গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

মেনু

উপহার পছন্দ না হলে যা করতে পারেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:৪০ পিএম, ০৫ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১৩:০১ এএম ২০২৬
উপহার পছন্দ না হলে যা করতে পারেন
ছবি

ছবি সংগৃহীত

উপহার পাওয়া সবসময়ই আনন্দের। কারণ প্রিয় মানুষদের দেওয়া উপহার ভালোবাসা আর যত্নের অনুভূতি দেয়।

তবে সব উপহার প্রয়োজন বা পছন্দের সঙ্গে নাও মিলতে পারে। তাই অনেক সময় আলমারির কোণে জমে থাকে এমন কিছু উপহার যা ব্যবহারও করা হয় না আবার অন্য কাউকে দিতেও দ্বিধা হয়। আর এই দ্বিধার মূল কারণ অপরাধবোধ।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উপহার থেকে মুক্তি পাওয়া মানেই ভালোবাসাকে অস্বীকার করা নয়। বরং নিজের জীবনে প্রয়োজনীয় জায়গা তৈরি হয়।

যে কারণে উপহার নিয়ে অপরাধবোধ হয়

অনেকেই উপহার অন্য কাউকে দিতে পারেন না, কারণ তারা মনে করেন এতে উপহার যে দিয়েছে তার অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে। বিশেষ করে ঘনিষ্ঠজনের দেওয়া উপহার হলে এই অনুভূতি আরো তীব্র হয়।

অনেক সময় উপহারটির সঙ্গে ব্যক্তির স্মৃতি বা ভালোবাসাকে এক করে ফেলা হয়।

আচরণবিধি-বিষয়ক মার্কিন বিশেষজ্ঞ এলাইন সোয়ান রিয়েলসিম্পল ডটকম’য়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলেন, “অন্যের অনুভূতির কথা ভাবা ভালো, তবে নিজের জীবনে অপ্রয়োজনীয় বোঝা তৈরি করাও ঠিক নয়।”

দৃষ্টিভঙ্গি বদলালে সহজ হয়
উপহার নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো খুব জরুরি। উপহারের মূল উদ্দেশ্য হল- দেওয়া এবং গ্রহণের আনন্দ। এরপর সেই জিনিসটি ব্যবহার করা বা না করা- সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়। এই উপলব্ধি অপরাধবোধ কমাতে সাহায্য করে।

যেভাবে উপহার থেকে মুক্তি মিলবে
অপ্রয়োজনীয় বা উপহার পছন্দ না হলে সবচেয়ে সহজ উপায় হল- সেটি বদলে নেওয়া। নতুন কেনা জিনিস হলে অনেক সময় সেটা দোকানে ফেরত দেওয়া বা অন্য কিছুর সঙ্গে বদলানো যায়।

এতে উপহারটি নষ্ট হয় না এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা সম্ভব হয়।

আরেকটি উপায় হল- অন্য কাউকে উপহার দেওয়া। এমন কাউকে দিতে হবে যে সত্যিই জিনিসটি পছন্দ করবে।

একই পরিচিত মহলে কাউকে দেওয়া থেকে বিরত থাকাই ভালো, যাতে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়।

যদি উপহারটি একেবারেই কাজে না লাগে, তাহলে ব্যবহারের জন্য অন্য কাউকে দিলে জিনিসটি অন্য কারো কাজে লাগবে এবং নিজের ঘরও গুছানো থাকবে।

আবার অনলাইন পেইজে বিক্রি করেও এর ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়।

যেসব উপহার রাখা প্রয়োজন
সব উপহার ফেলে দেওয়া বা সরিয়ে দেওয়া যায় না। কিছু উপহার আবেগের কারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। যেমন- পরিবারের পুরানো স্মৃতিচিহ্ন বা প্রিয়জনের হাতে তৈরি কিছু।

উপহার সংরক্ষণ করার জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা যেতে পারে। ছোট আকারের জিনিস হলে সেগুলো আলাদা বাক্সে রেখে দেওয়া যেতে পারে, যাতে জায়গা বেশি না নেয়।

নতুনভাবে ব্যবহার করার কৌশল
অনেক উপহারই একটু ভিন্নভাবে ব্যবহার করলে কাজে লাগানো যায়। যেমন- চায়ের সেট ব্যবহার না করলে সেটিকে ফুল রাখার পাত্র হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

কাপ বা ছোট পাত্রগুলো অন্য কাজে লাগানো সম্ভব।

শাড়ি ভালো না লাগলে, সেটা দিয়ে অন্য স্টাইলের পোশাক তৈরি কিরা যায়।

এসি/আপ্র/০৫/০৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ফলের ফেলে দেওয়া অংশ যেসব কাজে লাগাতে পারেন
২৩ মে ২০২৬

ফলের ফেলে দেওয়া অংশ যেসব কাজে লাগাতে পারেন

গ্রীষ্মকাল হলো ফলের মৌসুম। আমরা প্রায় সবাই ফল খেলেও এর খোসা কিংবা বীজ ফেলে দিই। কিন্তু আপনি কি জানেন...

বাড়িতে বানান মজাদার ডেজার্ট, ম্যাঙ্গো চিজ কেক
২২ মে ২০২৬

বাড়িতে বানান মজাদার ডেজার্ট, ম্যাঙ্গো চিজ কেক

এখন আমের মৌসুম চলছে, বাজারে সহজেই পাওয়া যাচ্ছে আম। এই মৌসুমে আম দিয়ে নানা ধরনের পদ তৈরি করা যায়। একট...

এসির বাতাসে ত্বকে পড়ছে বার্ধক্যের ছাপ, যা করবেন
২১ মে ২০২৬

এসির বাতাসে ত্বকে পড়ছে বার্ধক্যের ছাপ, যা করবেন

দিনের বড় একটি সময় এখন কাটে অফিসে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে কাজ করার ফলে অনেকেই এখন...

জানুন কাবাব তৈরির সবচেয়ে সহজ রেসিপি
২১ মে ২০২৬

জানুন কাবাব তৈরির সবচেয়ে সহজ রেসিপি

কাবাব খেতে সবাই পছন্দ করলেও এটি তৈরির রেসিপি সবাই জানেন না। পদ্ধতি কঠিন মনে করে অনেকেই এড়িয়ে যান। আস...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের অভিযোগপত্র ও দ্রুত বিচার

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত করে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেওয়া হবে এবং সরকারের পক্ষ থেকে এর দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে। আপনি কি মনে করেন -মন্ত্রীর আশ্বাস অনুযায়ী সব ঠিকঠাক হবে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 ঘন্টা আগে