হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে ফ্লাইট অবতরণের ১৫ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে যাত্রীদের লাগেজ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লাগেজ সরবরাহে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্টদের জরিমানা করতে পারবে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে তৃতীয় টার্মিনাল ভবন পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।
মন্ত্রী বলেন, তৃতীয় টার্মিনালে যাত্রীদের ব্যাগেজ ফ্লাইট অবতরণের ১৫ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে হ্যান্ডেল করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লাগেজ সরবরাহ না হলে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জরিমানা করতে পারবে। বিষয়টি ইতোমধ্যে জাপানি কনসোর্টিয়াম ও সুমিতমোকে জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত উদ্বোধনের লক্ষ্যেই পরিদর্শনে এসেছেন তারা। আগের সরকার টার্মিনাল ভবন উদ্বোধন করলেও এর ভেতরের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়নি।
মন্ত্রী আরো বলেন, তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) কাছ থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের আয় থেকে সেই ঋণের কিস্তি পরিশোধ শুরু হয়েছে। তবে টার্মিনাল থেকে এখনো কোনো আয় হচ্ছে না। তাই দ্রুত উদ্বোধন করে সীমিত পরিসরে কার্যক্রম শুরু করতে চায় সরকার।
তিনি বলেন, টার্মিনাল চালুর আগে স্ক্যানারসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সমাধান করতে হবে। স্ক্যানার পরিচালনা করবে কাস্টমস এবং ইমিগ্রেশন নিয়ন্ত্রণ করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা সম্পন্ন করে ডিসেম্বরের মধ্যে টার্মিনাল উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর ধাপে ধাপে পাঁচ থেকে ছয় মাসের মধ্যে পুরো কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, জাপানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা মঙ্গলবার থেকেই শুরু হবে। তাদের ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী করে দেওয়ার সময়সীমা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে কাজের যে গতি রয়েছে, তাতে আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনালকে পুরোপুরি প্রস্তুত ও উদ্বোধন করা সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন।
এসি/আপ্র/০৮/০৯/২০২৬