গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

মেনু

এক বছরে পাস কমেছে ৬.২০ শতাংশ, জিপিএ-৫ কমেছে ২২ হাজার; দাখিলে শূন্য পাস মাদরাসা বেড়েছে, কমেছে শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠান

এসএসসির ফলে বড় ধস, ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাস

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৪৪ পিএম, ১০ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২২:৪২ এএম ২০২৬
এসএসসির ফলে বড় ধস, ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাস
ছবি

ভালো ফলাফল করা শিক্ষার্থীদের উল্লাস -ছবি সংগৃহীত

দেশের মাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থার সামনে বড় ধরনের সতর্কবার্তা হয়ে এসেছে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার গড় পাসের হার নেমে দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে। গত বছরের তুলনায় এক বছরে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে ২২ হাজারের বেশি। ফলাফলের এই পতন শুধু একটি পরীক্ষার পরিসংখ্যান নয়; বরং দীর্ঘদিনের শিখনঘাটতি, মৌলিক বিষয়ে দুর্বলতা, প্রতিষ্ঠানভেদে বৈষম্য এবং মূল্যায়নব্যবস্থার বাস্তব চিত্র নতুন করে সামনে এনেছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলের হিসাবে, এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। গত বছর ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। অর্থাৎ এবার পাসের হার ও সর্বোচ্চ ফল-দুই সূচকেই বড় পতন হয়েছে।

গণিত-ইংরেজিতে দুর্বলতা, কঠোর মূল্যায়নে বেরিয়ে এলো শিখনঘাটতি: শিক্ষা-সংশ্লিষ্টদের মতে, এবারের ফলকে শুধু ‘ফল বিপর্যয়’ হিসেবে দেখলে সমস্যার গভীরতা বোঝা যাবে না। পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা, উত্তরপত্র মূল্যায়নে নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ এবং পরীক্ষাব্যবস্থায় কঠোরতার পাশাপাশি গণিত ও ইংরেজির মতো মৌলিক বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলেছে। গত বছরও গণিত ও ইংরেজিতে দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল; এবার সেই সংকট আরো প্রকট হয়েছে।

ফলে এবার যে সংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে, তাদের বড় অংশের ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক শিখনঘাটতি কতটা দায়ী-তা এখনই বিশদভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে মাধ্যমিক স্তরে দীর্ঘদিন ধরে মুখস্থনির্ভর শিক্ষা, কোচিংনির্ভর প্রস্তুতি, শিক্ষক সংকট ও মানসম্মত পাঠদানের ঘাটতির যে অভিযোগ রয়েছে, এবারের ফল সেই প্রশ্নগুলোকে আবার সামনে এনেছে।

১১ বোর্ডের ফলেই নিম্নমুখী চিত্র: ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। গত বছর ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ সাধারণ শিক্ষা বোর্ডেই এক বছরে পাসের হার কমেছে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

বোর্ডভেদে সর্বোচ্চ পাসের হার ঢাকা বোর্ডে-৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এরপর যশোরে ৬৬ দশমিক ২৭, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২, রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক ০৫ এবং ময়মনসিংহে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। বরিশাল বোর্ডের পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

রাজশাহী বোর্ডে পতনটি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। সাত বছরের মধ্যে এবারই সেখানে পাসের হার সর্বনিম্ন-৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ। ২০২৪ সালে এই হার ছিল ৮৯ দশমিক ২৬ শতাংশ; ২০২৫ সালে কমে হয় ৭৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে তা প্রায় ২৬ শতাংশীয় পয়েন্ট কমেছে। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও ২০২৫ সালের ২২ হাজার ৩২৭ থেকে এবার নেমে এসেছে ১৬ হাজার ১১৩-তে।

ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা অনেক এগিয়ে: সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলে লিঙ্গভিত্তিক ব্যবধানও স্পষ্ট। এবার ছেলেদের পাসের হার ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ, মেয়েদের ৬৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে।

জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও মেয়েদের অবস্থান ভালো। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার ৫৮ হাজার ৭০৫ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যেখানে ছাত্র পেয়েছে ৪৭ হাজার ৩০৪ জন।

এই ব্যবধানকে কেবল পরীক্ষার ফলের পার্থক্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। মাধ্যমিক স্তরে ছেলেদের ঝরে পড়া, নিয়মিত পড়াশোনা থেকে দূরে সরে যাওয়া, পারিবারিক ও আর্থিক বাস্তবতা এবং ডিজিটাল আসক্তির মতো বিষয়গুলোও গভীরভাবে অনুসন্ধানের দাবি রাখে।

দাখিলে বিপর্যয় আরো গভীর: সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের তুলনায় দাখিলের ফল আরো হতাশাজনক। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। মোট ২ লাখ ৯৬ হাজার ১৮২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৭ জন। অর্থাৎ ১ লাখ ৩২ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৬ হাজার ৭১৬ জন।

প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল পরিস্থিতির গভীরতা আরো স্পষ্ট করেছে। গত বছর শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করা মাদরাসার সংখ্যা ছিল ৪১০টি; এবার তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৮৮টিতে। বিপরীতে শূন্য পাসের মাদরাসা ৮২টি থেকে বেড়ে হয়েছে ২২৬টি। অর্থাৎ এক বছরে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি-এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ১৪৪টি।

এ ছাড়া ১০ শতাংশের নিচে পাসের হার থাকা মাদরাসার সংখ্যাও ১০৬ থেকে বেড়ে হয়েছে ২৫৬টি।

বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খোন্দকার মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান বলেছেন, যেসব প্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি, সেগুলোর শিক্ষার মান ও একাডেমিক কার্যক্রম খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে এমপিওভুক্তির বিষয়ও পর্যালোচনা করা হতে পারে।

কারিগরি শিক্ষাতেও সংকট: কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফলও স্বস্তির নয়। এসএসসি ও সমমানের কারিগরি পরীক্ষায় পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ। অর্থাৎ প্রায় ৪১ শতাংশ শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৩ হাজার ৯৫১ জন।

কারিগরি শিক্ষাকে দেশের কর্মমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক জনশক্তি তৈরির প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হলেও এই ফল সেই খাতের দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকট, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও পরীক্ষাগার ঘাটতি, প্রশিক্ষণের দুর্বলতা এবং শিক্ষার্থীদের যথাযথ দিকনির্দেশনার অভাব নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

শতভাগ পাসের প্রতিষ্ঠান কমেছে, বেড়েছে শূন্য পাস: সার্বিক প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলও বড় উদ্বেগের। এবার ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৯৬৮টি। অর্থাৎ এক বছরে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ২ হাজারের বেশি।

অন্যদিকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করেনি-এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩১২টি। অর্থাৎ একটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও উত্তীর্ণ না হওয়ার ঘটনা এখন আর বিচ্ছিন্ন নয়; এটি শিক্ষা ব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক মান নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলছে।

১৯ বছরের ফলের ইতিহাসে বড় ধাক্কা: বাংলাদেশের এসএসসি ফলের ইতিহাসে এবারের পতনকে বুঝতে হলে অতীতের দিকে তাকানো জরুরি। ২০০৭ সালে নয়টি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এরপর বিভিন্ন সময়ে পাসের হার ৮০ থেকে ৯০ শতাংশের ঘরে উঠেছে। ২০২১ সালে বিশেষ মূল্যায়ন ও বিষয়ভিত্তিক ফল সমন্বয়ের কারণে পাসের হার ৯৩ শতাংশের বেশি হয়েছিল। করোনা-পরবর্তী সময়ে স্বাভাবিক পরীক্ষা ও পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে সেই হার দ্রুত কমতে থাকে।

২০২৫ সালে তা নেমে এসেছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশে। এবার আরো ৬ দশমিক ২০ শতাংশ কমে হয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। ফলে সাম্প্রতিক প্রায় দুই দশকের ধারাবাহিকতার মধ্যে এটি অন্যতম নিম্নতম ফল এবং করোনা-পরবর্তী স্বাভাবিক মূল্যায়নব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় পতনগুলোর একটি।

শুধু কঠোর পরীক্ষা নয়, কেন শিখতে পারছে না শিক্ষার্থীরা? শিক্ষাবিদদের সামনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হওয়া উচিত-কেন এত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী মৌলিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না?

শিক্ষা ও গবেষণা সংশ্লিষ্টদের মতে, ফলাফল ভালো দেখানোর জন্য মূল্যায়ন সহজ করা কোনো সমাধান নয়। বরং কঠোর ও নিরপেক্ষ মূল্যায়নে প্রকৃত দুর্বলতা সামনে এলে সেটিকে সংস্কারের সুযোগ হিসেবে নিতে হবে। গণিত ও ইংরেজিতে দুর্বল শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করে প্রতিকারমূলক শিক্ষা, অতিরিক্ত সহায়তা ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার করতে হবে।

বিশেষ করে শূন্য পাস ও অত্যন্ত কম পাসের প্রতিষ্ঠানগুলোকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে সেখানে শিক্ষক উপস্থিতি, পাঠদানের মান, শ্রেণিকক্ষের পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও প্রশাসনিক তদারকি-সবকিছু পর্যালোচনা করা জরুরি।

কারণ একটি পরীক্ষার ফল কেবল শিক্ষার্থীর ব্যর্থতার দলিল নয়; সেটি একই সঙ্গে শিক্ষক, প্রতিষ্ঠান, পরিবার এবং সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার আয়না।

ফল বিপর্যয় থেকে শিক্ষা নেওয়ার এখনই সময়: এবারের এসএসসি ও সমমানের ফলাফল তাই উৎসবের পাশাপাশি আত্মসমালোচনারও সময় এনে দিয়েছে। পাসের হার কমেছে-এটি বাস্তবতা। কিন্তু আরো গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা হলো, বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে পারেনি। সেই ব্যর্থতার দায় কেবল শিক্ষার্থীর ওপর চাপিয়ে দিলে সংকট আরো গভীর হবে।

শিক্ষাব্যবস্থায় প্রকৃত মান ফিরিয়ে আনতে হলে পরীক্ষাকে পরীক্ষার মতো নিতে হবে, ফলকে ফলের মতো গ্রহণ করতে হবে এবং ফলের আড়ালে থাকা দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করতে হবে। গণিত ও ইংরেজির মৌলিক দক্ষতা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, নিয়মিত পাঠদান, বিদ্যালয়ভিত্তিক নজরদারি, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং ঝরে পড়া রোধ-সব ক্ষেত্রেই সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

এবারের ফলাফলকে তাই ‘ধস’ বলে থেমে গেলে চলবে না। এই ধসের নিচে চাপা পড়ে থাকা শিখনঘাটতি ও ব্যবস্থাগত দুর্বলতাগুলো উদ্ধার করাই এখন শিক্ষা প্রশাসনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
সানা/আপ্র/১০/৮/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

চট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসির ফলে বড় ধস, পাস ৫৯ শতাংশ
১০ আগস্ট ২০২৬

চট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসির ফলে বড় ধস, পাস ৫৯ শতাংশ

১৫ বছরের সর্বনিম্ন পাসের হার, শূন্য পাস আট প্রতিষ্ঠানে

সমালোচনার পর বিতর্কিত শিল্পকর্ম সরাল রাবি প্রশাসন
১০ আগস্ট ২০২৬

সমালোচনার পর বিতর্কিত শিল্পকর্ম সরাল রাবি প্রশাসন

সমালোচনার মুখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনী থেকে একটি বি...

বিদেশে শিক্ষার ফি ডেবিট-ক্রেডিট কার্ডে পরিশোধের সুযোগ
১০ আগস্ট ২০২৬

বিদেশে শিক্ষার ফি ডেবিট-ক্রেডিট কার্ডে পরিশোধের সুযোগ

বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য টিউশন ফি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয় পরিশোধের প্রক্রিয়া আরো সহজ করল বাংলাদেশ ব...

২২৬ মাদরাসায় পাস করেনি কেউ
১০ আগস্ট ২০২৬

২২৬ মাদরাসায় পাস করেনি কেউ

এবারের দাখিল পরীক্ষায় অভাবনীয় দরপতন দেখা গেছে। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই