গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০:১৪ পিএম, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১১:০৬ এএম ২০২৬
র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে
ছবি

ছবি সংগৃহীত

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বিলুপ্ত করে পুলিশের আওতাধীন ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ নামে নতুন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিধান রেখে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের চতুর্থ দিনে বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ সময় সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

বিলটি উত্থাপনের পর যাচাই-বাছাই করে চার কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদনসহ সংসদে ফেরত পাঠাতে বলা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, দেশের জননিরাপত্তা রক্ষা, সন্ত্রাসবাদ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন এবং পুলিশ বাহিনীকে সহায়তার জন্য আধুনিক, পেশাদার, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রয়োজন। একই সঙ্গে ইউনিটটির ক্ষমতা প্রয়োগে স্বচ্ছতা, তদারকি ও কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের আওতায় নতুন ইউনিট
বিলের বিধান অনুযায়ী, পুলিশ বাহিনীর আওতাধীন ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট থাকবে। সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশ বাহিনী ও অন্যান্য শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে নির্ধারিতসংখ্যক কর্মকর্তা, সশস্ত্র সদস্য বা কর্মচারী পদায়ন কিংবা প্রেষণে নিয়োগের মাধ্যমে ইউনিটটি গঠন করবে। এর সদর দপ্তর থাকবে ঢাকায়।

এসআরবির একজন মহাপরিচালক থাকবেন। বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক বা তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে সরকার তাঁকে নিয়োগ দেবে। মহাপরিচালক ইউনিটের প্রশাসনিক, আর্থিক ও পরিচালনাগত ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

যেসব দায়িত্ব পালন করবে এসআরবি
বিলের ১০ ধারায় এসআরবির দায়িত্ব ও কার্যাবলি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জননিরাপত্তা রক্ষা, সন্ত্রাস ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন, অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার এবং মাদক, সাইবার অপরাধ, গুম ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ।

এ ছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, মানবপাচার, অপহরণসহ মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করাও ইউনিটটির দায়িত্বের মধ্যে থাকবে।

আদালত, সরকার বা পুলিশ মহাপরিদর্শকের নির্দেশ অনুযায়ী এসব অপরাধের তদন্তও করতে পারবে এসআরবি।

তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতারের ক্ষমতা
বিলের ১২ ধারায় এসআরবিকে কোনো স্থানে প্রবেশ, তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতারের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এসব ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসরণ করেই প্রয়োগ করতে হবে।

১৩ ধারায় বলা হয়েছে, তল্লাশি, আটক, জব্দ ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী তদন্তকারী কর্মকর্তার যে ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কার্যাবলি রয়েছে, এসআরবির উপপরিদর্শক বা তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা তা প্রয়োগ করতে পারবেন।

তবে কাউকে গ্রেফতার বা কোনো আলামত জব্দ করার পর তা এসআরবির হেফাজতে রাখা যাবে না। বিলের ১৪ ধারায় গ্রেফতার ব্যক্তিকে এবং জব্দ করা আলামত অবিলম্বে নিকটস্থ থানার হেফাজতে সোপর্দ বা হস্তান্তরের বিধান রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদনও দিতে হবে।

ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত করতে পারবে
আদালত, সরকার বা পুলিশ মহাপরিদর্শক যে কোনো সময় এসআরবির মহাপরিচালককে কোনো ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবেন। মহাপরিচালক উপপরিদর্শক বা তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কোনো সদস্যকে তদন্তের দায়িত্ব দিতে পারবেন।

তদন্তের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান অনুসরণ করতে হবে। তদন্তের প্রয়োজন বিবেচনায় এসআরবির হাজতখানা, মালখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ রাখার বিধানও বিলে রয়েছে।

শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য কঠোর ব্যবস্থা

বিলের ১৭ ধারায় এসআরবি সদস্যদের বিভিন্ন শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে কর্তব্যরত অবস্থায় মাতাল বা নেশাগ্রস্ত থাকা, সহকর্মীকে আঘাত বা অসদাচরণ করা, অনুমতি ছাড়া প্রহরা, চৌকি বা টহল ত্যাগ করা, আটক বা গ্রেফতার থেকে পালিয়ে যাওয়া এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আইনসংগত আদেশ অমান্য করা রয়েছে।

এ ছাড়া দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা, অস্ত্র-গোলাবারুদ বা সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা হারানো, অসুস্থতার ভান করা, জোরপূর্বক অর্থ আদায়, বেআইনিভাবে জমি দখল, সম্পদ চুরি বা ধ্বংস, অপরাধীকে আটক করতে ব্যর্থ হওয়া এবং জুয়া বা অবৈধ মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকাকেও শৃঙ্খলা লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

আটক ১৫ দিনের বেশি হলে প্রতিবেদন
কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের অভিযোগ বা আশঙ্কার যৌক্তিক কারণ থাকলে তাঁকে আটক করার ক্ষমতা রাখা হয়েছে। তবে আটকাদেশ প্রদানকারী কর্মকর্তাকে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাতে হবে এবং আটক সদস্যকে লিখিতভাবে কারণ জানাতে হবে।

কোনো সদস্য ১৫ দিনের বেশি আটক থাকলে প্রতি সাত দিন অন্তর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দিতে হবে। আর আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রাথমিক কোনো প্রমাণ না থাকলে তাঁকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।

বরখাস্ত থেকে পদাবনতি পর্যন্ত শাস্তি
শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের জন্য গুরুদণ্ড ও লঘুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। গুরুদণ্ডের মধ্যে রয়েছে চাকরি থেকে বরখাস্ত, অপসারণ, বাধ্যতামূলক অবসর, চাকরি থেকে অব্যাহতি, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পদাবনতি, পদোন্নতি বন্ধ, সর্বোচ্চ এক বছরের জ্যেষ্ঠতা বা বেতন-ভাতা বাজেয়াপ্ত এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করা।

লঘুদণ্ড হিসেবে অনূর্ধ্ব এক মাসের বেতনের সমপরিমাণ জরিমানা, তিরস্কার, সর্বোচ্চ ৩০ দিনের জন্য কোয়ার্টার গার্ডে আটক, সর্বোচ্চ ৩০ দিনের জন্য ব্যাটালিয়নে আটক রেখে অতিরিক্ত কসরত বা প্রহরার দায়িত্ব এবং দৈনিক দুই ঘণ্টা করে সর্বোচ্চ ১৪ দিনের জন্য শাস্তিমূলক কসরতের বিধান রাখা হয়েছে।

তবে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে কোনো সদস্যকে এসব শাস্তি দেওয়া যাবে না।

শাস্তির বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ
বিভাগীয় কার্যধারায় দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করা যাবে। ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ সুপারের আদেশের বিরুদ্ধে মহাপরিচালক বা তাঁর ক্ষমতাপ্রাপ্ত অতিরিক্ত মহাপরিচালকের কাছে এবং মহাপরিচালকের আদেশের বিরুদ্ধে পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে আপিল করা যাবে। আপিলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

অভিযোগ প্রতিকারে মানবাধিকারকর্মী

এসআরবি সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত অভিযোগ এবং বাহিনীর সদস্যদের অভ্যন্তরীণ সংক্ষোভ নিরসনে ‘অভিযোগ প্রতিকার কমিটি’ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।

কমিটিতে এসআরবির একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি, পুলিশ সদর দপ্তরের অন্যূন সহকারী পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধি, আইন বা বিচার প্রশাসনে কমপক্ষে ১০ বছরের অভিজ্ঞ একজন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, মানবাধিকার সংরক্ষণ ও বাস্তবায়নে কমপক্ষে ১০ বছরের অভিজ্ঞ একজন ব্যক্তি এবং ইউনিটের আইন ও গণমাধ্যম পরিচালকের একজন প্রতিনিধি থাকবেন।

কমিটি অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে পারবে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করতে পারবে। পদোন্নতি, পদায়ন, বিভাগীয় শাস্তি, হয়রানি বা অন্যায্য আচরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে সদস্যদের সংক্ষোভও কমিটি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিতে পারবে।

অভিযোগ অনুসন্ধানের সময় সাক্ষী ও দলিল উপস্থাপনের ক্ষেত্রে কমিটির দেওয়ানি আদালতের অনুরূপ এখতিয়ার থাকবে।

যোগদানের পর বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ
বিলে এসআরবির সব সদস্যের জন্য ইউনিটে যোগদানের পর নির্ধারিত মেয়াদে বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সদর দপ্তরে একটি গবেষণা সেল থাকবে। এই সেল পরিচালনাগত ও তদন্তসংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করবে।

র‌্যাবের জনবল-সম্পদ যাবে এসআরবিতে
আইন কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে র‌্যাব গঠনসংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট বিধান রহিত হবে। তবে নতুন বিধিমালা প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত র‌্যাবের কোর্ট পদ্ধতি ও বিভাগীয় কার্যধারা বিধিমালা, ২০০৫ প্রয়োজনীয় অভিযোজনসহ এসআরবির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য থাকবে।

একই সঙ্গে র‌্যাবের জনবল, আদেশ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, বিদ্যমান সুবিধা, তহবিল, নগদ অর্থ, ব্যাংকে থাকা অর্থ, দায়, চুক্তি, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, হিসাববহি, রেজিস্টার, রেকর্ডপত্র ও সংশ্লিষ্ট দলিল এসআরবির অনুকূলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানান্তর ও ন্যস্ত করার বিধান রাখা হয়েছে।

পরিবর্তিত অপরাধ মোকাবিলায় নতুন ইউনিট
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অপরাধের ধরন ও প্রকৃতির পরিবর্তন এবং জাতীয় ও জননিরাপত্তার নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশেষায়িত ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া সক্ষমতার প্রয়োজন বেড়েছে।

সন্ত্রাসবাদ, সংঘবদ্ধ ও আন্তদেশীয় অপরাধ, চরমপন্থা, মানবপাচার ও প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধসহ গুরুতর অপরাধ প্রতিরোধে একটি আধুনিক বিশেষায়িত ইউনিট প্রয়োজন বলেও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিলে একই সঙ্গে বলা হয়েছে, এসআরবির ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আইনের শাসন, মানবাধিকার, স্বচ্ছতা, কার্যকর তদারকি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। এসব লক্ষ্য সামনে রেখেই র‌্যাবের পরিবর্তে পুলিশের আওতায় এসআরবি প্রতিষ্ঠার জন্য বিলটি আনা হয়েছে।
সানা/আপ্র/৪/৯/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

মাদক মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে ১০ জেলায় ২২ ট্রাইব্যুনাল
০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাদক মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে ১০ জেলায় ২২ ট্রাইব্যুনাল

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ন্যূনতম পাঁচ বছর বা তার বেশি শাস্তিযোগ্য অপরাধের মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত...

নেপালের বন্যায় বাংলাদেশ দিলো ১০ লাখ ডলার সহায়তা
০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেপালের বন্যায় বাংলাদেশ দিলো ১০ লাখ ডলার সহায়তা

নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ত্রাণ, উদ্ধার কার্যক্রম ও মানবিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহায়তার অংশ হিসেব...

সাত মাসে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ, উদ্ধার ১৩ হাজার ৬৭৯
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাত মাসে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ, উদ্ধার ১৩ হাজার ৬৭৯

চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। এর ম...

নাম বদলে যাচ্ছে র‌্যাবের, সংসদে বিল
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নাম বদলে যাচ্ছে র‌্যাবের, সংসদে বিল

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের আওতাধীন ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ (এসআরব...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই