গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

পাঁচ মাসে রেকর্ড বিদেশি ঋণ পরিশোধ সরকারের

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭:০৯ পিএম, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৮:১৪ এএম ২০২৬
পাঁচ মাসে রেকর্ড বিদেশি ঋণ পরিশোধ সরকারের
ছবি

ছবি সংগৃহীত

দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ মাসে রেকর্ড পরিমাণ বিদেশি ঋণ পরিশোধ করেছে সরকার। চলতি বছরের মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত সময়ে ঋণের আসল ও সুদ বাবদ মোট ২০৪ কোটি ৭৬ লাখ মার্কিন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ২৫ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পাঁচ মাসের হিসাবে বিদেশি ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। গত বছরের একই সময়ে পরিশোধ করা হয়েছিল ১৮৯ কোটি ৭১ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৩ হাজার ৩১০ কোটি টাকা।

সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাঁচ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধ বেড়েছে ১৫ কোটি ৪ লাখ ডলার বা প্রায় ১ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকা।

ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৪১ কোটি ডলার করে পরিশোধ করতে হয়েছে। এর মধ্যে ঋণের আসল বাবদ দেওয়া হয়েছে ১৩৫ কোটি ২৪ লাখ ডলার এবং সুদ বাবদ ৬৯ কোটি ৫২ লাখ ডলার।

গত কয়েক বছর ধরেই বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিদেশি ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ছিল ২৬৭ কোটি ডলার। পরের অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৩৭ কোটি ডলারে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পরিশোধ করা হয় ৪০৯ কোটি ডলার। আর ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা আরো বেড়ে ৪৪৯ কোটি ডলারে পৌঁছায়, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি।

ইআরডির কর্মকর্তারা জানান, গত দেড় দশকে নেওয়া বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের ঋণের ‘গ্রেস পিরিয়ড’ বা অবকাশকাল শেষ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে একই সঙ্গে আসল ও সুদ পরিশোধের চাপ তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আগের সরকারের নেওয়া অনেক ঋণের নীতিগত ও অর্থনৈতিক যুক্তি সঠিক ছিল না। ভঙ্গুর অর্থনীতি পাওয়ার পরও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে দেশের আর্থিক গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখতে বর্তমান সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিপুল এই দায় পরিশোধ করছে।

তিনি আরো বলেন, দেশি-বিদেশি যেকোনো ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার এখন অত্যন্ত সতর্ক কৌশল অনুসরণ করছে। প্রকল্পের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক রিটার্ন নিশ্চিত না হলে নতুন করে কোনো ঋণের দায় নেওয়া হবে না।

এসি/আপ্র/০৮/০৯/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

বকেয়া পাওনা আদায়ে এনবিআরের সামনে গ্রামীণফোন কর্মীরা
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বকেয়া পাওনা আদায়ে এনবিআরের সামনে গ্রামীণফোন কর্মীরা

বকেয়া পাওনা আদায়ের দাবিতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভবনের সামনে মানববন্ধন কর...

নিলামে পণ্য বিক্রি করে ৬০০ কোটি টাকা আয় কাস্টমসের
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিলামে পণ্য বিক্রি করে ৬০০ কোটি টাকা আয় কাস্টমসের

অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ বছরে পণ্...

দুই মাসে রপ্তানি আয় ছাড়ালো সাড়ে ৭ বিলিয়ন ডলার
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুই মাসে রপ্তানি আয় ছাড়ালো সাড়ে ৭ বিলিয়ন ডলার

জ্বালানি সংকট ও বিনিয়োগ খরার মধ্যেও রপ্তানি খাতে ইতিবাচক ধারা দেখা দিয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই...

বিশ্ববাজারে আবারো বাড়লো তেলের দাম
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশ্ববাজারে আবারো বাড়লো তেলের দাম

জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলা-...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত পেলেন বিরোধীদলীয় নেতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন প্রধান দুই দলের প্রধানদের এমন আচরণের ইতিবাচক প্রভাব দেশের রাজনীতিতে পড়বে ?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 16 ঘন্টা আগে