গত ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবির পরিচালনা পরিষদের নির্বাচন ঘিরে নানা অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগ তদন্তে গত মাসে একটি কমিটি গঠন করা হয়। তাদের জন্য ১৫ কার্যদিবস সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল।
নির্ধারিত সময়ের আগেই আজ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) পরিচালক (ক্রীড়া) মোহাম্মদ আমিনুল এহসানের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। এ সময় এনএসসি চেয়ারম্যান ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত না থাকায় তার হাতেই রিপোর্ট হস্তান্তর করা হয়।
এবার সেই প্রতিবেদন সম্পর্কে আইসিসিকে অবহিত করার পর বিসিবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। রবিবার বিকেলে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই কথা বলেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
তিনি বলেন, ‘তদন্ত কমিটি এসে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়ে গেছে। তারা এটি দেওয়ার পর আমরা তাৎক্ষণিকভাবে এখানে আন্তঃমন্ত্রণালয় মিটিং ডেকেছি আমি। সেই মিটিংয়ে আলাপ-আলোচনা করেছি আমরা। আইসিসিকে তদন্ত রিপোর্টটি অবগত করার পর আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব ইনশাআল্লাহ।’
আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই এ নিয়ে সাতজন পরিচালক সরে দাঁড়ালেন। ২৪ জানুয়ারি গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ইশতিয়াক সাদেক ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এরপর একে একে আমজাদ হোসেন, ফাইয়াজুর রহমান, শানিয়ান তানিম, মেহরাব আলম চৌধুরী ও মঞ্জুর আলম পদত্যাগ করেন।
একের পর এক পরিচালকের পদত্যাগের ঘটনায় সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের দাবি এই সাত পরিচালক পদত্যাগ করেছেন লোভে পড়ে। আসিফ নিজের ফেসবুক পোষ্টে লিখেন, ‘ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বোর্ড ডিরেক্টরদের পরের বোর্ডে ডিরেক্টর পদের লোভ, লোভে রাজি না হলে ভয় দেখিয়ে পদত্যাগ করাচ্ছেন।’
আসিফের এমন বক্তব্যের ভার জনগণের উপর ছেড়ে দিয়েছেন, ‘আমি কিছু জানি না। ফেসবুকে মানুষ সত্য-মিথ্যা দুটাই বলে। তিনি সত্য বলেছেন নাকি মিথ্যা—তা আপনাদের ওপরই ছেড়ে দিলাম।’
ডিসি/আপ্র/০৫/০৪/২০২৬