গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬

মেনু

নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন গড়তে ভাঙতে হবে নীরবতার সংস্কৃতি

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৫২ পিএম, ১৪ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২২:৩৭ এএম ২০২৬
নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন গড়তে ভাঙতে হবে নীরবতার সংস্কৃতি
ছবি

ছবি সংগৃহীত

মো. রহমত উল্লাহ্    

জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে শিশুদের ওপর। সুস্থ জাতি গঠনের জন্য প্রয়োজন শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ-সবল শিশু। শিশুদের সার্বিক সুস্থতা নিশ্চিত করে বেড়ে ওঠার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সুস্থ পরিবেশ। অথচ সম্প্রতি শিশু শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের খবর উদ্বেগজনকভাবে সামনে আসছে, যা তাদের সুস্থ মানসিক বিকাশের বড় অন্তরায়। বিষয়টি প্রতিটি বিবেকবান মানুষকে গভীরভাবে পীড়িত ও বিচলিত করছে। বিশেষ করে আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত একাংশ শিশু শিক্ষার্থী অকথ্য নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, শিশু শিক্ষার্থীরা তাদের এবং তাদের অভিভাবকদের সবচেয়ে ভরসার মানুষ অর্থাৎ কতিপয় ওস্তাদ, শিক্ষক বা হুজুরের দ্বারাই নির্যাতিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। যে ব্যক্তি মানবসন্তানকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্বে নিয়োজিত, তিনি নিজেই যদি নির্যাতনকারী, নির্যাতনের সমর্থক কিংবা নির্যাতককে প্রশ্রয়দাতা হন, তাহলে তার কাছ থেকে আমাদের সন্তানেরা কী ধরনের শিক্ষা অর্জন করবে?

যুগ যুগ ধরেই শিশু শিক্ষার্থীরা কমবেশি শারীরিক, মানসিক ও অন্যান্য ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে। এসব নির্যাতনের বৈচিত্র্য ও নিকৃষ্টতা বর্ণনা করা যেমন কঠিন, তেমনি বিব্রতকরও। অতীতে অভিভাবকেরা তুলনামূলকভাবে কম সচেতন ছিলেন, আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও ছিল কম। নির্যাতিতদের মুখ খোলার পরিবেশও ছিল আরও প্রতিকূল। প্রচারমাধ্যমের সীমাবদ্ধতার কারণে নির্যাতনের বহু ঘটনা, বিশেষ করে লজ্জাজনক দিকগুলো, হয় কম ঘটত, নয়তো কম প্রকাশ পেত।

এখনও আমরা যতটুকু জানতে পারছি, বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি নির্যাতন সংঘটিত হচ্ছে বলে ধারণা করা যায়। শিশুদের নির্ভয়ে ও নির্দ্বিধায় কথা বলার সুযোগ দিয়ে নিবিড় তদন্ত করা হলে আরও অনেক ভয়াবহ তথ্য সামনে আসতে পারে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে অনুসন্ধান করলেই শিশু নির্যাতনের অসংখ্য মর্মান্তিক ঘটনার সন্ধান পাওয়া যায়। এসব ঘটনার সামান্য অংশও যদি সত্য হয়, তাহলেও বোঝা যায়, কত ভয়াবহ নির্যাতন কোথায় এবং কীভাবে সংঘটিত হচ্ছে। সামান্য বিবেক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ থাকলেই উপলব্ধি করা যায়, এর প্রতিকার কতটা জরুরি।

সবচেয়ে পরিতাপের বিষয় হলো, নির্যাতনের শিকার বহু নিষ্পাপ শিশু যখন বিষণ্নতা, মানসিক আঘাত কিংবা বিকৃত মানসিকতা নিয়ে বেড়ে উঠছে, তখন আমরা কেউ বলছি- এসব সত্য নয়, সবই অপপ্রচার। কেউ বলছি- এ ধরনের ঘটনা দু’একটি হতেই পারে, এগুলো আলোচনার বিষয় নয়। কেউ দাবি করছি-এসব স্কুল-কলেজে বেশি হয়, আবার অন্যরা বলছি- মাদ্রাসায় বেশি হয়। কেউ আশ্রমকে দায়ী করছি। অর্থাৎ আমরা নিজের দোষ গোপন করছি, অন্যের দোষ প্রচার করছি।

আমাদের কারো কারো মানসিকতা এমন যে, অন্যরা অপকর্ম করলে আমরাও করতে পারি। অন্যদের তুলনায় কিছুটা কম করেছি- এটুকু বলতে পারলেই যেন আমরা ভালো। আমাদের মতাদর্শ বা প্রতিষ্ঠানের কেউ অপরাধ করলে আমরা হয় তার পক্ষ নিই, নয়তো নীরব থাকি। এ পক্ষপাতদুষ্ট ও অপরাধপ্রবণ মানসিকতার কারণেই অপরাধীরা আরো সাহসী হয়ে ওঠে, আরো সুযোগ পায়, বিচার এড়িয়ে যায় এবং ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে ওঠে। অথচ নির্যাতিত শিশুটি যদি নিজের সন্তান হতো, তাহলে আমরা কান্নাকাটি করতাম, হাহাকার করতাম এবং কঠোর বিচার দাবি করতাম। কিন্তু সব শিশুকে নিজের সন্তানের মতো ভাবতে আমরা এখনো শিখিনি।

নির্যাতিত শিশুরা এতটাই অসহায় যে, তারা সবকিছু খুলে বলতে পারে না, নির্যাতনের পরিবেশ থেকে সরে আসতে পারে না, এমনকি নিজেদের রক্ষাও করতে পারে না। তারা নিজের ইচ্ছায় বা পছন্দে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয় না। তারা হয়তো বলতে পারে, ‘আমি এই প্রতিষ্ঠানে পড়ব না।’ কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের সেই কথার মূল্য দেওয়া হয় না, প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানও করা হয় না। বরং শিশুটিকেই দুষ্টু, অলস, অমনোযোগী কিংবা ফাঁকিবাজ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। অনেক সময় তাকে মারধর করে আবার সেই প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয় অথবা অন্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানো হয়, যেখানে হয়তো অপেক্ষা করে আরেক ধরনের নির্যাতন।

নিষ্পাপ শিশুরা ধীরে ধীরে নিজের ভেতরেই গুটিয়ে যায়। তারা অনেক সময় সবকিছু মেনে নিতে বাধ্য হয়। এর ফলে অনেকেই অভিভাবক, ওস্তাদ, শিক্ষক, শিক্ষা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলে। তাদের কাছে শিক্ষার মহত্ত্বও ম্লান হয়ে যায়। কেউ কেউ পরবর্তী সময়ে একই ধরনের আচরণ রপ্ত করে, আবার কেউ প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। ফলে মাঝে মধ্যে চরম নির্যাতনে গুরুতর আহত কিংবা নিহত হওয়ার খবর সামনে আসে। কিন্তু এর বাইরের অসংখ্য ঘটনা আমাদের অজানাই থেকে যায়। কারণ, এ বিষয়ে পর্যাপ্ত গবেষণা নেই, নেই নির্ভরযোগ্য তথ্য-উপাত্তও।

শিশুমনোবিজ্ঞান সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাবে অনেকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনকে শাসন বলে মনে করেন। কিন্তু যে নির্যাতনে অঙ্গহানি ঘটে, যে নির্যাতনের কথা লজ্জায় বলা যায় না, তাকে কোনো যুক্তিতেই শাসন বলা চলে না। তাহলে এ ধরনের অপরাধের বিচারের দাবিতে সবার অবস্থান কি স্পষ্ট হওয়া উচিত নয়? এখানে অপরাধীর পক্ষ নেওয়া তো দূরের কথা, নীরব থাকাও কি অনৈতিক নয়?

মন্দ বিষয় নিয়ে আলোচনা যত কম করা যায়, ততই ভালো। কিন্তু যখন মন্দের বিস্তার ভয়াবহ রূপ নেয়, তখন তা প্রতিরোধে কথা বলা, প্রতিবাদ করা, মানুষকে সচেতন করা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা অপরিহার্য হয়ে পড়ে। কেউ যদি প্রকাশ্যে কথা বলতে না-ও চান, অন্তত মনে-প্রাণে অন্যায়কে ঘৃণা করে নিজের অবস্থান থেকে তা প্রতিরোধে সক্রিয় থাকা উচিত। যারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দেন বা নীরবে সহযোগিতা করেন, তাদেরও খোঁজ রাখা উচিত- তাদের সহায়তায় পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে কোনো অন্যায়, অপরাধ বা পাপকর্ম সংঘটিত হচ্ছে কি না।

নির্যাতনের মাত্রা যাই হোক, নির্যাতনকারী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রত্যেকের নৈতিক দায়িত্ব। নির্যাতনকারী শিক্ষক, হুজুর কিংবা গুরু- যেই হোন না কেন, তার কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয় শিক্ষা, শিক্ষকতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রশ্নের মুখে পড়ে তার অর্জিত শিক্ষার নৈতিক ভিত্তিও। তাই অপরাধীর পক্ষ নেওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না করা, প্রতিরোধ না করা কিংবা শাস্তির আওতায় না আনা মানেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করা। ফলে এসব নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিটি বিবেকবান ও ধর্মপ্রাণ মানুষের সোচ্চার হওয়া নৈতিক দায়িত্ব। তবে একই সঙ্গে এটিও মনে রাখতে হবে, কোনো অপপ্রচারকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। একজন অপরাধীর দায় পুরো প্রতিষ্ঠান বা কোনো সম্প্রদায়ের ওপর চাপিয়ে দেওয়াও অনুচিত।

শিশু শিক্ষার্থীদের নির্যাতন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারও বন্ধ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে রাষ্ট্র, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্ব এবং দায়িত্বশীল শিক্ষক ও হুজুরদের। যেখানে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে, সেখান থেকেই প্রতিবাদ, প্রতিরোধ ও জবাবদিহির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নির্যাতনমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিক্ষক বা কর্তৃপক্ষের প্রভাবমুক্তভাবে শিক্ষার্থীরা যেন নাম প্রকাশ করে বা গোপনে অভিযোগ জানাতে পারে, এ জন্য অভিযোগ বাক্স বা নিরাপদ অভিযোগ গ্রহণব্যবস্থা চালু করা উচিত। দাতা, প্রশাসন এবং স্থানীয় বিবেকবান নাগরিকদের সমন্বয়ে শিক্ষার্থী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা যেতে পারে। শিশু শিক্ষার্থীদের আবাসিক ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজন যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মত সংস্কার। শিক্ষক নিয়োগে কঠোর ও মানসম্মত নীতিমালা প্রণয়ন এবং তার কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি। এর পাশাপাশি সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সরকারের নিবন্ধন, তদারকি, নিয়ন্ত্রণ ও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। একজন শিশুকে আমরা পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অনেক কিছুই শেখাই বা শেখানোর চেষ্টা করি। যেমন—কীভাবে আগুন থেকে দূরে থাকতে হবে, কীভাবে রাস্তা পার হতে হবে, কীভাবে হিংস্র প্রাণীর হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হবে ইত্যাদি। পানিতে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকি এড়াতে আমরা তাকে সাঁতারও শেখাই, যদিও পানির অপর নাম জীবন। কিন্তু নিজের সম্ভ্রম কীভাবে রক্ষা করতে হয়, সে শিক্ষা আমরা খুব কমই দিই। বরং অনেক সময় শিশুদের ওপর নির্যাতনকে শাসন বলে মনে করি, নির্যাতনের প্রতিবাদী শিশুকে বেয়াদব বলে আখ্যায়িত করি এবং ওস্তাদ, শিক্ষক বা হুজুরের সব আচরণ নিঃশর্তভাবে মেনে নিতে তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করি। ফলে যাদের সবচেয়ে বিশ্বস্ত মনে করা হয়, সেই কতিপয় ওস্তাদ, হুজুর, শিক্ষক কিংবা স্বজনের হাতেই অনেক শিশু শিক্ষার্থী বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়।

অভিভাবকদের কাউন্সেলিং অত্যন্ত প্রয়োজন। তারা যেন বুঝতে পারেন, কোন প্রতিষ্ঠানে সন্তানকে ভর্তি করা উচিত এবং কোন প্রতিষ্ঠানে নয়। তারা যেন শাসন ও নির্যাতনের পার্থক্য অনুধাবন করতে পারেন। একই সঙ্গে সন্তানদের সঙ্গে এমন সহজ, আন্তরিক ও বিশ্বাসভিত্তিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, যাতে শিশুরা নির্ভয়ে সব কথা খুলে বলতে পারে।

শিশুদের জানাতে হবে, ওস্তাদ, শিক্ষক বা হুজুরের সঙ্গে তাদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত। পাশাপাশি এটিও শেখাতে হবে, তাদের আচরণ শিশুদের প্রতি কেমন হওয়া উচিত। শিশুদের স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে কোনটি ‘গুড টাচ’ এবং কোনটি ‘ব্যাড টাচ’; কোনটি স্নেহ, আর কোনটি নির্যাতন; কোনটি মেনে নেওয়া যায়, আর কোনটির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে।

ব্যাপকভাবে কাউন্সেলিং করতে হবে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষকদের। সর্বক্ষেত্রে শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে তারা নির্দ্বিধায়, নির্ভয়ে এবং নিরাপদে সবকিছু খুলে বলতে পারে। একই সঙ্গে তাদের বক্তব্য মনোযোগ ও গুরুত্বসহকারে শোনার মানসিকতাও গড়ে তুলতে হবে। তবেই নির্যাতনের প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে। তবেই গড়ে উঠবে কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা এবং নিশ্চিত হবে এর টেকসই প্রতিকার।

লেখক: সাবেক অধ্যক্ষ, শিশু সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিষয়ক নিবন্ধকার
(মতামত লেখকের সম্পূর্ণ নিজস্ব)

কেএমএএ/আপ্র/১৪.০৮.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

এসএসসির ফল শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতা নয়
১৩ আগস্ট ২০২৬

এসএসসির ফল শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতা নয়

শফিক আর. ভূঁইয়াএবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আমাদের বেশ অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে। ১১টি শিক্ষা...

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আসল সংখ্যা নির্ণয় করুন
১৩ আগস্ট ২০২৬

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আসল সংখ্যা নির্ণয় করুন

ইকরাম কবীরবাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রকৃত সংখ্যা কত? কেউ জানে? যারা এই ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ কর...

ভুক্তভোগী, তবু কেন সমাজে কন্যাশিশুকেই শাস্তি পেতে হয়
১২ আগস্ট ২০২৬

ভুক্তভোগী, তবু কেন সমাজে কন্যাশিশুকেই শাস্তি পেতে হয়

শাহানা হুদা রঞ্জনা    আমাদের চোখের সামনে নারীকে অপমান ও অসম্মান করার বেশ কয়েকটি...

মামলা হয়, ধোঁয়া কমে না
১২ আগস্ট ২০২৬

মামলা হয়, ধোঁয়া কমে না

ড. হারুন রশীদ    ঢাকার রাস্তায় কালো ধোঁয়া এখন আর আকস্মিক কোনো দৃশ্য নয়; বরং নগর...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই