বছরের শেষ দিকে ৩৮ বছরে পা দেবেন ভিরাট কোহলি। তবে মাঠের পারফরম্যান্সে বয়সের কোনো ছাপ নেই ভারতীয় এই তারকা ব্যাটসম্যানের। বরং সাম্প্রতিক আসরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে দারুণ পারফরম্যান্স করে যাচ্ছেন তিনি।
তাই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর প্রধান নির্বাহী রাজেশ মেনন মনে করেন, কোহলির সামনে আরও অন্তত তিন থেকে চার বছর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলার সুযোগ রয়েছে।
আইপিএলের শুরু থেকেই বেঙ্গালুরুর জার্সিতে খেলছেন কোহলি। দীর্ঘ সময় দলটির নেতৃত্বও দিয়েছেন তিনি। ১৭ বছরের অপেক্ষা শেষে ২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো শিরোপা জেতে বেঙ্গালুরু।
পরের বছরও শিরোপা ধরে রাখার কৃতিত্ব দেখায় দলটি। দুই মৌসুমেই ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন কোহলি। গত চারটি আইপিএল আসরে ধারাবাহিকভাবে রান করেছেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
২০২৩ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত প্রতিটি মৌসুমেই তার সংগ্রহ ছয়শর বেশি রান। সর্বশেষ দুই আসরে তিনি করেন যথাক্রমে ৬৫৭ ও ৬৭৫ রান।
সবশেষ মৌসুমে টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কারও জেতেন তিনি। গত মাসে বেঙ্গালুরুর মালিকানা পরিবর্তনের ঘোষণা এলেও এতে কোহলির সঙ্গে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সম্পর্কের কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মনে করেন রাজেশ মেনন।
সিএনবিসি টিভি আঠারোর সঙ্গে এক আলোচনায় তিনি বলেন, কোহলির মধ্যে এখনও দীর্ঘ সময় খেলার মতো শক্তি ও মানসিকতা রয়েছে। রাজেশ বলেন, ‘আরসিবি এবং ভিরাট একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।
শুরু থেকেই তিনি এই দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পরও তিনি আরসিবির সঙ্গে যুক্ত থাকবেন না—এমনটা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। বিষয়টি অবশ্যই আমাদের বিবেচনায় থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী তিন থেকে চার বছর তিনি নিশ্চয়ই খেলা চালিয়ে যাবেন। অন্তত চার বছর তো বটেই। তিনি পুরোপুরি ফিট এবং তার জয়ের ক্ষুধা এখনও অটুট।
সর্বশেষ আইপিএল মৌসুমেও তার প্রাণশক্তি, রান করার সামর্থ্য এবং আগ্রাসী মানসিকতা ছিল অসাধারণ। তাই আগামী কয়েক বছর খেলা চালিয়ে যেতে তার কোনো সমস্যা হবে বলে মনে হয় না।’
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল আইপিএলের সর্বশেষ মেগা নিলাম। বর্তমান নিলামচক্রের আর মাত্র এক মৌসুম বাকি রয়েছে। ২০২৮ সালের আসরের আগে আবারও দলগুলোর স্কোয়াডে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।
ডিসি/আপ্র/২০/৬/২০২৬