গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬

মেনু

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৩৫ পিএম, ০৯ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৫:৪০ এএম ২০২৬
শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে
ছবি

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুন দম্পতি -ফাইল ছবি

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি (ডেথ রেফারেন্স) হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন সই করার পর ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ জানান, মামলার ৬৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় এবং ৩ পৃষ্ঠার ডেথ রেফারেন্সসহ মোট ৭২ পৃষ্ঠার নথি উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, অধস্তন আদালতের দেওয়া কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। এ জন্য বিচারিক আদালত মামলার নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠায়, যা ‘ডেথ রেফারেন্স’ নামে পরিচিত। হাইকোর্ট ডেথ রেফারেন্স শুনানির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড বহাল, সংশোধন বা বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন।

এর আগে গত ৭ জুন রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের পর দুই আসামিকে কনডেম সেলে পাঠানো হয়।

রায়ে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না খাতুনকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। আদালত নির্দেশ দেন, অর্থদণ্ডের অর্থ ভিকটিম রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীরা পাবেন। অর্থদণ্ড পরিশোধ না করলে আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলোামে বিক্রি করে সেই অর্থ ভিকটিমের পরিবারকে দিতে হবে।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ওই দিনই শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২৪ মে দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

১ জুন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। ২ জুন মামলার ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়। ৩ জুন আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি এবং ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হয়।

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, মাত্র ৫ কার্যদিবসে বিচারকাজ সম্পন্ন করে আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে, যা দেশের বিচারিক ইতিহাসে অন্যতম দ্রুততম বিচার প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সানা/আপ্র/৯/৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে: আইনমন্ত্রী
২৫ জুলাই ২০২৬

বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে: আইনমন্ত্রী

দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন...

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের রায়ে চাকরি ফিরে পেলেন ‘টিপকাণ্ডের’ কনস্টেবল
২৪ জুলাই ২০২৬

প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের রায়ে চাকরি ফিরে পেলেন ‘টিপকাণ্ডের’ কনস্টেবল

রাজধানীর ফার্মগেটে ২০২২ সালে ‘টিপকাণ্ড’ হিসেবে আলোচিত ঘটনায় চাকরিচ্যুত পুলিশ কনস্টেবল নাজমুল তারেক প...

হাইকোর্টের নতুন রেকর্ড একদিনে ৭৮৫৩ ‘ক্রিমিনাল মিস’ মামলা নিষ্পত্তি
২৩ জুলাই ২০২৬

হাইকোর্টের নতুন রেকর্ড একদিনে ৭৮৫৩ ‘ক্রিমিনাল মিস’ মামলা নিষ্পত্তি

একদিনেই ৭ হাজার ৮৫৩টি পুরোনো ‘ক্রিমিনাল মিস’ মামলা নিষ্পত্তি করে নতুন রেকর্ড গড়েছে হাইকোর্টের ১০টি ক...

শিশু ঝুমুর ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একমাত্র আসামির মৃত্যুদণ্ড
২৩ জুলাই ২০২৬

শিশু ঝুমুর ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একমাত্র আসামির মৃত্যুদণ্ড

কুমিল্লায় ৯ বছরের শিশু তানজিম সুলতানা ঝুমুরকে ধর্ষণের পর হত্যার বহুল আলোচিত মামলায় মফিজুল ইসলাম মফু...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

সাহাবুদ্দিন বর্তমান সরকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন

গুরুতর স্বাস্থ্যগত কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেও মো. সাহাবুদ্দিন বর্তমান নির্বাচিত সরকারের প্রতি সবসময় সমর্থন ও শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন স্পিকার ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে