গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

মেনু

কৃষি ও পল্লী ঋণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়লো ৫৪ শতাংশ

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৪৯ পিএম, ১৮ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ০২:০৮ এএম ২০২৬
কৃষি ও পল্লী ঋণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়লো ৫৪ শতাংশ
ছবি

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম মিলনায়তনে চলতি অর্থবছরের ‘কৃষি ও পল্লী ঋণ’ নীতিমালা ঘোষণা করা হয় -ছবি সংগৃহীত

২০২৬-২৭ অর্থবছরে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ৫৪ শতাংশ বাড়িয়ে ৬০ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো ২০ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা এবং বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলো ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা বিতরণ করবে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম মিলনায়তনে চলতি অর্থবছরের ‘কৃষি ও পল্লী ঋণ’ নীতিমালা ঘোষণা করা হয়।

নীতিমালা তুলে ধরে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান বলেন, “আগের চেয়ে লক্ষ্যমাত্রা বেড়েছে, যদিও এটি একটু চাপ তৈরি করবে, তারপরও আমরা মনে করছি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব।”

নতুন নীতিমালায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ এবং আড়াই একর জমিতে লবণ চাষের ঋণের ক্ষেত্রে ডকুমেন্টেশন খরচ ছাড়া অন্য কোনো সেবা ফি নেওয়া যাবে না। পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণে কোনো ধরনের জামানতও নেওয়া যাবে না।

নারী ও প্রান্তিক কৃষকদের ঋণের ক্ষেত্রে জমি বা স্থাবর সম্পত্তির পাশাপাশি বিকল্প জামানত হিসেবে সামাজিক ও দলগত জামানতের সুযোগ রাখা হয়েছে।

এবার শিমুলমূল, অশ্বগন্ধা, মিশ্রিদানা, রোজেলা, শতমূল, গাছ আলু ও ব্লুবেরি চাষ এবং ডিমের খোসা দিয়ে জৈব সার উৎপাদনকে কৃষি ঋণের আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি হ্যাচারিতে মাছ ও হাঁস-মুরগির বাচ্চা উৎপাদন এবং উট পালনও কৃষি ঋণের আওতায় এসেছে।

প্রকৃত কৃষক যাচাইয়ের ক্ষেত্রে স্থানীয় কৃষি, মৎস্য বা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার প্রত্যয়ন অথবা সরকারি ‘কৃষক কার্ড’ ব্যবহার করা হবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

হাবিবুর রহমান জানান, ব্যাংকিং খাতের মোট ঋণের বর্তমানে প্রায় আড়াই শতাংশ কৃষি খাতে যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানোর ফলে মোট ঋণের চার শতাংশ কৃষি ঋণ হিসেবে বিতরণ হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ হয়েছিল ৪২ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা। ওই অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৯ হাজার কোটি টাকা। ফলে লক্ষ্যমাত্রার ১০৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ ঋণ বিতরণ করা হয়। এ ঋণের সুবিধা পেয়েছেন ৩৭ লাখ ৭৭ হাজার ২৩৩ জন।

চলতি অর্থবছরের ৬০ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা গত অর্থবছরের ৩৯ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৫৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেশি।

নীতিমালায় চলতি অর্থবছরে ব্যাংকের নিজস্ব শাখা ও নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মোট কৃষি ঋণের অন্তত ৫০ শতাংশ বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাকি ঋণ তৃতীয় কোনো লিংকেজ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিতরণ করা যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও কৃষি ঋণ বিভাগের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
সানা/আপ্র/১৮/৮/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, দুই ধাপে বাস্তবায়ন
১৮ আগস্ট ২০২৬

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, দুই ধাপে বাস্তবায়ন

সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়...

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ প্রামাণ্যচিত্রে ভুল ছবি, শহীদ সাংবাদিক বললেন আমি জীবিত
১৭ আগস্ট ২০২৬

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ প্রামাণ্যচিত্রে ভুল ছবি, শহীদ সাংবাদিক বললেন আমি জীবিত

ডেমোক্রেটিক জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্সের অনুষ্ঠান

তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ ক্রাউন প্রিন্সের
১৭ আগস্ট ২০২৬

তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ ক্রাউন প্রিন্সের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী...

সাড়ে ১৩ লাখ আসন ফাঁকা, উচ্চশিক্ষায় আসছে বড় পরিবর্তন
১৭ আগস্ট ২০২৬

সাড়ে ১৩ লাখ আসন ফাঁকা, উচ্চশিক্ষায় আসছে বড় পরিবর্তন

দেশের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য প্রায় ২৫ লাখ আসন থাকলেও ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বিএনপি সরকারের ছয় মাস: প্রত্যাশা কতটা, প্রাপ্তি কতখানি

আজ ১৭ আগস্ট সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হচ্ছে। এর আগে ছয় মাসের কাজের মূল্যায়নে সরকার যেমন বেশ কিছু অর্জনের কথা বলছে, তেমনি বিরোধী রাজনৈতিক দল, অর্থনীতিবিদ ও বিভিন্ন পর্যায়ের নাগরিকদের প্রশ্নও সামনে এসেছে। সরকারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দাবি করেছেন, ছয় মাসের লক্ষ্য অনুযায়ী মোটামুটি সব কর্মসূচিই পূরণ হয়েছে-কোথাও ৯০, কোথাও ৯৫ এবং কোথাও শতভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে। প্রিয় পাঠক, সরকার ভালো করছে নাকি মন্দ করছে? হ্যাঁ বা না জানান।

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 23 ঘন্টা আগে