গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

জ্বালানি সংকটে বন্ধ বিদ্যুৎকেন্দ্র

গ্রামে লোডশেডিং বেড়েছে

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৩৩ পিএম, ২১ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ০০:৪০ এএম ২০২৬
গ্রামে লোডশেডিং বেড়েছে
ছবি

জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয়ে লোডশেডিং বেড়ে গেছে, যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে গ্রামাঞ্চলে -ছবি সংগৃহীত

দেশে জ্বালানি সংকট তীব্র হওয়ায় বর্তমানে ১৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে গ্যাসভিত্তিক ১০টি এবং তেলভিত্তিক ৮টি কেন্দ্র রয়েছে। পাশাপাশি আরো ৩৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্র আংশিকভাবে উৎপাদন কমিয়ে চালু আছে। ফলে জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয়ে লোডশেডিং বেড়ে গেছে, যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে গ্রামাঞ্চলে।

দেশে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা গড়ে প্রায় ১৫ হাজার মেগাওয়াট হলেও উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ১৪ হাজার মেগাওয়াট। ফলে এক হাজার মেগাওয়াটের বেশি ঘাটতি পূরণে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোট ১৪৮২ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ৩৬০ মেগাওয়াট, খুলনায় ৩১৯ মেগাওয়াট, কুমিল্লায় ২১০ মেগাওয়াট, রাজশাহীতে ১৯৫ মেগাওয়াটসহ অন্যান্য অঞ্চলেও উল্লেখযোগ্য ঘাটতি দেখা গেছে।

ন্যাশনাল লোড ডিসপ্যাচ সেন্টারের হিসাব অনুযায়ী দিনের বিভিন্ন সময় চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকায় বারবার লোডশেডিং করতে হয়েছে। কোথাও কোথাও দিনে ৬ থেকে ৮ বার পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা দেখা গেছে।

বিদ্যুৎ খাতের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গ্যাস, কয়লা ও ফার্নেস তেল আমদানিতে জ্বালানি সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ফার্নেস তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সীমিতভাবে চালানো হচ্ছে।

বন্ধ থাকা ১৮টি কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে ঘোড়াশাল, মেঘনাঘাট, সিদ্ধিরগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি বড় গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র এবং বিভিন্ন তেলভিত্তিক কেন্দ্র। এতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট সদস্য জানিয়েছেন, জ্বালানি সংকট থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে এবং গ্যাস ও কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী ঢাকার তুলনায় গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিংয়ের চাপ অনেক বেশি। দিনে একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় কৃষি কাজ, ছোট শিল্প ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং আমদানি নির্ভরতা কমাতে না পারলে এ ধরনের সংকট আরো দীর্ঘায়িত হতে পারে।

 

সানা/ডিসি/আপ্র/২১/৪/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

বিসর্জনের সুরে বিদায়বেলা, বিষাদে ভারী পূজামণ্ডপ
২১ অক্টোবর ২০২৬

বিসর্জনের সুরে বিদায়বেলা, বিষাদে ভারী পূজামণ্ডপ

দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাতে প্রস্তুত ভক্তরা, বিকেল ৩টার পর শোভাযাত্রা

পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দল বিশৃঙ্খলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: প্রধানমন্ত্রী
২১ অক্টোবর ২০২৬

পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দল বিশৃঙ্খলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: প্রধানমন্ত্রী

সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ আসছে, দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা

ডিসি ৩১ জানুয়ারি আর ডিসেম্বরে প্রথম ইউএনও সম্মেলন
২০ অক্টোবর ২০২৬

ডিসি ৩১ জানুয়ারি আর ডিসেম্বরে প্রথম ইউএনও সম্মেলন

প্রথমবারের মতো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নিয়ে সম্মেলন আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী...

মহানবমীর প্রার্থনায় শান্তি, সম্প্রীতি ও অশুভ শক্তির বিনাশ কামনা
২০ অক্টোবর ২০২৬

মহানবমীর প্রার্থনায় শান্তি, সম্প্রীতি ও অশুভ শক্তির বিনাশ কামনা

দেবী দুর্গার কাছে অশুভ শক্তির বিনাশ, দেশ ও জাতির শান্তি-সমৃদ্ধি এবং সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রীত...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই