গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

সাতক্ষীরা সীমান্তে মানবপাচারকারী ও দালাল চক্রের তৎপরতা বেড়েছে

আবদুল্লাহ আল মামুন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

আবদুল্লাহ আল মামুন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২১:৫৩ পিএম, ০৬ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ০০:২১ এএম ২০২৬
সাতক্ষীরা সীমান্তে মানবপাচারকারী ও দালাল চক্রের তৎপরতা বেড়েছে
ছবি

প্রতিনিধিত্বকারী ছবি

সাতক্ষীরার ভোমরা, তলুইগাছা ও কুশখালী সীমান্ত এলাকায় মানবপাচারকারী ও দালাল চক্রের তৎপরতা আবারো বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব চক্র সীমান্তকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি, মানবপাচার ও মাদকসহ বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। তাদের কথামতো না চললে বিজিবির হাতে ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয় বলেও দাবি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনেক সময় নিরীহ মানুষকেও বিজিবির মাধ্যমে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়। দালালদের সঙ্গে কিছু অসাধু সদস্যের যোগসাজশ রয়েছে বলেও স্থানীয়দের একাংশের দাবি।

গত ২৫ জুন গভীর রাতে কুশখালী সীমান্ত দিয়ে বিএসএফের পুশব্যাকে ১০ জন বাংলাদেশি নারী-পুরুষ দেশে ফেরেন বলে জানা যায়। তারা যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। দেশে ফেরার পরপরই সীমান্ত এলাকায় স্থানীয় দালাল চক্রের কবলে পড়েন তারা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দেশে প্রবেশের পরই দালালরা তাদের আটকে রেখে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। দ্রুত বাড়ি ফেরার তাগিদে অনেকেই বাধ্য হয়ে টাকা দেন। অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনায় মাথাপিছু তিন হাজার থেকে সাত হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়।

এলাকাবাসীর দাবি, সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি চক্র বিভিন্ন ঘাট নিয়ন্ত্রণ করে এসব অপকর্ম চালাচ্ছে। ঘাটগুলোর সঙ্গে যুক্ত লোকজন ভারত–বাংলাদেশ যাতায়াত, চোরাচালানসহ নানা অবৈধ কাজে জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

চক্রের সদস্য হিসেবে স্থানীয় কয়েকজনের নামও উঠে এসেছে, যাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগীরা জানান, দেশে ফিরে পরিবারের কাছে যাওয়ার পথে দালালরা তাদের পথরোধ করে টাকা দাবি ও হয়রানি করে। পরে প্রাণের ভয়ে তারা টাকা দিতে বাধ্য হন।

স্থানীয়রা বলছেন, সীমান্ত এলাকায় দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য দিন দিন বাড়ছে। তারা দ্রুত এ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় বিজিবির এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে তারা অবগত হয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ককে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা সীমান্তে মানবপাচার, চাঁদাবাজি ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
সানা/আপ্র/৬/৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপ নাটোরে উদ্ধার, হেফাজতে বাবা-ছেলে
১২ অক্টোবর ২০২৬

জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপ নাটোরে উদ্ধার, হেফাজতে বাবা-ছেলে

জার্মান পর্যটক ক্রিল ল্যান্ডার উইবারের চুরি হওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে নাটোরের পুলিশ। রোববার (১১ অক্ট...

দুর্গাপূজায় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পাশে থাকার আশ্বাস বিএনপির
১২ অক্টোবর ২০২৬

দুর্গাপূজায় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পাশে থাকার আশ্বাস বিএনপির

এস এ খান শিল্টু: মেহেরপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে আ...

তারাগঞ্জে মাদক সেবনে তিনজনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
১২ অক্টোবর ২০২৬

তারাগঞ্জে মাদক সেবনে তিনজনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

খলিলুর রহমান খলিল, তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি: রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় মাদক সেবনের দায়ে তিন ব্যক্তি...

টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
১২ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

মোঃ আকরাম হোসেন: পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি ও সবুজের বিস্তার ঘটানোর লক্ষ্যে টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

অটোরিকশার দাবির পক্ষে বলা নেতার আছে ৭০০ বাহন

অটোরিকশা চালকদের দাবি মেনে নেওয়ার পক্ষে বক্তব্য দেওয়া জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের ৭০০টি অটোরিকশা রয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, জনগণের কাছে বারবার খোলস বদলে পার পাওয়া যাবে না। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১২ থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেলের পিলারে জুলাইয়ের চিত্রাঙ্কন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সাত শ অটোরিকশা থাকার অভিযোগকে কাল্পনিক, অসত্য ও ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে এর পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ চেয়েছে দলটি| প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন প্রশাসক সত্য বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে