নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটে জমা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ বাবার পর সাত বছরের শিশুকন্যা কথাও মারা গেছে।
বুধবার সন্ধ্যা (১৪ মে) পৌনে ৭টায় রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্ল্যাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায় বলে জানান হাসপাতালের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান।
কথার শ্বাসনালীসহ শরীরের ৫২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল বলেও জানান এ চিকিৎসক।
দুর্ঘটনার একদিন পর সোমবার সকালে শিশুটির বাবা মো. কালাম (৩৫) একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা।
রোববার সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে তিন শিশু সন্তাসহ এক দম্পতি দগ্ধ হন।
এ বিস্ফোরণে দগ্ধ হয় কালামের স্ত্রী সায়মা (৩২), ছেলে মুন্না (৭) এবং আরেক মেয়ে মুন্নি (১০)। সায়মা শরীরে ৬০ শতাংশ, মুন্না ৩০ শতাংশ এবং মুন্নি ৩৫ শতাংশ পোড়া নিয়ে এখনও ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গিরিধারার ওই বাড়িটিতে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন সবজি বিক্রেতা মো. কালাম। তাদের ঘরে তিতাসের লাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস জমা হয়ে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছিল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স।
সানা/আপ্র/১৪/৫/২০২৬