গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

মেনু

ফেসবুকে চাকরির ফাঁদ, সাইবার প্রতারণা চক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:৫৯ পিএম, ১৩ মে ২০২৬ | আপডেট: ০৫:১৮ এএম ২০২৬
ফেসবুকে চাকরির ফাঁদ, সাইবার প্রতারণা চক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার
ছবি

ছবি আজকের প্রত্যাশা

এস এ খাঁন শিল্টু, মেহেরপুর প্রতিনিধি: ফেসবুকে পার্ট টাইম চাকরির বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎকারী একটি সংঘবদ্ধ সাইবার প্রতারণা চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বুধবার (১৩ মে) মেহেরপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

তথ্য অনুযায়ী, ফেসবুকে “ঘরে বসে আয় করুন” শীর্ষক চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে ভুক্তভোগীদের প্রাথমিকভাবে অল্প লাভের প্রলোভন দেখানো হতো। এরপর টেলিগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপের গোপন গ্রুপে যুক্ত করে “অনলাইন টাস্ক” সম্পন্নের নামে ধাপে ধাপে অর্থ বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হতো।

শুরুতে সামান্য লাভ দেখিয়ে আস্থা অর্জনের পর বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে পরবর্তীতে যোগাযোগ বন্ধ করে দিত চক্রটি। এক ভুক্তভোগীর অভিযোগে জানা যায়, ১৩ মার্চ থেকে ২৩ মার্চের মধ্যে বিভিন্ন বিকাশ, নগদ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে তার কাছ থেকে প্রায় ২ লাখ ৮ হাজার ৮৬০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। পরে তিনি রাজধানীর কলাবাগান থানায় মামলা করেন।

ডিবির তদন্তে প্রযুক্তির সহায়তায় মেহেরপুরের কয়েকজনের সম্পৃক্ততা শনাক্ত করা হয়। এরপর ৭ ও ৮ মে মেহেরপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গাংনী উপজেলার গাড়াডোব গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে রোহান আলী ওরফে রাকেশ (২০), সদর উপজেলার কামদেবপুর গ্রামের মোখলেসুর রহমানের ছেলে রনি মিয়া (২৭) এবং গাড়াডোব গ্রামের অনলাইন জুয়াড়ি ফয়সাল আহমেদ (২৮)-কে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি স্মার্টফোন, কয়েকটি সিমকার্ড এবং ১৭ হাজার ৪৪০ টাকা জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে চাকরির নামে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে দাবি তদন্ত কর্মকর্তাদের।

তদন্তে আরও কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছেন সাঈদ মোহাম্মদ হাসান জোহা (৪৩) ও তার স্ত্রী নূরজাহান খাতুন (৩৯)। ডিবির দাবি, তারা ঢাকার মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় অবস্থান করে প্রতারণার অর্থ লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করতেন। পরবর্তীতে পৃথক অভিযানে তাদেরও গ্রেফতার করা হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া উইং জানিয়েছে, প্রযুক্তিনির্ভর তদন্তের মাধ্যমে চক্রের সদস্যদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এটি একটি সংঘবদ্ধ সাইবার প্রতারণা চক্র, যারা ফেসবুক, টেলিগ্রাম, টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চাকরি ও বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করত।

ডিবি জানিয়েছে, গ্রেফতারদের আদালতে হাজির করা হলে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সানা/আপ্র/১৩/৫/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

পিতা হত্যা মামলায় ছেলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
০১ জুলাই ২০২৬

পিতা হত্যা মামলায় ছেলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

এস এ খান শিল্টু: মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় নিজ পিতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যার দায়ে ছেলে মো...

কলারোয়া কৃষি ব্যাংকে ঋণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ
০১ জুলাই ২০২৬

কলারোয়া কৃষি ব্যাংকে ঋণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

সাতক্ষীরার কলারোয়া বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক শাখায় কৃষিঋণ বিতরণে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, গ্রাহক হয়রানি ও ঘুষে...

রাজৈর পৌরসভার ৪১ কোটি ৬৯ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা
০১ জুলাই ২০২৬

রাজৈর পৌরসভার ৪১ কোটি ৬৯ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

অনাদি কুমার মণ্ডল: মাদারীপুরের রাজৈর পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪১ কোটি ৬৯ লাখ ৯ হাজার ৬০৫ টাকার...

শ্রীপুরে বনভূমি উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ২০ বনকর্মী আহত
০১ জুলাই ২০২৬

শ্রীপুরে বনভূমি উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, ২০ বনকর্মী আহত

গাজীপুরের শ্রীপুরে অবৈধভাবে দখল করা বনভূমি উদ্ধারে পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানে বন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ধর্ষণ মামলার সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে ধর্ষণের মামলা কিছুটা বেড়েছে বলে যে পরিসংখ্যান দেখা যাচ্ছে, তার অন্যতম কারণ হলো এখন ভুক্তভোগীরা সহজেই মামলা করতে পারছেন। আগে সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন হস্তক্ষেপের কারণে অনেক ভুক্তভোগী থানায় গিয়ে মামলা করতে পারতেন না বা করতে চাইতেন না। আপনি কি মনে করেন মন্ত্রীর এই বক্তব্য সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 7 ঘন্টা আগে