বড়পর্দায় বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয়দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে প্রশংসিত হয়েছেন অভিনেত্রী রুনা খান। ‘হালদা’ কিংবা ‘ছিটকিনি’র মতো সিনেমায় অভিনয় করে দর্শক ও সমালোচকদের নজর কাড়া এই অভিনেত্রী এবার যুক্ত হলেন হাওর অঞ্চলের মানুষের জীবন সংগ্রাম ও অপেক্ষার পটভূমিতে নির্মিত নতুন সিনেমা ‘জলপবন’-এ। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন তরুণ নির্মাতা রাজন তালুকদার।
গত ১৫ আগস্ট থেকে সুনামগঞ্জের চোখজুড়ানো হাওর এলাকায় শুরু হয়েছে ‘জলপবন’-এর দৃশ্যধারণ। জানা গেছে, চলতি পুরো মাস জুড়েই সেখানকার বিভিন্ন মনোরম ও দুর্গম লোকেশনে সিনেমাটির শুটিং চলবে।
চিত্রগ্রহণের ব্যস্ততার ফাঁকে সিনেমাটি প্রসঙ্গে রুনা খান জানান, এটি মূলত এক দীর্ঘ অপেক্ষার গল্প, যেখানে অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠবে হাওরপাড়ের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের যাপিত জীবন। ছবিতে ‘নিরালা’ নামের একটি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। গল্প ও চরিত্র দারুণ পছন্দ হওয়াতেই নতুন এই প্রজেক্টে যুক্ত হয়েছেন বলে জানান তিনি।
‘জলপবন’ মূলত একটি স্বাধীন চলচ্চিত্র। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট থেকে ডিগ্রি নেওয়া পরিচালক রাজন তালুকদারের এটিই প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। শুধু নির্মাতাই নন, এই সিনেমার অধিকাংশ অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীই তরুণ এবং নতুন।
রুনা খানের পাশাপাশি এতে প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করছেন প্রাচ্যনাট থিয়েটারের সদস্য সুশান্ত পৃথ্বীরাজ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী সামিউল হক। এ ছাড়া থিয়েটার চর্চার সঙ্গে যুক্ত স্থানীয় বেশ কিছু অভিনয়শিল্পীও সিনেমাটিতে যুক্ত হয়েছেন। তরুণ ও নতুন এই দলটির শেখার আগ্রহ এবং কাজের যোগ্যতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন রুনা খান।
এদিকে বড়পর্দায় বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন এই অভিনেত্রী।
তাঁর অভিনীত একাধিক সিনেমা এখন মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এর মধ্যে জাহিদ হোসেন পরিচালিত ও শহীদুজ্জামান সেলিমের সহ-অভিনয়ে নির্মিত ‘লীলা মন্থন’ শিগগিরই সার্টিফিকেশন বোর্ডে জমা হতে যাচ্ছে। এছাড়া ছাড়পত্রের অপেক্ষায় আছে মাসুদ পথিকের ‘বক’ এবং কৌশিক শংকর দাসের ‘দাফন’ সিনেমা দুটি।
ডিসি/আপ্র/২২/০৮/২০২৬