গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

ছায়াপথ কেন্দ্রে মিলল প্রাচীন মহাজাগতিক জীবাশ্ম

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:০০ পিএম, ১৯ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২২:৫১ এএম ২০২৬
ছায়াপথ কেন্দ্রে মিলল প্রাচীন মহাজাগতিক জীবাশ্ম
ছবি

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের সহায়তায় মিল্কি ওয়ে ছায়াপথের কেন্দ্রস্থলে থাকা ‘তেরজান ৫’ নামের রহস্যময় অঞ্চলে এ তথ্য উদঘাটিত হয়েছে -ছবি নাসা

ছায়াপথের কেন্দ্রে এবার ধরা পড়েছে এক বিস্ময়কর মহাজাগতিক কাঠামোর অস্তিত্ব, যাকে বিজ্ঞানীরা বলছেন ‘মহাজাগতিক জীবাশ্ম’। সাধারণ তারাপুঞ্জে যেখানে একই সময়ে জন্ম নেওয়া তারা থাকে, সেখানে এই অঞ্চলে অন্তত চারটি ভিন্ন যুগে তারার জন্মের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের সহায়তায় মিল্কি ওয়ে ছায়াপথের কেন্দ্রস্থলে থাকা ‘তেরজান ৫’ নামের রহস্যময় অঞ্চলে এ তথ্য উদঘাটিত হয়েছে। প্রচণ্ড ঘন ধূলিকণা ও ভিড়ের কারণে এতদিন এই অঞ্চল পর্যবেক্ষণ করা কঠিন ছিল। হাবল স্পেস টেলিস্কোপের পুরোনো তথ্যের সঙ্গে নতুন পর্যবেক্ষণ মিলিয়ে গবেষকেরা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছান।

গবেষকদের মতে, ‘তেরজান ৫’ কোনো সাধারণ গোলাকার তারাপুঞ্জ নয়, বরং এটি ছায়াপথ কেন্দ্রের আদিম কাঠামোর একটি জীবন্ত নিদর্শন। এখানে তারাদের জন্ম হয়েছে চারটি পৃথক পর্যায়ে—প্রথমটি প্রায় ১২৫০ কোটি বছর আগে, দ্বিতীয়টি ৪৭০ কোটি বছর আগে, তৃতীয়টি ৩৮০ কোটি বছর আগে এবং সর্বশেষটি ২৫০ কোটি বছর আগে।

গবেষণার প্রধান গবেষক ও ইউনিভার্সিটি অব বোলোনিয়ার অধ্যাপক ফ্রান্সেসকো আর ফেরারো বলেন, ‘অজানা কোনো কারণে এই তারাগুচ্ছ ছায়াপথের কেন্দ্র গঠনের মূল প্রক্রিয়া থেকে আলাদা থেকে যায়। পরবর্তীতে এটি ধ্বংস না হয়ে টিকে থাকে, যা একে অত্যন্ত বিরল করে তুলেছে।’ তিনি বলেন, “তেরজান ৫ আসলে ছায়াপথ কেন্দ্রের প্রাচীন এক জীবাশ্মের মতো, যা আমাদের ছায়াপথের আদিম গঠনপ্রক্রিয়ার সাক্ষ্য বহন করছে।’

সহ-গবেষক ও ইউনিভার্সিটি অব বোলোনিয়ার সহযোগী অধ্যাপক বারবারা লানজোনি বলেন, আদি মহাবিশ্বে গ্যাসীয় বড় বড় চাকতি বা ডিস্ক ছিল, যেগুলো পরে ভেঙে ছোট ছোট অংশে পরিণত হয়। এসব অংশে তারার জন্ম হয় এবং ধীরে ধীরে সেগুলো ছায়াপথের কেন্দ্রে একত্রিত হয়ে বর্তমান কাঠামো গঠন করে। 
গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স-এ।

সানা/কেএমএএ/আপ্র/১৯/৬/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

এআইয়ের পরিণতি ঠেকাতে কেউ প্রস্তুত নয়
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এআইয়ের পরিণতি ঠেকাতে কেউ প্রস্তুত নয়

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতির সুদূরপ্রসারী পরিণতি মোকাবিলায় বিশ্ব এখনো প্রস্তুত নয় বলে সতর্ক ক...

এআই এজেন্টের স্বায়ত্তশাসন নিয়ে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এআই এজেন্টের স্বায়ত্তশাসন নিয়ে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন প্রতিনিধি বা এআই এজেন্ট ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে। এসব এজেন্ট নিজে পরিকল্পনা করতে...

স্মার্টফোন থেকে খুলে নেওয়া যাবে ক্যামেরা, নতুন চমক
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্মার্টফোন থেকে খুলে নেওয়া যাবে ক্যামেরা, নতুন চমক

একঘেয়ে কালো ও আয়তাকার স্মার্টফোনের প্রচলিত নকশা থেকে বেরিয়ে এবার ভিন্নধর্মী একটি ডিভাইস নিয়ে এসেছে ফ...

ম্যাকবুক নিও’র প্রতিদ্বন্দ্বী ল্যাপটপ আনছে লেনোভো
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ম্যাকবুক নিও’র প্রতিদ্বন্দ্বী ল্যাপটপ আনছে লেনোভো

ম্যাকবুক নিও ও ডেল এক্সপিএস ১৩-এর মতো জনপ্রিয় বিভিন্ন ল্যাপটপকে টক্কর দিতে কেবল ৭০০ ডলারে বাজারে আসছ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই কর পরিশোধের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৩ অর্থবছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই রায় সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 14 মিনিট আগে