গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬

মেনু

বিবিসির বিশ্লেষণ

তারেক রহমানকে দিল্লিতে চায় কেন ভারত, ঢাকারই বা দ্বিধা কোথায়

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:২১ পিএম, ২৯ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৮:১৮ এএম ২০২৬
তারেক রহমানকে দিল্লিতে চায় কেন ভারত, ঢাকারই বা দ্বিধা কোথায়
ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নয়াদিল্লি সফরে নিতে আগ্রহ দেখিয়ে আসছে ভারত। ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে নতুন সরকারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে সম্পর্ক পুনর্গঠনের সুযোগ হিসেবেই দিল্লি এ সফরকে দেখছে।

তবে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ, কয়েক সপ্তাহের কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং সম্ভাব্য রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনার প্রস্তুতির ইঙ্গিতের পরও তারেক রহমান সফরটি নিশ্চিত করেননি।

বিবিসির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের কৌশলগত গুরুত্বের কারণেই ভারতের আগ্রহ এত বেশি। একই সঙ্গে শেখ হাসিনার আমলে ঢাকার সঙ্গে যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, তা এখন আর আগের মতো নিশ্চিত নয়-এ বাস্তবতাও দিল্লি বুঝতে পারছে।

তারেক রহমানকে কেন চায় দিল্লি
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে যাওয়ার পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দুই দেশের সম্পর্কে ব্যাপক টানাপোড়েন দেখা দেয়।

এরপর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বড় জয় এবং তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হয়।

নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ভারত যোগাযোগ বাড়ায়। ঢাকায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত সফরের আমন্ত্রণ তারেক রহমানের কাছে পৌঁছে দেন।

ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীও দুই প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন এবং তারেক ভারত সফরে গেলে তাঁকে সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব শ্যাম শরণ বিবিসিকে বলেন, শেখ হাসিনাকে হস্তান্তর না করার বিষয়টি বাদ দিলে নতুন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে ভারত যথেষ্ট আন্তরিকতা দেখিয়েছে বলে দিল্লিতে কিছুটা হতাশাও থাকতে পারে।

বাংলাদেশের গুরুত্ব কোথায়
ভৌগোলিক অবস্থানই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। দুই দেশের সীমান্ত প্রায় ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণও ১২ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের গুরুত্ব রয়েছে। শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে দুই দেশের মধ্যে সড়ক, রেল ও নৌযোগাযোগের সম্প্রসারণ এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার হয়েছিল।

ভারতের ভাষ্য, বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তৎপরতা চালানো বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধেও শেখ হাসিনার সরকার ব্যবস্থা নিয়েছিল।

তবে বাংলাদেশে এ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কও ছিল। সমালোচকেরা অভিযোগ করেছেন, দিল্লি পারস্পরিক স্বার্থের ভারসাম্যের চেয়ে শেখ হাসিনার সরকারকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।

তাই তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপন ভারতের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর মাধ্যমে ঢাকার রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে একটি নির্দিষ্ট সরকারের পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় ও দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

শেখ হাসিনাই বড় বাধা
তারেক রহমানের সফরের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় জটিলতা শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে তাঁর অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের কাছে তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করে আসছে।

শেখ হাসিনা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বিচারপ্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেছেন। ভারত জানিয়েছে, বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ অনুরোধ তারা প্রতিষ্ঠিত নিয়মের আওতায় পর্যালোচনা করছে।

গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার পর পরিস্থিতি আরো স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে। ঢাকা এর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলে, ভারতের মাটি থেকে শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

ভারত পাল্টা জানায়, ওই অনুষ্ঠান আয়োজনে তাদের সরকারের কোনো ভূমিকা ছিল না এবং শেখ হাসিনার বক্তব্যকেও তারা সমর্থন করে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লাইলুফার ইয়াসমিন বিবিসিকে বলেন, ওই বক্তব্যের আগে তারেক রহমান ভারত সফরের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছিলেন বলে মনে হচ্ছিল। কিন্তু ঘটনার পর বাংলাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং ভারতের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

ঢাকার শর্ত কী
৫ আগস্টের ঘটনার পর বাংলাদেশ তার অবস্থান আরো স্পষ্ট করে। ১৬ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় সফর এগিয়ে নিতে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।

ঢাকা ভারতকে শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতকের প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদীর হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজনদের হস্তান্তরের আহ্বান জানায়।

১০ আগস্ট তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকেও এসব বিষয় তোলা হয়। বৈঠকের পর বাংলাদেশ সরকার জানায়, তারা শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ এবং হাদী হত্যার সন্দেহভাজনদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ভারতের পদক্ষেপ আশা করছে।

এরপর ত্রিবেদী নয়াদিল্লি গিয়ে ঢাকায় তাঁর আলোচনার বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জানান।

সফরের প্রস্তুতি কতদূর
আগস্টের মাঝামাঝি কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, ২২ ও ২৩ আগস্ট সম্ভাব্য সময় ধরে তারেক রহমানের প্রথম দ্বিপক্ষীয় ভারত সফরের প্রস্তুতি চলছিল। জ্বালানি, বাণিজ্য, যোগাযোগ, পানি বণ্টন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার মতো বিষয় আলোচনায় গুরুত্ব পাওয়ার কথা ছিল।

তবে কোনো সরকারই আনুষ্ঠানিকভাবে সফরের তারিখ নিশ্চিত করেনি। ২১ আগস্ট ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনের একটি বার্তা পরে সরিয়ে নেওয়া হলে সম্ভাব্য সফর নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। ওই বার্তায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার মহড়ার কারণে নিয়মিত ‘চেঞ্জ অব গার্ড’ অনুষ্ঠান বাতিলের কথা বলা হয়েছিল।

পরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি এবং ঢাকা শেখ হাসিনা ও অন্য পলাতকদের বিষয়ে ভারতের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে।

আমন্ত্রণ রয়েছে দুটি 
তারেক রহমানকে ভারত দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানিয়েছে। প্রথমটি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরপরই নরেন্দ্র মোদির দেওয়া দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ। দ্বিতীয়টি ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের বহির্মুখী অধিবেশনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ।

ভারত জানিয়েছে, বাংলাদেশ বর্তমানে বিমসটেকের সভাপতিত্ব করছে বলেই তাকে ব্রিকসের ওই আয়োজনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এটি দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ নয়।

তারেক রহমান এখনো কোনো আমন্ত্রণেই অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেননি।

আঞ্চলিক সমীকরণও গুরুত্বপূর্ণ
শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক পর্যায়ের যোগাযোগ ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছে। একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে সম্পৃক্ততাও বেড়েছে। সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানকে নিয়ে গঠিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে।

এসব পদক্ষেপের অর্থ বাংলাদেশ ভারতবিরোধী কোনো জোটে যোগ দিয়েছে-এমন নয়। তবে দিল্লির কাছে এগুলো স্পষ্ট সংকেত যে, ঢাকার হাতে এখন আগের তুলনায় বেশি কূটনৈতিক ও কৌশলগত বিকল্প রয়েছে।

ভারতের দৃষ্টিতে তাই প্রতিবেশীর সঙ্গে দূরত্ব স্থায়ী হওয়ার আগেই তারেক রহমানের সঙ্গে একটি শক্তিশালী সরাসরি সম্পর্ক গড়ে তোলা জরুরি।

অন্যদিকে বাংলাদেশের জন্য ভারত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী, বাণিজ্য ও যোগাযোগ অংশীদার। সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, পানি বণ্টন, গঙ্গার পানি চুক্তির ভবিষ্যৎসহ একাধিক অমীমাংসিত বিষয়ে দুই দেশের সহযোগিতা প্রয়োজন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদও বলেছেন, উত্তেজনা কমানো ও অমীমাংসিত সমস্যা সমাধানে তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের সুযোগ ভারতের কাজে লাগানো উচিত।

তবে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করে প্রকাশ্যে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে থাকলে দিল্লি সফর বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে। তারেক সরকারের ঘোষিত ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক সুবিধার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ফলে সম্ভাব্য ভারত সফরের ক্ষেত্রে সফরের আলোচ্যসূচির পাশাপাশি এর সময়, প্রেক্ষাপট এবং দৃশ্যমান রাজনৈতিক বার্তাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ভারতের জন্য তারেক রহমানকে দিল্লিতে নেওয়া ২০২৪-পরবর্তী সম্পর্কের ফাটল জোড়া লাগার দৃশ্যমান সংকেত হতে পারে। আর বাংলাদেশের জন্য মূল প্রশ্ন-সম্পর্ক স্বাভাবিক করার এই প্রক্রিয়া এমন শর্তে ও এমন সময়ে হবে কি না, যা দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও কূটনৈতিক স্বার্থ-দুই দিক থেকেই গ্রহণযোগ্য।
সানা/আপ্র/২৯/৮/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

গ্যাস-জ্বালানি সংকটে বাড়ছে লোডশেডিং, জনজীবন বিপর্যস্ত
২৮ আগস্ট ২০২৬

গ্যাস-জ্বালানি সংকটে বাড়ছে লোডশেডিং, জনজীবন বিপর্যস্ত

৬২ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত, ঢাকাতেও দিনে চার-পাঁচবার বিদ্যুৎ যাচ্ছে

অবৈধ জালে ঝুঁকিতে লাইটার জাহাজ, বাড়ছে সংঘাত
২৪ আগস্ট ২০২৬

অবৈধ জালে ঝুঁকিতে লাইটার জাহাজ, বাড়ছে সংঘাত

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান শিপিং চ্যানেল, বহির্নোঙরসহ বিভিন্ন নৌপথে অবৈধ মাছ শিকার

কমছে যুক্তরাজ্যের সহায়তা, ঝুঁকিতে সুন্দরবনের হাজারো মানুষ
২৩ আগস্ট ২০২৬

কমছে যুক্তরাজ্যের সহায়তা, ঝুঁকিতে সুন্দরবনের হাজারো মানুষ

প্রকল্পসহ দ্বিপক্ষীয় সহায়তাও বড় ধরনের কাটছাঁট

কুয়েতে পাঠানো হয়নি ২০ টন উপহারের মাছ
২৩ আগস্ট ২০২৬

কুয়েতে পাঠানো হয়নি ২০ টন উপহারের মাছ

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কুয়েত সরকারকে উপহার হিসেবে পাঠানোর জন্য কেনা হয়েছিল ২০ টন উন্নতমানের মাছ।...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঠেকাতে রোডম্যাপ চান আইনমন্ত্রী

ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধ এবং ভবিষ্যতে কেউ যাতে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে না পারে, সে লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপ তৈরিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মন্ত্রীর চাওয়ার সাথে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে