গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

মেনু

বৃষ্টিতে ভিজে ফজলুল হককে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা

বিনোদন প্রতিবেদক

বিনোদন প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:১৬ পিএম, ০৬ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২২:২৪ এএম ২০২৬
বৃষ্টিতে ভিজে ফজলুল হককে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা
ছবি

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের ফাইল ছবি

প্রাবন্ধিক, গবেষক, সাহিত্য সমালোচক ও সমাজ বিশ্লেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের শেষ বিদায়কে কেন্দ্র করে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই মানুষের ঢল নামে। সকাল থেকে টানা বৃষ্টি চললেও সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ১১টার পর থেকে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে জড়ো হন।

শ্রদ্ধা নিবেদন পর্বে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, প্রগতি লেখক সংঘ, বাংলাদেশ লেখক শিবির, রাষ্ট্রভাষা বাংলা রক্ষা কমিটি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন এবং দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমন্বয় কমিটি অংশ নেয়। পাশাপাশি গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস, শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়।

রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের মধ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় গণফ্রন্ট, জেএসডি, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য, বাসদ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক ফ্রন্ট, বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন, ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা পার্টি, বাংলাদেশ গরীব মুক্তি আন্দোলনসহ আরো অনেকে অংশ নেয়। এ ছাড়া ভাষাবিদ মনসুর মুসা, সাবেক উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ, গবেষক মফিদুল হক, অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমানসহ বিভিন্ন ব্যক্তি শ্রদ্ধা জানান।

শ্রদ্ধা শেষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দীন স্টালিন বলেন, অধ্যাপক ফজলুল হকের মৃত্যু জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের আন্দোলনে বড় ক্ষতি। তিনি বলেন, উগ্রবাদীরা তাঁর সন্তানকে হত্যা করলেও তিনি কখনো দমে যাননি এবং লেখনী ও সম্পাদনার মাধ্যমে অবিচল থেকেছেন।

শারমিন এস মুরশিদ বলেন, এমন জ্ঞানী মানুষের প্রস্থান সমাজে বড় শূন্যতা তৈরি করছে এবং তাঁদের আদর্শ ধরে রাখাই এখন সময়ের দাবি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সামিনা লুৎফা বলেন, ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন মুহূর্তেও তাঁর প্রতিবাদী অবস্থান ও শিক্ষার্থীবান্ধব ভূমিকা অনুকরণীয়।

শহীদ মিনারে বাবার কফিনের পাশে দাঁড়িয়ে অধ্যাপক ফজলুল হকের মেয়ে শুচিতা শারমিন বলেন, তাঁর বাবা সবসময় সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশের উন্নয়নের কথা ভাবতেন এবং সেই আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান। পরে মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে নেওয়া হয়। বৃষ্টির কারণে শুরুতে শ্রদ্ধা নিবেদন ব্যাহত হলেও পরে বিভিন্ন অনুষদ, প্রশাসন ও শিক্ষক সংগঠন শ্রদ্ধা জানায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, তিনি রাষ্ট্র ও সমাজ নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতেন এবং তাঁর কাজের মাধ্যমে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম বলেন, তাঁর মৃত্যু বাংলাদেশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ চিন্তাবিদের অবসান।

পরে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মরদেহ মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফনের জন্য নেওয়া হবে।

সানা/কেএমএএ/আপ্র/৬/৭/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

প্রায় দুই বছর পর ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা পেলেন অনেকে
০৬ জুলাই ২০২৬

প্রায় দুই বছর পর ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা পেলেন অনেকে

দীর্ঘ প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর আবারো ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ২৮ জুন থেকে অ...

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা
০৬ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে নিউ ইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশের কয়েকজন মু...

শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, জড়িতদের তালিকা চেয়েছে পুলিশ
০৬ জুলাই ২০২৬

শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার, জড়িতদের তালিকা চেয়েছে পুলিশ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানের একটি ফ্লাইট থেকে প্রায় ১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় ফ...

অক্টোবরের শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন
০৬ জুলাই ২০২৬

অক্টোবরের শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

আগামী অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই