কলকাতার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশি নাগরিকের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ শনিবার (২২ আগস্ট) দেশে এসে পৌঁছেছে। নিহত সপ্তম ব্যক্তি সাতক্ষীরার রেপতি সরকারের মরদেহ তাঁর পরিবারের ইচ্ছানুযায়ী শুক্রবার রাতে কলকাতাতেই সৎকার করা হয়েছে।
গত ১৯ আগস্ট কলকাতার ওই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশি নিহত হন। শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরত আনা এবং সৎকারের বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্ঘটনার পর থেকেই কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন এবং মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে আসছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর শুক্রবার রাতে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
শনিবার সকালে সাতক্ষীরার এস এম আলীমুজ্জামানের মরদেহ ঘোজাডাঙ্গা-ভোমরা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আনা হয়। পরে মরদেহটি তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ ছাড়া কুষ্টিয়ার দেবাশীষ দত্ত, তাঁর পরিবারের তিন সদস্য আফসানা শারমিন, শর্ণশিষ দত্ত ও মো. আকরাম আলীর মরদেহ পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে শনিবার বিকালে দেশে ফেরত আনা হয়। একই সীমান্ত দিয়ে ঢাকার আমিনবাজারের বাবু আহমেদের মরদেহও দেশে আনা হয়েছে।
নিহতদের মরদেহ সংরক্ষণ, পরিবহন এবং সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়ায় পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়েছে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।
অন্যদিকে সাতক্ষীরার রেপতি সরকারের মরদেহ তাঁর পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী শুক্রবার রাতে কলকাতায় সৎকার করা হয়। এ ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন আর্থিকসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় নিহত সাত বাংলাদেশির পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করা হয়েছে।
সানা/ডিসি/আপ্র/২২/৮/২০২৬