গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

মেনু

ভর্তি পরীক্ষা ফিরে আসছে, বৈষম্যও কি ফিরছে সঙ্গে?

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫:১৮ পিএম, ০৮ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১৭:১২ এএম ২০২৬
ভর্তি পরীক্ষা ফিরে আসছে, বৈষম্যও কি ফিরছে সঙ্গে?
ছবি

ফাইল ছবি

আলাউল হোসেন: ভর্তি পরীক্ষা নাকি লটারি? স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন মার্চের ১৫ তারিখ সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, বছরের প্রথমে অ্যাডমিশন যেটা হয়, সেখানে আমরা লটারির পরিবর্তে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে যাচ্ছি। আগাম জানিয়ে দিলোাম, যেন সবাই সুযোগ পায়।

দেশের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির দীর্ঘদিনের প্রক্রিয়াটি বাতিল হতে যাচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের শিক্ষাঙ্গনে যে বিতর্কের মেঘ জমেছে, তা কেবল প্রকট নয়, রীতিমতন উদ্বেগজনক। ২০১৯ সালে ভর্তি বাণিজ্য ও কোচিং সিন্ডিকেট ভাঙতে যে লটারি প্রথা চালু হয়েছিল, তার হঠাৎ বিদায়ে একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে এসেছে-এই প্রত্যাবর্তন আসলে কার স্বার্থে?

অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের কেউ কেউ এই পরিবর্তনকে স্বাগত জানালেও, অধিকাংশই একে কালো অধ্যায়ের পুনরাবৃত্তি হিসেবে দেখছেন। লটারি প্রথা বাতিলের ঘোষণার রেশ কাটতে না কাটতেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ছোট বড় শহরে শুরু হয়ে গেছে হাজার কোটি টাকার কোচিং বাণিজ্য। ফেসবুকের দেয়াল থেকে রাস্তার মোড়ের পোস্টার, ফেস্টুন ও লিফলেট-সর্বত্রই চটকদার বিজ্ঞাপন চোখে পড়ছে। ভয়ঙ্কর তথ্য হলো, তৃতীয় শ্রেণির একটি শিশুর ভর্তি প্রস্তুতির জন্য কোনো কোনো কোচিং সেন্টার এককালীন ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছে। যে শিশুর হাতে থাকার কথা ছিল গল্পের বই বা খেলার সামগ্রী, তার কাঁধে তুলে দেওয়া হচ্ছে একাধিক প্রকাশনীর ভর্তি গাইড। অভিভাবকরাও এক অজানা প্রতিযোগিতার দৌড়ে যোগ দিয়ে সন্তানদের ঠেলে দিচ্ছেন প্রচণ্ড মানসিক চাপের মুখে।

মৌলিক প্রশ্নটি হলো-প্রথম শ্রেণির একটি শিশুর কাছেও কি আমরা ভর্তি পরীক্ষা প্রত্যাশা করি? যে শিশুটি সবে বর্ণমালার সঙ্গে পরিচিত হয়েছে, সে কি ‘এগজামিনেশন টেনশন’ বা পরীক্ষার ভীতি সামলানোর মতো পরিপক্ক? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন যথার্থই বলেছেন যে, পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত কোনোভাবেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পরীক্ষা মানেই সেখানে অবধারিতভাবে কোচিং বাণিজ্য ঢুকে পড়বে। আর এই অল্প বয়সে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া মানেই একটি শিশুর মনে ‘আমি পারি না’-এমন নেতিবাচক সিলমোহর বসিয়ে দেওয়া। এই ট্রমা একটি শিশুর আত্মবিশ্বাসকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে পারে।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এক কঠিন বাস্তবতা। ভর্তি পরীক্ষা মূলত একটি বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা। যে ধরনের প্রশ্নপত্রে এই পরীক্ষাগুলো নেওয়া হয়, তাতে তারাই এগিয়ে থাকে যারা দামি কোচিং বা প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়ার সুযোগ পায়। ফলে নিম্নবিত্ত বা অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী সন্তানরা শুরুতেই প্রতিযোগিতার বাইরে ছিটকে পড়ে। যে শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষ্য হওয়া উচিত ছিল সাম্য, সেখানে এই পরীক্ষা পদ্ধতি বৈষম্যের পাহাড় তৈরি করতে যাচ্ছে।

স্বীকার করতে বাধা নেই যে, লটারি পদ্ধতি শতভাগ ত্রুটিমুক্ত ছিল না। কিন্তু এর সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি এবং তথাকথিত ‘ফিল্টারিং’ বন্ধ করা। ভালো স্কুলগুলো কেবল তুখোড় শিক্ষার্থীদের ছেঁকে নিয়ে নিজেদের সেরা দাবি করার যে সংস্কৃতি গড়ে তুলেছিল, লটারি তাতে সজোরে আঘাত হেনেছিল। অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি জিয়াউল কবির দুলুর প্রশ্নটি আজ প্রতিটি সচেতন নাগরিকের-কাদের স্বার্থে এবং কোনো বাস্তবসম্মত প্রস্তুতি ছাড়াই এই পরীক্ষা পদ্ধতি পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে?

ভর্তির পরীক্ষার এই ডামাডোল প্রমাণ করে যে, আমরা শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির চেয়ে ব্যবসায়িক সিন্ডিকেটের প্রেসক্রিপশনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। আদতে তা করছি কি না এখনই খতিয়ে দেখার সময় এসেছে।

ভর্তি পরীক্ষার পক্ষে থাকা কিছু যুক্তি আপাতদৃষ্টিতে বাস্তবসম্মত মনে হলেও এর গভীরে লুকিয়ে আছে এক চরম সামাজিক বৈষম্য। সমর্থকদের দাবি, এলাকাভিত্তিক বা ক্যাচমেন্ট এরিয়ার সব স্কুল সমমানের না হওয়া পর্যন্ত উন্নত প্রতিষ্ঠানে মেধা যাচাইয়ের মাধ্যমেই ভর্তি হওয়া উচিত। তারা মনে করেন, সমমনা ও সম-মেধাবী সহপাঠীদের সাহচর্যে শিশুর শেখার গতি বৃদ্ধি পায়। কিন্তু এই তত্ত্ব তখনই সফল হতে পারে, যখন রাষ্ট্রের প্রতিটি বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো ও শিক্ষার মান সমান্তরাল হয়। বাংলাদেশের রূঢ় বাস্তবতায় একটি জেলা শহরের সুপরিচিত স্কুল আর প্রত্যন্ত গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যকার ব্যবধান এতটাই আকাশ-পাতাল যে, সেখানে ভর্তি পরীক্ষা চাপিয়ে দেওয়ার অর্থ হলো সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শুরুতেই প্রতিযোগিতার বাইরে ঠেলে দেওয়া। এক অভিভাবকের আর্তনাদেই ফুটে উঠেছে এই অমানবিক ব্যবস্থার চিত্র-নামিদামি স্কুলে ভর্তির নেশায় শিশুদের যা কিছু গেলাতে বাধ্য করা হয়, তা কোনো সুস্থ শিক্ষাপদ্ধতি হতে পারে না। এই তথাকথিত ‘ভর্তি যুদ্ধ’ আসলে শিশুর শৈশবকে এক ধরনের যান্ত্রিক নিপীড়নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে।

শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা দীর্ঘকাল ধরে জোর দিয়ে বলছেন যে, লটারি বা ভর্তি পরীক্ষা-কোনোটিই শিক্ষার প্রকৃত সমাধান নয়। দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের পথ হলো এলাকাভিত্তিক বা ক্যাচমেন্ট এরিয়া অনুযায়ী ভর্তির ব্যবস্থা করা এবং প্রতিটি স্থানীয় স্কুলের মান এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া, যাতে শিশুকে অন্য কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন না পড়ে। অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান এবং অধ্যাপক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীরের মতো বিশেষজ্ঞগণ মনে করেন, অন্তত প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত লটারি পদ্ধতি বহাল রেখে বড় জোড় ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে পরীক্ষা চালুর কথা ভাবা যেতে পারে। কিন্তু বর্তমান সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণে মনে হচ্ছে, রাষ্ট্র শিশুদের মনস্তাত্ত্বিক চাপ ও ভবিষ্যতের কথা আমল না দিয়ে কেবল স্বচ্ছতার দোহাই দিয়ে তাদের ওপর পরীক্ষার বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে। এটি কেবল একটি প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়, বরং একটি সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক সামাজিক প্রভাবের সূত্রপাত।

এই পরিবর্তনের সবচেয়ে অন্ধকার দিকটি হলো এটি দরিদ্র ও মধ্যবিত্তের সন্তানদের জন্য এক দুর্ভেদ্য ‘অদৃশ্য প্রাচীর’ তৈরি করছে। রাজধানীর বড় স্কুলগুলোতে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার জন্য যে ব্যয়বহুল কোচিং বা বিশেষায়িত প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়, তা পাহাড়ি জনপদ বা চরাঞ্চলের কোনো প্রান্তিক শিশুর পক্ষে কল্পনা করাও অসম্ভব। ফলে ভর্তি পরীক্ষার নামে আমরা অজান্তেই সমাজে ‘এলিট বনাম বঞ্চিত’-এই বিভাজনকে স্থায়ী রূপ দিচ্ছি। অধ্যাপক মনজুর আহমদের সতর্কতা অনুযায়ী, এই ব্যবস্থা কেবল প্রান্তিক শিশুদেরই নয়, বরং অসচেতন অভিভাবকের সন্তান কিংবা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মতো সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিত করার সাংবিধানিক অধিকারকেও সরাসরি ক্ষুণ্ণ করে। শিক্ষার লক্ষ্য যেখানে হওয়া উচিত ছিল সামাজিক বৈষম্য দূর করা, সেখানে এই পরীক্ষা পদ্ধতি যেন নতুন করে শ্রেণিবৈষম্যের বীজ বপন করছে।

শিক্ষাক্ষেত্রে যেকোনো বড় পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও সুদূরপ্রসারী চিন্তা, যা বর্তমানের এই তড়িঘড়ি সিদ্ধান্তের ঘোষণায় অনুপস্থিত। উন্নত বিশ্বের দিকে তাকালে দেখা যায়, তারা প্রাথমিক স্তরে ভর্তি পরীক্ষার মতো নিষ্ঠুর পদ্ধতিকে বহু আগেই বর্জন করেছে। পরিবর্তে তারা গুরুত্ব দিয়েছে এলাকাভিত্তিক ‘ক্যাচমেন্ট এরিয়া’ পদ্ধতির ওপর। সেখানে প্রতিটি বিদ্যালয়ের মান প্রায় সমান হওয়ায় আমাদের দেশের মতো তথাকথিত ‘এলিট স্কুল’ কালচার বা নির্দিষ্ট কিছু স্কুলের পেছনে অভিভাবকদের মরিয়া হয়ে ছোটার সংস্কৃতি নেই। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে সরকারের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত ছিল তৃণমূল পর্যায় থেকে সব বিদ্যালয়ের মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা। আর যতদিন সেই সমতা না আসছে, ততদিন অন্তত প্রাথমিক স্তরে লটারি পদ্ধতি বহাল রাখাই ছিল সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত সমাধান।

লটারি পদ্ধতিতে যদি কোনো ত্রুটি থেকে থাকে, তবে সেটিকে আরো স্বচ্ছ, ডিজিটাল এবং জবাবদিহিমূলক করার সুযোগ আছে। কিন্তু সেই সংস্কারের পথে না হেঁটে সরাসরি পরীক্ষা পদ্ধতিতে ফিরে যাওয়া মানে হলো সুকৌশলে কোচিং বাণিজ্যের ‘কালো সিনেমা’কে পুনরায় পর্দায় ফিরিয়ে আনা। এই হঠকারী সিদ্ধান্তের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে লাখো শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য। যে বয়সে তাদের নির্মল শৈশবে অবগাহন করার কথা, সেই বয়সেই তাদের ঠেলে দেওয়া হচ্ছে এক অমানবিক ‘ভর্তি যুদ্ধের’ ময়দানে। এই যুদ্ধ কেবল অসমই নয়, শিশুর স্বপ্ন ও সৃজনশীলতাকে অকালেই শ্বাসরোধ করে মারার আয়োজন।

শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষিত এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা সময়ের দাবি। শিশুদের মেধা বিকাশের নামে তাদের শৈশবকে কোনোভাবেই বাণিজ্যিক সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দেওয়া যায় না। স্বচ্ছতার মোড়কে আমরা যদি আজ বৈষম্যের এই নতুন দ্বার উন্মুক্ত করি, তবে ভবিষ্যতে এর চড়া মাশুল দিতে হবে। 
লেখক: কলামিস্ট
সানা/আপ্র/৮/৫/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

দেশে স্বাস্থ্যসেবা ঘরে ঘরে পৌঁছানোর বাস্তবতা কতটুকু?
০৮ এপ্রিল ২০২৬

দেশে স্বাস্থ্যসেবা ঘরে ঘরে পৌঁছানোর বাস্তবতা কতটুকু?

ডা. লেলিন চৌধুরী: প্রথমত বাংলাদেশের সব মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার আগে আমাদের স্বাস্থ্য খাতের বিদ্য...

মাননীয় মন্ত্রী, অপেক্ষার প্রহর যেন দীর্ঘ না হয়
০৭ এপ্রিল ২০২৬

মাননীয় মন্ত্রী, অপেক্ষার প্রহর যেন দীর্ঘ না হয়

আবু আহমেদ ফয়জুল কবির: জাতীয় সংসদে মাননীয় আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন-অন্তর্বর্তী সরকারের জারিকৃত গুম ও...

রক্তে অর্জিত স্বাধীনতা, বিভক্তির রাজনীতির কাছে যেন পরাজিত না হয়
২৬ মার্চ ২০২৬

রক্তে অর্জিত স্বাধীনতা, বিভক্তির রাজনীতির কাছে যেন পরাজিত না হয়

অগ্নিঝরা মার্চ কেবল আবেগের নয়, গভীর আত্মসমালোচনারও সময়। ২৫ মার্চের সেই বিভীষিকাময় রাত, ২৬ মার্চের প্...

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চাই
২৬ মার্চ ২০২৬

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চাই

মোস্তফা হোসেইন: গেজেটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ এর জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে আট শতাধিক মানুষ নিহত হয়...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

এবারের ঈদযাত্রাকে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি স্বস্তিদায়ক বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। মন্ত্রীর এই দাবি ঠিক আছে বলে মনে করেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 সপ্তাহ আগে