ঢাকার ধামরাইয়ে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির অপরাধে এক ডিলার ও এক খুচরা বিক্রেতাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে জব্দ করা সিলিন্ডার সরকার নির্ধারিত মূল্যে স্থানীয় ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে উপজেলার বাথুলী ও বারবাড়িয়া এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন। অভিযানকালে সরকারি মূল্য তালিকার তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত দামে এলপিজি বিক্রি করায় সেলিম এন্টারপ্রাইজ ও আনোয়ার এন্টারপ্রাইজকে এক লাখ টাকা করে মোট দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সাথে বাথুলী এলাকার আনোয়ার এন্টারপ্রাইজের গোডাউনে মজুত রাখা বিপুল পরিমাণ সিলিন্ডার জব্দ করা হয়।
এর আগে একই দিনে সচিবালয়ে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে এক ভার্চ্যুয়ালি বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ মাঠ প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশ দেন। দেশে এলপিজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও কোথাও যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দাম নেওয়া না হয়, তা খতিয়ে দেখতে তিনি ডিসিদের প্রতি আহ্বান জানান। মন্ত্রীর এ নির্দেশনার পর থেকেই মাঠপর্যায়ে তৎপর হয়ে ওঠে প্রশাসন।
এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন বলেন, অতিরিক্ত দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির সুনির্দিষ্ট অপরাধে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাকে মোট দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা সিলিন্ডারগুলো সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৫৮৫ টাকা মূল্যে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করা হয়।
এসি/আপ্র/০১/১০/২০২৬