গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

মেনু

রামিসার ধর্ষক ও হত্যাকারী সোহেলের পক্ষে মামলা লড়বেন না ঢাকা বারের কোনো আইনজীবী

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:১৯ পিএম, ২২ মে ২০২৬ | আপডেট: ২২:২৩ এএম ২০২৬
রামিসার ধর্ষক ও হত্যাকারী সোহেলের পক্ষে মামলা লড়বেন না ঢাকা বারের কোনো আইনজীবী
ছবি

ছবি সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী শিশু রামিসা আক্তার (৭) হত্যাকাণ্ডে উত্তাল পুরো দেশ। এই হত্যা মামলায় আসামির পক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির কোনো আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন না বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কালাম খান।

শুক্রবার (২২ মে) সকালে নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি পোস্টে বলেন, ঢাকা বারের কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা বারের কোনো বিজ্ঞ আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলার আসামির পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন না।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। এক পর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি।

ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান।

ঘটনাস্থলে স্বপ্নাকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায়, তার স্বামী রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে ধর্ষণ করে এবং গলা কেটে হত্যা করে। রামিসার মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে তার মাথা কাটে। 

এছাড়া যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এরপর জানালার গ্রিল কেটে সোহেল রানা পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ও অজ্ঞাত আরো একজনকে আসামি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। সোহেল আত্মগোপনে চলে গেলেও সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

আদালত সূত্র জানায়, সোহেল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছে। তবে অজ্ঞাত আসামি এখনো পলাতক রয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন।

শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দ্রুত সেখানে গেলেও তার আগেই সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়। 

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে এরই মধ্যে শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার (২০ মে) রাত ৯টার দিকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানের ইছাপুরের মধ্যম শিয়ালদী গ্রামে এশার নামাজ শেষে তার জানাজা সম্পন্ন হয়।

এসি/আপ্র/২২/০৫/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ায় আওয়ামী লীগ–সমর্থক আইনজীবীদের প্রতিবাদী গান
২২ মে ২০২৬

নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ায় আওয়ামী লীগ–সমর্থক আইনজীবীদের প্রতিবাদী গান

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে অংশ নিতে না পেরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগ–সমর্থক আই...

খেলাপি ঋণ পরিশোধ না করায় এস আলমের ৫ মাসের দেওয়ানি সাজা
২১ মে ২০২৬

খেলাপি ঋণ পরিশোধ না করায় এস আলমের ৫ মাসের দেওয়ানি সাজা

ইসলামী ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ৮৪ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ পরিশোধ না করায় চট্টগ্রামভিত্তিক আলোচিত শিল্পগোষ্ঠী...

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তিতে আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা
২১ মে ২০২৬

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তিতে আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে বিচারকদের আইন মন্ত্রণালয়ে ফিরিয়ে নেওয়ার সরকারি পদক্ষেপকে আদালত অবম...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই