গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

মানুষের বেঁচে থাকার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি স্পর্শ

লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:১৪ পিএম, ৩১ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৩:৫১ এএম ২০২৬
মানুষের বেঁচে থাকার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি স্পর্শ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

মানুষের অস্তিত্বের সঙ্গে স্পর্শ গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। জন্মের পর মাতৃক্রোড়ে শিশুর প্রথম আশ্রয় থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটি ধাপে স্পর্শ কেবল অনুভূতি নয়, বরং বেঁচে থাকার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। অনেক কষ্টের মুহূর্তে বা কান্নার মুহূর্তে কেউ জড়িয়ে ধরলে বা কাঁধে হাত রাখলে ভালো লাগে, আস্থা পাওয়া যায়।

বিজ্ঞানের চোখে স্পর্শের গুরুত্ব: স্পর্শ শুধু একটি অনুভূতি নয়, আমাদের বেঁচে থাকার অন্যতম প্রধান মাধ্যম। জন্মের পর মায়ের শরীরের উষ্ণ স্পর্শ শিশুর শরীরের তাপমাত্রা, হৃৎস্পন্দন ও শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, যেসব শিশু পর্যাপ্ত স্পর্শ পায় না, তাদের শারীরিক বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। কারও সঙ্গে হাত মেলানো বা আলিঙ্গন করার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরে অক্সিটোসিন বা ভালোবাসার হরমোন নিঃসৃত হয়। এটি মানসিক চাপ কমায় এবং মানুষের প্রতি বিশ্বাস ও আত্মিক বন্ধন দৃঢ় করে।

ছোঁয়ার অভাবে অসুখ: আমরা যখন দীর্ঘদিন মানবিক সান্নিধ্য বা স্পর্শ থেকে বঞ্চিত থাকি, তখন শরীর ও মনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে। পর্যাপ্ত স্পর্শের অভাব আমাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল করে দিতে পারে। ফলে স্পর্শবঞ্চিত মানুষ ছোঁয়াচে রোগে বেশি আক্রান্ত হন। নিয়মিত আলিঙ্গন বা স্পর্শ রক্তচাপ কমাতে এবং হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাজীবনে স্পর্শের প্রভাব: আশ্চর্যজনক হলেও সত্য, একটি সাধারণ পিঠ চাপড়ানো বা করমর্দন আমাদের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দিতে পারে। যেসব দলের খেলোয়াড়রা একে অন্যকে বেশি হাই-ফাইভ দেন বা আলিঙ্গন করেন, তাদের জয়ের হার অন্যদের চেয়ে বেশি। ক্লাসরুমে শিক্ষক যদি কোনো শিক্ষার্থীর কাঁধে হাত রেখে উৎসাহ দেন, তাহলে সেই শিক্ষার্থীর শেখার আগ্রহ ও আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে যায়। এমনকি রেস্টুরেন্টে ওয়েটার যদি খদ্দেরের কাঁধে আলতো করে হাত রেখে কথা বলেন, তবে খদ্দের খুশি হয়ে বেশি বকশিশ দেয় বলে গবেষণায় প্রমাণিত।

স্পর্শ হলো হৃদয়ের ভাষা- যা শব্দের চেয়ে শক্তিশালী। এটি আমাদের সুরক্ষা দেয়, সাহস জোগায় এবং সুস্থ রাখে। তবে মনে রাখা জরুরি, স্পর্শের ক্ষেত্রে ‘সম্মতি’ বা কনসেন্ট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যখন কাউকে পরম মমতায় জড়িয়ে ধরছেন, তখন তা যেন শুধু ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হয়। স্পর্শ কোনো বিলাসিতা নয়, মানুষের মৌলিক মনস্তাত্ত্বিক প্রয়োজন। প্রযুক্তি-

কেএমএএ/আপ্র/৩১.০৮.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

অবিবাহিতদের ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি, বলছে গবেষণা
১৬ অক্টোবর ২০২৬

অবিবাহিতদের ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি, বলছে গবেষণা

বিয়ে না করার সঙ্গে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির কোনো সম্পর্ক আছে কি? নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে...

আজ খিটখিটে মেজাজ দিবস, গোমড়ামুখোদের জন্য বিশেষ দিন
১৫ অক্টোবর ২০২৬

আজ খিটখিটে মেজাজ দিবস, গোমড়ামুখোদের জন্য বিশেষ দিন

সব সময় হাসিখুশি থাকা কি সম্ভব? কাজের চাপ, ক্লান্তি কিংবা মনের অশান্তিতে কখনো কখনো বিরক্তি প্রকাশ পেত...

বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস আজ, পরিচ্ছন্নতায় কমবে সংক্রমণের ঝুঁকি
১৫ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস আজ, পরিচ্ছন্নতায় কমবে সংক্রমণের ঝুঁকি

প্রতিদিনের ছোট্ট একটি অভ্যাস কমাতে পারে নানা রোগের ঝুঁকি। অভ্যাসটি হলো সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে সঠ...

খালি পেটে শিঙাড়া খেলে বাড়তে পারে যেসব শারীরিক সমস্যা
১৫ অক্টোবর ২০২৬

খালি পেটে শিঙাড়া খেলে বাড়তে পারে যেসব শারীরিক সমস্যা

আমাদের পছন্দের নাশতার তালিকায় শিঙাড়া বেশ জনপ্রিয়। চায়ের সঙ্গে শিঙাড়া খেতে ভালোবাসেন অনেকেই। দাম তুলন...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পরিচয় যা-ই হোক, চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজ, ভূমি দখলবাজ ও মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন- কমিশনার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা তা বাস্তবে তা করতে পারবেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে