গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূমি আইন উপেক্ষা করে জমি রেজিস্ট্রির অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও

জেলা প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও

প্রকাশিত: ২১:৫২ পিএম, ২৮ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২০:০২ এএম ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ে ভূমি আইন উপেক্ষা করে জমি রেজিস্ট্রির অভিযোগ
ছবি

প্রতীকী ছবি

বিশাল রহমান: ভূমি আইন ও সরকারি বিধিমালা উপেক্ষা করে ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া থানাধীন রাজাগাঁও ইউনিয়নের খড়িবাড়ী গ্রামে জমি রেজিস্ট্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে অসন্তোষ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, খড়িবাড়ী গ্রামের মহাদেব চন্দ্র পূর্বের মূল জোতদার আবুল কাসেমের দ্বিতীয় সন্তান মোতাহার হোসেনের কাছ থেকে আইনগত বাধা থাকা সত্ত্বেও একটি জমি রেজিস্ট্রি করে নিয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি বিধান ও ভূমি আইনের তোয়াক্কা না করেই গোপনে এ দলিল সম্পাদন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খড়িবাড়ী মৌজার (জে এল নম্বর ৪৮) ২২৩৩ ও ৩৪৭৮ নম্বর দাগের জমি ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশ ১৯৮৪-এর আওতায় পি ও ৯৬/৭২ মামলার মাধ্যমে সরকার বরাবর বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নালিশি জমি বর্তমানে আল আমীন সরকার আপিলে ভোগদখলীয় অবস্থায় রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট খতিয়ানের সম্পত্তির বৈধ মালিকানা ও হস্তান্তরের ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা থাকা সত্ত্বেও বিষয়টি গোপন রেখে দলিল সম্পন্ন করা হয়েছে। ভূমি সংস্কার আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট সীমার অতিরিক্ত জমি মালিকানা, অর্পিত বা খাস প্রকৃতির জমি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে যে বিধিনিষেধ রয়েছে, তা এ ক্ষেত্রে মানা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে আরো বলা হয়, মূল জোতদার আবুল কাসেমের পরিবার আইনগতভাবে ওই জমির পূর্ণ মালিকানা বা হস্তান্তরের একচ্ছত্র অধিকার না থাকা সত্ত্বেও তাঁর দ্বিতীয় ছেলে মোতাহার হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশ করে মহাদেব চন্দ্র এ দলিল সম্পাদন করেছেন।

নথিপত্র পর্যালোচনার দাবি করে অভিযোগকারীরা জানান, খড়িবাড়ী মৌজার ২২৩৫, ২২৩৬, ২২৩১, ২২৩৪ ও ২২৩৭ নম্বর দাগের জমি নিয়েও আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এসব বিষয়ে আল আমীন সরকার পৈতৃক সূত্রে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন বলেও জানানো হয়েছে।

এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের দাবি, বিষয়টি দ্রুত সরেজমিন তদন্ত করে অবৈধ দলিলের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে সরকারি সম্পত্তি বেহাত হওয়ার পাশাপাশি এলাকায় দীর্ঘমেয়াদি ভূমি বিরোধ ও জটিলতা তৈরি হতে পারে।

অভিযোগের বিষয়ে দলিল গ্রহীতা মহাদেব চন্দ্রের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়রা অবিলম্বে অভিযোগের তদন্ত, দলিলের বৈধতা যাচাই এবং আইনবহির্ভূত প্রমাণিত হলে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।”
সানা/আপ্র/২৮/৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

জ্বালানি সংকটের কথা বললেই স্বৈরাচার ফেরার হুমকি: শফিকুর রহমান
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি সংকটের কথা বললেই স্বৈরাচার ফেরার হুমকি: শফিকুর রহমান

জ্বালানি সংকট নিয়ে কথা বললেই সরকার স্বৈরাচার ফিরে আসবে বলে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন...

গোবিন্দগঞ্জে জমির বিরোধ পুনঃতদন্ত ও তহসিলদারের অপসারণ দাবি
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গোবিন্দগঞ্জে জমির বিরোধ পুনঃতদন্ত ও তহসিলদারের অপসারণ দাবি

এ টি এম সাজ্জাদ হোসেন সাবু, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা): গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে থা...

কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

মোজাম্মেল হক নয়ন, নীলফামারী: দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বো...

ঘোড়াঘাটের ভেতরে পলাশবাড়ীর সীমানা ফলক নিয়ে উত্তেজনা
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঘোড়াঘাটের ভেতরে পলাশবাড়ীর সীমানা ফলক নিয়ে উত্তেজনা

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার প্রচলিত সীমানার প্রায় ৫০০ মিটার ভেতরে গাইবা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই কর পরিশোধের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৩ অর্থবছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই রায় সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে