পল্লীকবি জসীমউদদীনের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের ৬০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল জানিয়েছেন, চলতি বর্ষা মৌসুমে বাকি অংশের দৃশ্যধারণ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
গোপালগঞ্জের চান্দার বিল এলাকায় ইতোমধ্যে চলচ্চিত্রটির বড় অংশের শুটিং শেষ হয়েছে। পরিচালক জানান, শুটিং করা অংশের সম্পাদনার কাজও সম্পন্ন হয়েছে। বাকি অংশের শুটিংয়ের সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত না হলেও প্রস্তুতি চলছে।
তানভীর মোকাম্মেল বলেন, “গোপালগঞ্জের চান্দার বিল অঞ্চলে চলচ্চিত্রটির ষাট ভাগ শুটিং শেষ হয়েছে। শুটিংকৃত অংশের সম্পাদনার কাজও শেষ করা হয়েছে। এই বর্ষা মৌসুমে চলচ্চিত্রটির বাকী অংশের শুটিং শেষ করা হবে বলে আশা করছি।”
জসীমউদদীনের কাব্যগ্রন্থে গ্রামীণ সমাজের হিন্দু-মুসলিম সম্প্রদায়ের জীবন, সামাজিক টানাপোড়েন এবং সোজন ও দুলালীর করুণ প্রেমগাঁথা ফুটে উঠেছে। সেই কাহিনিই চলচ্চিত্রে তুলে ধরা হচ্ছে।
চলচ্চিত্রে সোজন চরিত্রে অভিনয় করছেন তনয় বিশ্বাস এবং দুলালী চরিত্রে রাদিফা নারমিন। এছাড়া ছোট সোজনের ভূমিকায় দিহান ও ছোট দুলালী চরিত্রে শ্রেয়া বৈদ্য অভিনয় করছেন। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন চিত্রলেখা গুহ, কাজী রাজু, শাহ আলম দুলাল, আহসানুল হক মিনু, জয়িতা মহলানবিশ, সংগীতা চৌধুরী, দেবাশীষ ঘোষ, শুভাশীষ ভৌমিক, উত্তম গুহ, রিমু রোজা খন্দকার, সৈয়দ সাবাব আলী আরজু, টুনটুনি সোবহানসহ আরো অনেকে।
চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনা করছেন তানভীর মোকাম্মেল নিজেই। চিত্রগ্রহণে রয়েছেন রাকিবুল হাসান। শিল্পনির্দেশনা ও প্রধান সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন উত্তম গুহ।
কাস্টিং ডিরেকশন ও পোশাক পরিকল্পনায় রয়েছেন চিত্রলেখা গুহ। সংগীত পরিচালনা করছেন সৈয়দ সাবাব আলী আরজু।
চলচ্চিত্রটির সহ-প্রযোজক হিসেবে যুক্ত আছেন কবি জসীমউদদীনের কন্যা হাসনা জসীমউদদীন মওদুদ।
পরিচালক জানিয়েছেন, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী শীতেই চলচ্চিত্রটি মুক্তি দেওয়ার আশা করা হচ্ছে।
সানা/ডিসি/আপ্র/১৫/৬/২০২৬