গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

ব্যর্থতায় শিশুমৃত্যু, দায় কার!

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:২৩ পিএম, ২১ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ২১:০৯ এএম ২০২৬
ব্যর্থতায় শিশুমৃত্যু, দায় কার!
ছবি

ছবি সংগৃহীত

দীপু মাহমুদ

হামে শিশু মারা যাচ্ছে। ডেঙ্গুতে মারা যাচ্ছে। প্রতিদিন পানিতে ডুবে প্রাণ হারাচ্ছে অসংখ্য শিশু। মৃত্যুর কারণ আলাদা, কিন্তু প্রশ্ন একটাই-প্রতিরোধযোগ্য সংকটে মৃত্যু থেকে শিশুকে বাঁচানো যাচ্ছে না কেন? এই প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর দায় কি কেউ নেবে, নাকি প্রত্যেকটি মৃত্যুর পর শোক প্রকাশ করে পরবর্তী মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করবে রাষ্ট্র? শিশুর বেঁচে থাকার অধিকার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। অথচ সেই অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব যাদের, তাদের ব্যবস্থাপনার ঘাটতি, সিদ্ধান্তে বিলম্ব কিংবা নিষ্ক্রিয়তার মূল্য দিচ্ছে শিশুরা নিজেদের জীবন দিয়ে। এই মৃত্যুকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখলে মূল সমস্যা আড়ালে পড়ে যাবে। দেখতে হবে, কোথায় প্রতিরোধব্যবস্থা ব্যর্থ হচ্ছে, সেই ব্যর্থতা কেন ঘটছে এবং দায়িত্বপ্রাপ্তদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা হচ্ছে কিনা।

নীতিগত অবহেলা ও শিশুদের অগ্রাধিকারহীনতা: রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে শিশুরা সর্বদা অগ্রাধিকার তালিকার নিচে থাকে। শিশুরা ভোট দেয় না। তারা সম্পত্তির মালিক নয়, তাদের রাজনৈতিক প্রভাব নেই, নিজেদের অধিকার আদায়ে সংগঠিত চাপ তৈরির ক্ষমতাও নেই। তাতেই রাষ্ট্রের কাছে তাদের জীবনের মূল্য কম হয়ে গেছে। জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদের ৬ অনুচ্ছেদে প্রত্যেক শিশুর জীবনধারণের সহজাত অধিকার এবং তার বেঁচে থাকা ও বিকাশ নিশ্চিত করার দায়িত্বের কথা বলা হয়েছে। ২৪ অনুচ্ছেদে সর্বোচ্চ অর্জনযোগ্য স্বাস্থ্যমান ও চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অধিকার স্বীকৃত। বাংলাদেশ এই সনদের পক্ষভুক্ত রাষ্ট্র। শিশুর জীবন রক্ষা কোনো অনুগ্রহ নয়, এটা মৌলিক অধিকার। অথচ নীতিনির্ধারকদের উদাসীনতা ও অবহেলার কারণে শিশুরা বারবার মৃত্যুর মুখে পড়ছে।

হামের প্রাদুর্ভাব ও টিকাদান ব্যবস্থার ব্যর্থতা: ২০২৬ সালে হামের প্রাদুর্ভাব বাংলাদেশের টিকাদান ব্যবস্থার গুরুতর দুর্বলতা প্রকাশ করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডঐঙ) ২৩ এপ্রিলের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে ১৯ হাজার ১৬১টি সন্দেহভাজন সংক্রমণ এবং ১৬৬টি সন্দেহভাজন হাম-সম্পর্কিত মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হাম-সম্পর্কিত মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৩০। আক্রান্তদের ৭৯ শতাংশের বয়স পাঁচ বছরের নিচে। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮টিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল। পরিস্থিতি পরবর্তী সময়েও একইরকম ভয়াবহ থেকেছে। প্রথম আলোর ১৫ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ বছর হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ১৭৭-তে পৌঁছেছে। হাম প্রতিরোধের কার্যকর টিকা আছে। নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিও আছে। তারপরও এত শিশু টিকা থেকে বঞ্চিত হলো কীভাবে? অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিন বছরে প্রয়োজন ছিল ৩ কোটি ৮৭ লাখ ডোজ হাম-রুবেলার টিকা। কেনা হয়েছিল মাত্র ২ কোটি ২৪ লাখ ৯০ হাজার ডোজ। অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় ৪২ শতাংশ কম টিকা কেনা হয়েছিল।

যৌথ স্বাধীন মূল্যায়নে আরও উঠে এসেছে, নিয়মিত টিকাদানে প্রতি বছর প্রায় ২০ শতাংশ শিশু বাদ পড়ে যাচ্ছে। এই তথ্যগুলো শুধু টিকার ঘাটতির হিসাব নয়, এগুলো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও দায়িত্ব পালনের প্রশ্ন সামনে এনেছে। টিকার প্রয়োজন জানা থাকার পরও পর্যাপ্ত টিকা কেনা হয়নি। সরবরাহে ঘাটতির আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। নিয়মিত টিকাদানের বাইরে থাকা শিশুদের শনাক্ত করে তাদের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা কার্যকর ছিল না। ডঐঙ, টঘওঈঊঋ, এধার ও বাংলাদেশের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ঊচও) অংশগ্রহণে পরিচালিত যৌথ স্বাধীন মূল্যায়নেও টিকার ঘাটতি, ২০২৫ সালে মজুত ফুরিয়ে যাওয়া, বিশেষ টিকাদান কর্মসূচিতে বিলম্ব, জনবল সংকট এবং প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় অপর্যাপ্ত পদক্ষেপের কথা উঠে এসেছে।

ডেঙ্গুর সংকট ও স্পষ্ট প্রশাসনিক ব্যর্থতা: ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে প্রতিটি মৃত্যুর পেছনে সরাসরি প্রশাসনিক অবহেলা ও দায় আছে। ২০২৩ সালে দেশে ডেঙ্গুতে ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ২০২৪ সালে ৫৭৫ জন, ২০২৫ সালে ৪১৩ জন। ২০২৬ সালের ১৪ অক্টোবর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ড্যাশবোর্ডে এ বছরের মৃত্যু ৩২১ এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫ হাজার ৩১৬ দেখানো হয়েছে। বছরের পর বছর ডেঙ্গুর বিস্তার ও মৃত্যু প্রমাণ করে, শুধু সংক্রমণ বেড়ে গেলে মশা নিধনের অভিযান চালিয়ে সমস্যার সমাধান হয় না। মশার প্রজননস্থল নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত নজরদারি, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং হাসপাতালের প্রস্তুতি- সবকিছুর ধারাবাহিকতা দরকার। ২০২৬ সালের ১ জুলাই রয়টার্সের প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা মশার প্রজননস্থল নিয়ন্ত্রণে ঘাটতি এবং দেশব্যাপী আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। ডেঙ্গুতে এত শিশুর মৃত্যুর জন্য স্পষ্টতই কর্তব্যে অবহেলা আছে। একে শুধু রোগের ধরন বা মৌসুমি দুর্যোগ বলে দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চরম ব্যর্থতার কারণে ডেঙ্গু আজ শিশুদের জন্য মরণব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। কোন এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, তার ফল কী এবং কোথায় ঘাটতি ছিল-তার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু: প্রতিরোধযোগ্য ট্র্যাজেডি: পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর সমস্যাটিও অত্যন্ত উদ্বেগজনক, যার মূল কারণ অভিভাবকদের সচেতনতার অভাব এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে পর্যাপ্ত সুরক্ষাব্যবস্থার ঘাটতি। বাংলাদেশ স্বাস্থ্য ও আঘাত জরিপ ২০২৩-এ দেশে পানিতে ডুবে ১৮ হাজার ২৬৮ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১ থেকে ৪ বছর বয়সী শিশুরা ছিল সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে: মোট মৃত্যুর ৫৩ শতাংশ এই বয়সী শিশুদের। পানিতে ডুবে মৃত্যুর ৭৬ শতাংশ ঘটনা ঘটেছে পুকুরে। ডঐঙ ও টঘওঈঊঋ ২০২৬ সালে জানিয়েছে, বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৪ হাজারের বেশি শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়। তাদের সুপারিশে আছে ছোট শিশুদের জন্য দিবাযত্নকেন্দ্র, পরিবারের ও কমিউনিটির সচেতনতা, নিরাপদ পরিবেশ এবং শিশু-কিশোরদের সাঁতার ও পানিতে টিকে থাকার দক্ষতা নিশ্চিত করা।  বাড়ির পাশের পুকুর ও জলাশয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য তত্ত্বাবধান ও দিবাযত্নকেন্দ্র এবং সাঁতার শেখার মতো জীবনরক্ষাকারী উদ্যোগগুলো জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাস্তবায়ন না করায় প্রতিনিয়ত শিশুরা প্রাণ হারাচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় দায় ও জবাবদিহি: হাম, ডেঙ্গু ও পানিতে ডুবে মৃত্যুর ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সরাসরি দায়িত্ব আছে ঝুঁকি চিহ্নিত করা, কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং ব্যবস্থা ব্যর্থ হলে তার কারণ অনুসন্ধান করা। এই দায়িত্বের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার, টিকাদান কর্মসূচি ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানের কাজের মূল্যায়ন করতে হবে।

কোনো শিশুর মৃত্যু ঘটলে তার পরিবারকে শুধু শোক বহন করতে হবে আর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো জবাবদিহির বাইরে থাকবে, তা গ্রহণযোগ্য নয়। শিশুর জীবন রক্ষা কোনো অনুগ্রহ নয়, অধিকার। আর অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নয়; টিকাদানের সরবরাহ ব্যবস্থা, নগর ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় পর্যায়ে রোগ প্রতিরোধ, নিরাপদ পরিবেশ, শিশুযত্ন ও জনস্বাস্থ্য- এসবের সঙ্গে একাধিক প্রতিষ্ঠান যুক্ত। দায়িত্ব অনেকের মধ্যে ভাগ করা থাকতে পারে। কিন্তু ওই ভাগাভাগি যেন দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ না হয়।

সমাধানের জন্য প্রথমেই দরকার প্রতিরোধযোগ্য শিশুমৃত্যুর তথ্য প্রকাশ ও পর্যালোচনার কার্যকর ব্যবস্থা। হামের ক্ষেত্রে টিকা কেনা থেকে প্রয়োগ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা এবং বাদ পড়া শিশুদের শনাক্ত করার ব্যবস্থা করতে হবে। ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ে মশা নিয়ন্ত্রণ ও হাসপাতালের প্রস্তুতির ফল নিয়মিত প্রকাশ করতে হবে। পানিতে ডুবে মৃত্যুর ক্ষেত্রে জাতীয় কৌশল বাস্তবায়নের অগ্রগতি, অর্থ বরাদ্দ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার সুরক্ষা ব্যবস্থার হিসাব প্রকাশ করা দরকার। প্রতিটি ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান, নির্দিষ্ট সময়সীমা, পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য এবং ব্যর্থতা সংশোধনের পরিকল্পনা থাকতে হবে। এর সঙ্গে প্রয়োজন স্বাধীন তদন্ত ও জবাবদিহির ব্যবস্থা। বড় ধরনের প্রতিরোধযোগ্য শিশুমৃত্যুর ঘটনায় কী ঘটেছে, আগে থেকে ঝুঁকির তথ্য ছিল কি না, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কী পদক্ষেপ নিয়েছিল এবং কোন পর্যায়ে ব্যর্থতা ঘটেছে- তা অনুসন্ধান করে ফল জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। প্রমাণিত অবহেলা থাকলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

সব মৃত্যুই প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুকে অনিবার্য বলে মেনে নেওয়া যায় না। রাষ্ট্রের সাফল্য শুধু উন্নয়ন প্রকল্প, বাজেট কিংবা প্রবৃদ্ধির হিসাবে মাপা যায় না; ঝুঁকিতে থাকা একজন শিশুর জীবন রক্ষায় তার প্রতিষ্ঠান কতটা কার্যকর, সেটাই সবচেয়ে বড় মাপকাঠি। শিশুরা ভোট দেয় না বলে তাদের জীবন রাষ্ট্রের কাছে কম মূল্যবান হতে পারে না। তারা নিজেদের হয়ে জবাবদিহি চাইতে পারে না বলেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব আরও বেশি। হাজারও শিশুর মৃত্যু যদি কেবল পরিসংখ্যান হয়ে থাকে, তবে ব্যর্থতা শুধু স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা ব্যবস্থার নয়—ব্যর্থতা রাষ্ট্রের জবাবদিহিরও।

লেখক : কথাসাহিত্যিক ও উন্নয়নকর্মী
(মতামত লেখকের সম্পূর্ণ নিজস্ব)

কেএমএএ/আপ্র/২১.১০.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

মণ্ডপ থেকে মনন- শারদীয় উৎসবের সামাজিক দর্শন ও যোগাযোগের নির্মাণ
২১ অক্টোবর ২০২৬

মণ্ডপ থেকে মনন- শারদীয় উৎসবের সামাজিক দর্শন ও যোগাযোগের নির্মাণ

রাজীব নন্দীশরতের আকাশে দোলে তুলার মতো মেঘ আর মাটিতে দোলে কাশফুল। শহরের অলিগলিতে আলো ঝলমল করে আর গ্রা...

দুর্গাপূজা: ভক্তির আয়োজন, অর্থনীতির বিস্তার
২০ অক্টোবর ২০২৬

দুর্গাপূজা: ভক্তির আয়োজন, অর্থনীতির বিস্তার

শোয়েব সাম্য সিদ্দিকদুর্গাপূজা এলেই ধর্মীয় আয়োজনের পাশাপাশি জমে ওঠে কেনাকাটা ও ব্যবসা-বাণিজ্য। নতুন প...

পিটিয়ে হত্যার সাহস পায় কোথায়, রাষ্ট্র কি তবে মবের কাছে জিম্মি?
২০ অক্টোবর ২০২৬

পিটিয়ে হত্যার সাহস পায় কোথায়, রাষ্ট্র কি তবে মবের কাছে জিম্মি?

আবু আহমেদ ফয়জুল কবিরসাতক্ষীরার দেবহাটায় ওয়াহিদুজ্জামান শামীমকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পিটিয়ে হত্য...

ক্ষমতা বদলায়, রাষ্ট্র কি বদলায়?
১৯ অক্টোবর ২০২৬

ক্ষমতা বদলায়, রাষ্ট্র কি বদলায়?

মীর আরিফ হোসেনবাংলাদেশে সরকার বদলেছে, রাজনৈতিক ক্ষমতার বিন্যাস বদলেছে, মানুষের প্রত্যাশাও বারবার নতু...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই