গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই, তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:৫৮ পিএম, ৩১ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১২:২৩ এএম ২০২৬
চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই, তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ঢাকার কেরাণীগঞ্জে অটোরিকশাচালক জুয়েলকে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ছিনতাই করা অটোরিকশা জেনেও কম দামে কেনার দায়ে এক গ্যারেজ মালিককে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার অষ্টম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ মুনির হোসাঈন এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজুল ইসলাম সজিব এ তথ্য জানিয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন আলী হোসেন, লুৎফর রহমান ও হাসান। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরো এক বছর করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

এ ছাড়া ছিনতাইয়ের অপরাধে ওই তিন আসামিকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরো তিন মাস করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

ছিনতাই করা অটোরিকশা জেনেও কম মূল্যে কেনার দায়ে গ্যারেজ মালিক আহমদুর রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তিনি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

আদালত অর্থদণ্ডের মধ্যে ১৫ লাখ টাকা নিহত জুয়েলের পরিবার ও সন্তানদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

রায় ঘোষণার আগে আলী হোসেন, লুৎফর রহমান ও হাসানকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

যেভাবে হত্যা করা হয় জুয়েলকে: মামলার অভিযোগ ও আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৫ অক্টোবর বিকেলে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন জুয়েল। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আসামিরা কেরাণীগঞ্জের রুহিতপুর বাজারে অবস্থান নেন। সেখান থেকে আলী হোসেন ও লুৎফর রহমান যাত্রীবেশে জুয়েলের অটোরিকশা ভাড়া করেন।

তারা ভাষানচর কাঠবাগানের দিকে যাওয়ার পর সেখানে হাসান ও এক কিশোর তাদের সঙ্গে যোগ দেয়। কিশোরটি অটোরিকশায় বসে থাকে। এ সময় আসামিরা জুয়েলের হাত-পা-মুখ চেপে ধরে ধইঞ্চা ক্ষেতে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে তার মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যান।

জুয়েল বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে ধইঞ্চা ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জুয়েলের বোন সাবিনা কেরাণীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন।

তদন্ত শেষে ২০২১ সালে আলী হোসেন, লুৎফর রহমান, হাসান ও আরো একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র এবং ওই কিশোরের বিরুদ্ধে দোষীপত্র দেন কেরাণীগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক মাহমুদ আলম।

২০২২ সালের ২৮ জুলাই মামলাটির বিচার শুরু হয়। ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে সোমবার রায় ঘোষণা করেন আদালত।
সানা/আপ্র/৩১/৮/২০২৬ 
 

সংশ্লিষ্ট খবর

গুলশানের রেস্ট হাউসে অভিযান, ২৪৪ লিটার অবৈধ মদ-বিয়ার জব্দ
১৬ অক্টোবর ২০২৬

গুলশানের রেস্ট হাউসে অভিযান, ২৪৪ লিটার অবৈধ মদ-বিয়ার জব্দ

রাজধানীর গুলশান-২ নম্বর এলাকার একটি রেস্ট হাউসে অভিযান চালিয়ে ২৪৪ লিটার অবৈধ বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ...

যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫
১৫ অক্টোবর ২০২৬

যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে...

প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে আবেদপুত্র সিয়ামের ৪ বছরের কারাদণ্ড
১৫ অক্টোবর ২০২৬

প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে আবেদপুত্র সিয়ামের ৪ বছরের কারাদণ্ড

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অবসরপ্রাপ্ত গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আল...

রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালি, আয়াসের জামিন শুনানিতে আইনজীবীদের হাতাহাতি
১৪ অক্টোবর ২০২৬

রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালি, আয়াসের জামিন শুনানিতে আইনজীবীদের হাতাহাতি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আল-নূর...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পরিচয় যা-ই হোক, চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজ, ভূমি দখলবাজ ও মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন- কমিশনার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা তা বাস্তবে তা করতে পারবেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 দিন আগে