গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

মেনু

ইউনূস সরকারের সার্বিক কাজের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১:৪৬ পিএম, ০৪ মে ২০২৬ | আপডেট: ১৪:২৭ এএম ২০২৬
ইউনূস সরকারের সার্বিক কাজের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট
ছবি

ফাইল ছবি

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে করা সার্বিক কাজের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে হাইকোর্টে। এতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন ওই সরকারের সময় গৃহীত সিদ্ধান্তের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে আইন প্রণয়ন, সংস্কার কমিশন ও দেশি-বিদেশি চুক্তির বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

রিটে এসব বিষয়ে কমিশন গঠন করে ইনকয়ারি (অনুসন্ধান) করার আবেদন জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখার আবেদন জানানো হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ রোববার (৩ মে) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিটটি দায়ের করেন। জনস্বার্থে দায়েরকৃত রিটটিতে কেবিনেট সচিব ও আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটের বিষয়টি সোমবার (৪ মে) নিশ্চিত করেন সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ নিজে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে সোমবার (৪ মে) দুপুর একটায় ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ ও গঠন প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী। কিন্তু, ওই রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছিলেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। এরপর তিনি ওই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করেছিলেন।

২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ ও এই সরকারের গঠন প্রক্রিয়াকে বৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

একইসঙ্গে হাইকোর্টের এ সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিটকারীর লিভ টু আপিলটি পর্যবেক্ষণসহ খারিজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এরপর আবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যক্রম চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করা হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ওই বছরের ৬ আগস্ট সংসদ ভেঙে দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এ সরকার গঠন ও উপদেষ্টাদের শপথের আগে রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের কাছে মতামত চেয়ে রেফারেন্স পাঠান।

রাষ্ট্রপতির বিশেষ রেফারেন্স অনুযায়ী তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ ওই বছরের ৮ আগস্ট মতামত দেন। সর্বোচ্চ আদালতের মতামতে বলা হয়, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণে জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার জন্য অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্য উপদেষ্টাদের নিয়োগ দিতে পারবেন এবং তাদের শপথ পাঠ করাতে পারবেন।

এসি/আপ্র/০৪/০৫/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট
২৪ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (২৪ জ...

ধর্ষণ মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে শিবির নেতা জিসান
২৪ জুন ২০২৬

ধর্ষণ মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে শিবির নেতা জিসান

ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার ইসলামী ছাত্রশিবিরের বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা জ...

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করায় জামায়াতপন্থী ১৮ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ
২৪ জুন ২০২৬

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করায় জামায়াতপন্থী ১৮ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করা এবং বিচার বিভাগসংক্রান্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ ও সংস্কার উদ্যোগ বা...

মাদক ও ধর্ষকের পক্ষে তদবির করলে নেতাদেরও হাজতে পাঠানো হবে: আইনমন্ত্রী
১৭ জুন ২০২৬

মাদক ও ধর্ষকের পক্ষে তদবির করলে নেতাদেরও হাজতে পাঠানো হবে: আইনমন্ত্রী

ধর্ষক বা মাদক ব্যবসায়ীরা কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পদ হতে পারে না উল্লেখ করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

২০২৫ সালে সেবা খাতে ঘুষ লেনদেনের পরিমাণ ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি ২০ লাখ টাকা

দেশের বিভিন্ন সেবা খাতে ২০২৫ সালে ঘুষ লেনদেনের পরিমাণ আনুমানিক ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির মতে, এই পরিমাণ ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ১৫ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। আপনি কি মনে করেন এই জরিপ সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে