়ে যেত।

এরপর তাঁদের হাতে দেওয়া হতো ভুয়া নিয়োগপত্র ও প্রজ্ঞাপন। চাকরিতে যোগদানের প্রমাণ হিসেবে ভুক্তভোগীদের নকল হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরও করানো হতো। প্রতারণাকে আরো বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে চাকরিতে যোগদানের পর প্রথম এক থেকে দুই মাস নিজেদের পকেট থেকে কিছু টাকা ‘বেতন’ হিসেবেও দিত চক্রটি।

পুলিশ বলছে, এভাবে ভুক্তভোগীদের বিশ্বাস অর্জনের পর বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিত চক্রের সদস্যরা। এরপর যোগাযোগ বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যেতেন তাঁরা।

এ ঘটনায় রাজধানীর পল্লবী থানায় একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে। গ্রেফতার বাবলু কাজীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

সানা/কেএমএএ/আপ্র/১৫/৮/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সরছে সচিবালয়, হবে নতুন সড়ক
১১ অক্টোবর ২০২৬

পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সরছে সচিবালয়, হবে নতুন সড়ক

প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা

স্ত্রী হত্যার অভিযোগে শুরু, ১২ বছরে ধর্ষণ-খুনের একাধিক অভিযোগ
০৭ অক্টোবর ২০২৬

স্ত্রী হত্যার অভিযোগে শুরু, ১২ বছরে ধর্ষণ-খুনের একাধিক অভিযোগ

মনিরুজ্জামান মাতুব্বরের বিরুদ্ধে অভিযোগ

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পরিচয় যা-ই হোক, চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজ, ভূমি দখলবাজ ও মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন- কমিশনার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা তা বাস্তবে তা করতে পারবেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 9 ঘন্টা আগে