গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

জাহাজের ওয়েটার থেকে হাজার কোটি রুপির ব্যবসার কর্ণধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৪৬ পিএম, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২১:৪৯ এএম ২০২৬
জাহাজের ওয়েটার থেকে হাজার কোটি রুপির ব্যবসার কর্ণধার
ছবি

ভারতের ‘ওয়াটারওয়েজ লেজার ট্যুরিজম লিমিটেড’-এর সিইও ইউর্গেন বাইলম -ছবি সংগৃহীত

জাহাজে সাধারণ ওয়েটার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত ইউর্গেন বাইলম। চার দশকের কঠোর পরিশ্রম, শেখার আগ্রহ ও অধ্যবসায়ের পর আজ তিনি ভারতের বিলাসবহুল সামুদ্রিক পর্যটন খাতের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী। ‘ওয়াটারওয়েজ লেজার ট্যুরিজম লিমিটেড’-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তিনি পরিচালনা করছেন ‘করডেলিয়া ক্রুজ’, যা ভারতের অভ্যন্তরীণ ক্রুজ বাজারের ৯৯ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে বলে দাবি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে কনটেন্ট নির্মাতা নাভান জয়সওয়ালের সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নিজের দীর্ঘ কর্মজীবন, ভারতে ব্যবসা গড়ে তোলার অভিজ্ঞতা এবং সাফল্যের দর্শন তুলে ধরেছেন ইউর্গেন বাইলম।

৪০ বছরের কর্মজীবনের শুরুর কথা স্মরণ করে বাইলম জানান, আতিথেয়তা খাতে তাঁর প্রথম চাকরি ছিল জাহাজের ওয়েটার হিসেবে। কাজের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব, দ্রুত শেখার সক্ষমতা এবং নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাই ধীরে ধীরে তাঁকে পেশাগত জীবনে এগিয়ে দেয়।

নিজের সাফল্যের মূল কারণ ব্যাখ্যা করে বাইলম বলেন, যেকোনো কাজ সম্পন্ন করার ইতিবাচক মানসিকতাই ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি দ্রুত শিখতে পারতেন এবং বাজার, মানুষ ও সংস্কৃতিকে গভীরভাবে বোঝার চেষ্টা করতেন।

আর্থিক সাফল্য অর্জনের দর্শন সম্পর্কে বাইলমের পরামর্শ, অপ্রয়োজনে অর্থ ব্যয় করা উচিত নয়। তাঁর ভাষায়, “আপনাকে টাকার পেছনে দৌড়াতে হবে না। আপনি যদি জানেন কী করতে হবে, তাহলে টাকাই আপনার পেছনে দৌড়াবে।”

ভারতের সামুদ্রিক পর্যটন খাতে বর্তমানে করডেলিয়া ক্রুজের বড় ধরনের আধিপত্য রয়েছে। বাইলম জানান, মাত্র একটি জাহাজ পরিচালনার মাধ্যমেই তাঁদের ব্যবসা থেকে বছরে প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ কোটি রুপি আয় হচ্ছে। পুরো ব্র্যান্ডটির প্রাক্কলিত আর্থিক মূল্য প্রায় ৮ হাজার কোটি রুপি বলেও জানান তিনি।

অস্ট্রিয়ায় জন্ম হলেও ভারতের বিশাল উপকূলরেখাকে কেন্দ্র করে বিশ্বমানের একটি ক্রুজ ব্যবসা গড়ে তোলার বিপুল সম্ভাবনা দেখেছিলেন বাইলম। তাঁর মতে, ভারত অত্যন্ত সুন্দর একটি দেশ। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম উপকূলরেখার অধিকারী একটি দেশে ক্রুজ ব্যবসা সফল হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

জাহাজের সাধারণ ওয়েটার হিসেবে শুরু করা কর্মজীবন থেকে হাজার কোটি রুপির ব্যবসার নেতৃত্বে উঠে আসার এই যাত্রায় নিজের শেখার আগ্রহ, ইতিবাচক মানসিকতা এবং বাজার ও মানুষের প্রতি গভীর বোঝাপড়াকেই সাফল্যের প্রধান ভিত্তি হিসেবে দেখছেন ইউর্গেন বাইলম। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
সানা/ডিসি/আপ্র/৯/৯/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

তারার বিস্ফোরণ রহস্য উন্মোচনে নতুন সাফল্য
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তারার বিস্ফোরণ রহস্য উন্মোচনে নতুন সাফল্য

মহাজাগতিক বিস্ফোরণ বা সুপারনোভা কীভাবে ঘটে এবং তারার ভেতরে তৈরি মৌলগুলো কীভাবে মহাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে—দ...

ওড়িশা থেকে উদ্ধার পাঁচ ওরাংওটাং নন্দনকাননে
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ওড়িশা থেকে উদ্ধার পাঁচ ওরাংওটাং নন্দনকাননে

ভারতের ওড়িশার বালেশ্বর জেলার একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা বিরল প্রজাতির পাঁচটি শিশু ওরাংওটাংকে ভুবনেশ্...

ইরানে ওষুধের তীব্র সংকট, কয়েক গুণ বেড়েছে দাম
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানে ওষুধের তীব্র সংকট, কয়েক গুণ বেড়েছে দাম

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপ, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও কঠোর নৌ-অবরোধের কারণে ভয়াবহ সংকটে পড়েছে ইরানের ওষু...

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এলিজা রহমান অস্ট্রেলিয়ায় ডেপুটি মেয়র হলেন
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এলিজা রহমান অস্ট্রেলিয়ায় ডেপুটি মেয়র হলেন

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচিত হলেন আরেক বাংলাদেশি এলিজা আজাদ রহমান। তিনি...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত পেলেন বিরোধীদলীয় নেতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন প্রধান দুই দলের প্রধানদের এমন আচরণের ইতিবাচক প্রভাব দেশের রাজনীতিতে পড়বে ?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে