গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

বকেয়া পাওনা আদায়ে এনবিআরের সামনে গ্রামীণফোন কর্মীরা

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫:৫৫ পিএম, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ০৪:৪৩ এএম ২০২৬
বকেয়া পাওনা আদায়ে এনবিআরের সামনে গ্রামীণফোন কর্মীরা
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বকেয়া পাওনা আদায়ের দাবিতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভবনের সামনে মানববন্ধন করেছেন গ্রামীণফোনের সাবেক ও বর্তমান কর্মীরা। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ‘গ্রামীণফোন ৫ শতাংশ বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালে গ্রামীণফোনে কর্মরত কর্মীদের পাওনা বাবদ ৩৩ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা রয়েছে বলে দাবি করা হয়। একই সঙ্গে ওই সময়ের শ্রমিকদের অংশগ্রহণ তহবিল ও শ্রমিক কল্যাণ তহবিলসংক্রান্ত ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত পাওনা দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানান তারা।

১৬ বছর ধরে পাওনা ঝুলে থাকার অভিযোগ

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে সাবেক কর্মীদের ন্যায্য পাওনা অনিষ্পন্ন অবস্থায় রয়েছে। এই অর্থ পরিশোধ করা হলে কর্মীদের আর্থিক সুরক্ষার পাশাপাশি সরকারি কোষাগারে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা সম্ভাব্য রাজস্ব যুক্ত হতে পারে।

তাদের দাবি, বিষয়টি শুধু কর্মীদের ব্যক্তিগত পাওনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়; এর সঙ্গে সরকারি রাজস্ব, বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির বিষয়ও জড়িত। এনবিআর প্রয়োজনীয় প্রাক্কলন ও আইনি ব্যবস্থা নিলে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থপ্রবাহ বাড়তে পারে, যা দেশের সঞ্চয় ও বিনিয়োগে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

এনবিআরের কাছে পাঁচ প্রশ্ন

সংগঠনের আহ্বায়ক আবু সাদাত মো. শোয়েব জানান, গত ৩ আগস্ট এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে এ বিষয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো জবাব বা দৃশ্যমান অগ্রগতি পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, মানববন্ধন থেকে এনবিআরের কাছে কয়েকটি বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—৩ আগস্টের স্মারকলিপির পর এনবিআর কী পদক্ষেপ নিয়েছে, সম্ভাব্য সরকারি রাজস্ব নিয়ে কোনো পর্যালোচনা হয়েছে কি না, প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য রাজস্ব যাচাইয়ে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং শ্রম মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি, বাংলাদেশ ব্যাংক ও গ্রামীণফোনের সঙ্গে কোনো সমন্বয় সভা হয়েছে কি না।

এ ছাড়া দীর্ঘদিন বিষয়টি অনিষ্পন্ন থাকায় সরকার কোনো রাজস্ব হারাচ্ছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়েছে।

মানববন্ধন থেকে বলা হয়, দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে ঝুলে থাকা পাওনা আদায়ে এনবিআরের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর ভূমিকা না দেখা গেলে ভবিষ্যতে আরো কঠোর, তবে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে।

এসি/আপ্র/০৮/০৯/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

সরকারি ঋণে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে, বাংলাদেশের ঋণচিত্র কেমন
২৪ অক্টোবর ২০২৬

সরকারি ঋণে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে, বাংলাদেশের ঋণচিত্র কেমন

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সরকারি ঋণ যুক্তরাষ্ট্রের। ঋণের মোট পরিমাণের পাশাপাশি অর্থনীতির আকারের তুলনায় ঋণে...

পাইকারি-খুচরার দামের ফারাকে ভোক্তার পকেট কাটছে কারা?
২৩ অক্টোবর ২০২৬

পাইকারি-খুচরার দামের ফারাকে ভোক্তার পকেট কাটছে কারা?

রাজধানীর পাইকারি বাজারে যে দামে পণ্য বিক্রি হচ্ছে, স্থানীয় খুচরা বাজারে তা কিনতে গিয়ে ক্রেতাদের গুনত...

সাইবার হামলার শঙ্কায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ
২২ অক্টোবর ২০২৬

সাইবার হামলার শঙ্কায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ

জরুরি সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকি এড়াতে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট। পিএইচপি প্র...

সব খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন-লাইসেন্স বাধ্যতামূলক, ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর
২১ অক্টোবর ২০২৬

সব খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন-লাইসেন্স বাধ্যতামূলক, ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং খাদ্য ব্যবসায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশের নির্...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই