গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

সান মারিনোর বিপক্ষে জয় ছিনিয়ে আনতে চায় বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক

ক্রীড়া ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৪৬ পিএম, ০৪ জুন ২০২৬ | আপডেট: ০১:২৮ এএম ২০২৬
সান মারিনোর বিপক্ষে জয় ছিনিয়ে আনতে চায় বাংলাদেশ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ইউরোপের মাটিতে স্বাগতিক কোনও দেশের বিপক্ষে প্রথমবার খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশ। সেই দলটা র‌্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকা সান মারিনো। তাদের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ খেলতে চান হামজা চৌধুরীরা। শুক্রবার রাত ১১টায় ম্যাচটি দেখাবে টি স্পোর্টস।

ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে তলানির দল সান মারিনো (২১১)। এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১। তবে র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভুগতে চায় না বাংলাদেশ। 
গোলকিপার সুজন হোসেন যেমন বাস্তবতা তুলে ধরে বলেছেন, ‘ইউরোপে আসছি এবং ইউরোপের একটা টিমের সঙ্গে খেলবো। যেটা ইতিহাসে প্রথমবার এবং আমরা জানি, সান মারিনোর র‍্যাঙ্কিং নিচের দিকে।

কিন্তু ইউরোপিয়ান দল হিসেবে যদি ধরি, নিয়মিত ওরা কাদের সঙ্গে খেলে এটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই অবশ্যই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ হবে। এবং এখানে র‍্যাঙ্কিং কোনও ব্যাপারই না।’


এই ম্যাচের মাধ্যমে বাংলাদেশে নতুন কোচ থমাস ডুলি-অধ্যায় শুরু হচ্ছে। এই ম্যাচকে সামনে রেখে আগে বেশ কিছু সেশন হয়েছে।

তার দর্শন এবং টেকনিক্যাল, টেকটিক্যাল দিকগুলোর সঙ্গে খেলোয়াড়রা মানিয়ে নিয়েছেন বলে জানান সহকারী কোচ হাসান আল মামুন। বাফুফের পাঠানো অডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘থমাসের (ডুলি) অধীনে আমরা ঢাকা থেকে অনুশীলন শুরু করি।

অনেকগুলো সেশন হয়ে গেছে। তার যে আইডিয়া, গেম প্ল্যান, এবং একটা কোচ থেকে আরেকটা কোচের অধীনে যাওয়ার বিষয়টি আমাদের খেলোয়াড়রা মানিয়ে নিয়েছে। সে (ডুলি) সিম্পল ফুটবল এবং বল পজিশন রাখতে পছন্দ করে।

তাছাড়া নিখুঁত এবং একসঙ্গে প্রেসিংয়ের ওপর জোর দিচ্ছেন।’


দেশের বাইরে খেলতে গেলে বরাবরই প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমর্থন পায় বাংলাদেশ দল। এবারই প্রথম সান মারিনোতে ম্যাচ। সান মারিনো ইতালি ভূখণ্ডের মধ্যে আলাদা একটি রাষ্ট্র। রোম থেকে সেখানে বাসযোগে যাওয়া যায় ৪-৫ ঘণ্টায়। আর ইতালিতে প্রচুর প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছেন। সান মারিনোর সেরাভালে স্টেডিয়ামে  ম্যাচটি গড়াবে বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায়। 

এই ম্যাচের জন্য টিকিট আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। জানা গেছে, ৫-৭ হাজার ধারণক্ষমতার এই মাঠের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ টিকিটই কিনেছেন বাংলাদেশের সমর্থকেরা। 

তাই অনেক বেশি বাংলাদেশি সমর্থক মাঠে আসবে বলে বিশ্বাস বাংলাদেশ ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষের। বসুন্ধরা কিংসে খেলা এই তারকা বলেছেন, ‘চাইবো আমাদের সাপোর্টাররা বেশি আসুক। তাহলে এখানেই নিজের হোম মনে করে আমরা মাঠে নামবো। আর ইনশাআল্লাহ ভালো খেলে জয় ছিনিয়ে আনবো।’

ডিসি/আপ্র/০৪/০৬/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস পুরস্কার নিতে স্পেনে মেসি, ভক্তদের উচ্ছ্বাস
২৩ অক্টোবর ২০২৬

প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস পুরস্কার নিতে স্পেনে মেসি, ভক্তদের উচ্ছ্বাস

স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস পুরস্কার গ্রহণ করতে দেশটির ওবিয়েদো শহরে পৌঁছেছেন আর্জে...

৪২৯ রান টপকে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শ্রীলঙ্কার অবিশ্বাস্য ইতিহাস
২৩ অক্টোবর ২০২৬

৪২৯ রান টপকে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শ্রীলঙ্কার অবিশ্বাস্য ইতিহাস

ব্যাটিংয়ের স্বর্গে রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়েও শেষ রক্ষা হলো না ইংল্যান্ডের। অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকের রেকর...

অভিষেকেই প্রশ্নবিদ্ধ আলিসের বোলিং অ্যাকশন
২২ অক্টোবর ২০২৬

অভিষেকেই প্রশ্নবিদ্ধ আলিসের বোলিং অ্যাকশন

রহস্যের বার্তা নিয়ে জাতীয় দলে এসে প্রথম ম্যাচেই বড় ধাক্কা খেলেন আলিস আল ইসলাম।ওয়ানডে অভিষেকে খরুচে ব...

দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়ে ব্রুকের বিধ্বংসী ২০২
২২ অক্টোবর ২০২৬

দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়ে ব্রুকের বিধ্বংসী ২০২

শেষ ওভারে জানিথ লিয়ানাগের লো ফুল টস স্কুপ করে ফাইন লেগ দিয়ে বাউন্ডারিতে পাঠালেন হ্যারি ব্রুক।১৯৬ থেক...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দল বিশৃঙ্খলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: প্রধানমন্ত্রী

দেশের বিভিন্ন স্থানে ও কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টির পেছনে পলাতক স্বৈরাচার ও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বিষয়ে তাঁর কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে দাবি করে তিনি বলেছেন, এক পক্ষ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করছে, অন্য পক্ষ দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে