রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যার শিকার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে রাত সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকে রামিসাদের বাসায় যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি শোকাহত বাবা-মাকে সান্ত্বনা দেন এবং রামিসার বাবার কাঁধে হাত রেখে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার কোনো অন্যায়কারীকে ছাড় দেবে না।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনে এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন। রাত সাড়ে ৮টার পর থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা খুনিদের বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমানসহ অন্যরা।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে সাত বছর বয়সী রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বাথরুম থেকে উদ্ধার করা হয় তার খণ্ডিত মাথা। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনার পর পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল রানা শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সানা/আপ্র/২২/৫/২০২৬