গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

সিধা পথে রাজনীতি করেন, ধর্মের নামে বিশৃঙ্খলা করবেন না: মির্জা ফখরুল

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪:৫৯ পিএম, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ০৮:২৩ এএম ২০২৬
সিধা পথে রাজনীতি করেন, ধর্মের নামে বিশৃঙ্খলা করবেন না: মির্জা ফখরুল
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যারা অতীতে বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি, তারা এখন বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ধর্মের দোহাই দিয়ে ভোট চেয়ে তারা জনগণের সঙ্গে মোনাফেকি করছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সহনশীলতায় বিশ্বাস করি, তাই আপনাদের বলবো সিধা পথে রাজনীতি করেন। ধর্মের নামে বিশৃঙ্খলা করবেন না।’

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একটি পক্ষ বলছে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে নাকি বেহেশত পাওয়া যাবে। তাহলে নামাজ-রোজার আর কী দরকার? আমরা প্রকৃত ধর্মে বিশ্বাস করি। শহীদ জিয়াই সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ সংযোজন করেছিলেন। তাই আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে লাভ নেই।’

বিএনপিকে সংস্কারবিরোধী হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টার প্রতিবাদ জানিয়ে মহাসচিব বলেন, ‘সংস্কার বিএনপিরই সন্তান। ২০২২ সালে আমরাই সর্বপ্রথম সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছি। সব দলের সাথে আলোচনা করে আমাদের নেতা এ সংক্রান্ত ৩১ দফা প্রস্তাব দিয়েছিলেন। অথচ ঐকমত্য কমিশন অনেক বিষয়ে বেইমানি করেছে। আমরা যা চাইনি, তাও সংস্কারে যুক্ত করা হয়েছে। তারপরও আমরা অনেক কিছু মেনে নিয়েছি।’

আগামী নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যাদের তিনটি ভোট নেই, তারা এখন নির্বাচন প্রতিহতের হুমকি দিচ্ছে। এবারের ভোটে প্রমাণ হবে দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় থাকবে নাকি উগ্রবাদীদের হাতে যাবে। আমরা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছি। জনগণ ভোট দিলে সরকারে যাবো, না দিলে বিরোধী দলে থাকবো।’  

শহীদ জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান আমাদের জাতীয়তা ও ভূখণ্ডের পরিচয় দিয়েছেন। তার অবর্তমানে বেগম খালেদা জিয়া এবং এখন তারেক রহমান সেই পতাকা ধরে রেখেছেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘অনেকে বলেছিলেন অসংখ্য লাশ পড়বে। তখন আমরা হাসপাতালে গিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে বলেছিলাম একটি বাণী দিতে। তার বাণীতে সব পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।’

গত ১৫ বছরে অনেক কষ্ট, যন্ত্রণা ও ত্যাগ পারি দিয়ে আমরা এই পর্যায়ে এসেছি জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা আশা করি আগামী নির্বাচনে জয়ী হয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ গঠন করবো।’

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

এসি/আপ্র/২০/0১/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

বাকস্বাধীনতা যেন শালীনতার সীমা না ছাড়ায়: প্রধানমন্ত্রী
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাকস্বাধীনতা যেন শালীনতার সীমা না ছাড়ায়: প্রধানমন্ত্রী

বাকস্বাধীনতা যেন শালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে - এমন আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দে...

রুমিনের বক্তব্য ঘিরে সংসদে ব্যাপক হট্টগোল
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রুমিনের বক্তব্য ঘিরে সংসদে ব্যাপক হট্টগোল

বিএনপির সরকারের অতীত কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন সংকটের সমালোচনা করে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্...

নারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া উন্নয়ন সম্পূর্ণ হবে না: রিজভী
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া উন্নয়ন সম্পূর্ণ হবে না: রিজভী

দেশের অগ্রগতিতে নারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া উন্নয়ন সম্পূর্ণ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত ম...

বিরোধীদলের লংমার্চে জ্বালানি অপচয়, ভোগান্তির আশঙ্কার ইশরাকের
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিরোধীদলের লংমার্চে জ্বালানি অপচয়, ভোগান্তির আশঙ্কার ইশরাকের

১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ কর্মসূচিকে ‘জ্বালানির অপচয়’ ও ‘জনগণের ভোগান্তির’ কারণ হিসেবে মন্তব্য করেছেন ম...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই কর পরিশোধের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৩ অর্থবছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই রায় সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 9 ঘন্টা আগে