ইসরায়েলের বিমান বাহিনী জানিয়েছে, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে তারা প্রায় ২০০ বিমান নিয়ে তাদের সর্ববৃহৎ হামলা চালিয়েছে।
দেশটির সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যাপক এই হামলায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ভোরে তাদের যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের পশ্চিমাঞ্চলে ও মধ্যাঞ্চলে অন্তত ৫০০ সামরিক লক্ষ্যস্থলে প্রায় একই সঙ্গে শত শত বোমাবর্ষণ করেছে।
এক বিবৃতিতে আইডিএফ বলেছে, ‘ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর ইতিহাসে এটি সর্ববৃহৎ একদফা বিমান হামলা। উচ্চমানের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিবিড় পরিকল্পনার মাধ্যমে এটি বাস্তবায়িত হয়েছে। একযোগে শত শত যুদ্ধবিমানকে সমন্বয় করে এসব হামলা চালানো হয়েছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ইরানের প্রতিরক্ষা সিস্টেমে আঘাত হানার মাধ্যমে ইরানের আকাশে বিমান শ্রেষ্ঠত্বের সম্প্রসারণ সম্ভব হয়েছে এবং পশ্চিম ইরানের উৎক্ষেপণ স্থানগুলিতে শাসকগোষ্ঠীটির কেন্দ্রীয় আক্রমণাত্মক সক্ষমতার উপর তীব্র আঘাত হানা গেছে।’
আইডিএফ জানিয়েছে, তারা যেসব স্থানগুলোতে আঘাত হেনেছে তার মধ্যে তাবরিজ অন্যতম। এই স্থানটি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট হিসেবে কাজ করছিল।
‘আর এখান থেকে তারা (ইরান) ইসরায়েলের দিকে ডজন ডজন ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পরিকল্পনা করেছিল,’ বলেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী; জানিয়েছে টাইমস অব ইসরায়েল।
শনিবার ইরানের স্থানীয় সময় ভোরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলে দেশটির বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক হামলা চালানো শুরু করে। তারা ইরানের ৩২টি প্রদেশের মধ্যে অন্তত ২০টি প্রদেশকে লক্ষ্যস্থল করেছে বলে ইরানের রেড ক্রিসেন্টের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ইরান ইসরায়েল ও উপসাগরীয় আরব দেশ সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত মার্কিন নৌ ও বিমান ঘাঁটিগুলোতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
সানা/আপ্র/০১/৩/২০২৬