গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

আনন্দবাজার কার্যালয়ের সামনে হিন্দুত্ববাদীদের বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:২৫ পিএম, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১১:৪৭ এএম ২০২৬
আনন্দবাজার কার্যালয়ের সামনে হিন্দুত্ববাদীদের বিক্ষোভ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ভারতের কলকাতায় আনন্দবাজার পত্রিকার প্রধান কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছেন একদল হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সমর্থক। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চাঁদনী চক এলাকার প্রফুল্ল সরকার স্ট্রিটে পত্রিকাটির কার্যালয়ের মূল ফটকের সামনে এ বিক্ষোভ হয়।

বিক্ষোভকারীরা গেরুয়া পোশাক ও পাগড়ি পরে সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা ভবনের মূল প্রবেশদ্বারের দুটি থামে গেরুয়া রং লাগিয়ে দেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও বিক্ষোভকারীদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

গত ২০ আগস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর পরদিন ২১ আগস্ট আনন্দবাজার পত্রিকা প্রথম পাতার প্রধান শিরোনামে ‘গেরুয়া গুন্ডামি’ শব্দটি ব্যবহার করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই শব্দচয়ন ও শিরোনামের তীব্র সমালোচনা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

তিনি আনন্দবাজার পত্রিকাকে শিরোনামটি প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। অন্যথায় গেরুয়া পোশাক পরে এর প্রতিবাদ করা হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এরপর ‘হিন্দু জাগরণ মঞ্চ’ নামে একটি সংগঠন পত্রিকাটির সম্পাদকের বিরুদ্ধে বউবাজার থানায় এফআইআর দায়ের করে।

মঙ্গলবার দুপুরে একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের ব্যানারে কয়েকজন বিক্ষোভকারী আনন্দবাজারের প্রধান কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। পুলিশের উপস্থিতিতেই তারা মূল ফটকের ওপর গেরুয়া উত্তরীয় ঝুলিয়ে অবস্থান নেন।

বিক্ষোভকারীরা বলেন, আনন্দবাজার পত্রিকা সরকারের সমালোচনা করতে পারে, এমনকি মুখ্যমন্ত্রীরও সমালোচনা করতে পারে। তবে গেরুয়া রংকে অসম্মান করার অধিকার কারও নেই। পুলিশকে সম্মান জানিয়ে তারা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করছেন বলেও দাবি করেন। একই সঙ্গে দাবি পূরণ না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

কিছুক্ষণ অবস্থানের পর বিক্ষোভকারীরা মূল ফটকের পাশের দুটি থামে গেরুয়া রং লাগিয়ে ‘আনন্দবাজার হায় হায়’ স্লোগান দিতে দিতে চলে যান।

তবে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব জানিয়েছে, দলের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো বিক্ষোভের কর্মসূচি দেওয়া হয়নি।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গের মানবাধিকার সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রটেকশন অব ডেমোক্রেটিক রাইটসের পক্ষ থেকে রঞ্জিত শূর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেন, আনন্দবাজার কার্যালয়ে বিক্ষোভের ঘটনায় পত্রিকাটির ‘গেরুয়া গুন্ডামি’ শিরোনামটি যথার্থ প্রমাণিত হয়েছে।

ঘটনার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা কর্তৃপক্ষ। পত্রিকাটির সম্পাদক ঈশানী দত্ত রায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, গেরুয়া রং লাগানো দেয়ালটি আবার সাদা রঙে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। পোস্টের ছবির ক্যাপশনে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা থেকে লেখেন—‘উচ্চ যেথা শির’।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

এসি/আপ্র/০২/০৯/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলা, শিশুসহ নিহত ৫
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলা, শিশুসহ নিহত ৫

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কয়েক সপ্তাহের বিরতির পর আবারো শুরু হয়েছে হামলা-পাল্টা হামলা। মঙ্গলবার (১...

বোয়িং কেনায় তারেককে ধন্যবাদ, সাক্ষাতের আশা ট্রাম্পের
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বোয়িং কেনায় তারেককে ধন্যবাদ, সাক্ষাতের আশা ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ...

কাতারের এলএনজি সরবরাহে অনিশ্চয়তা, বাড়ছে বাংলাদেশের ঝুঁকি
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাতারের এলএনজি সরবরাহে অনিশ্চয়তা, বাড়ছে বাংলাদেশের ঝুঁকি

ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমের খবর

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির মধ্যেই পুতিন-সির সম্পর্ক আরো দৃঢ়
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির মধ্যেই পুতিন-সির সম্পর্ক আরো দৃঢ়

বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে রাশিয়া ও চীনের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরো জোরদার কর...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ হলো মেসির মহাকাব্য

লিওনেল মেসি ঘোষণা দিয়েছেন, আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে আর খেলবেন না। ৩৯ বছরের এই কিংবদন্তির আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের শেষ দৃশ্য হয়ে রইল গত জুলাইয়ের বিশ্বকাপ ফাইনাল। স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে সেদিন আর্জেন্টিনার হাতে ওঠেনি বিশ্বকাপ। কিন্তু মেসির জন্য সেই হারই যেন তাঁর দুই দশকের আন্তর্জাতিক মহাকাব্যের শেষ পৃষ্ঠা হয়ে থাকল। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন মেসি সঠিক সময়ে অবসর নিয়েছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে