গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

মানুষের তৈরি সবচেয়ে ব্যয়বহুল বস্তু মহাকাশ স্টেশন

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:৫২ পিএম, ০৫ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২২:০০ এএম ২০২৬
মানুষের তৈরি সবচেয়ে ব্যয়বহুল বস্তু মহাকাশ স্টেশন
ছবি

প্রতিটি রকেট উৎক্ষেপণই অনেক ব্যয়বহুল -ছবি রয়টার্স

মানুষের তৈরি সবচেয়ে ব্যয়বহুল বস্তু পৃথিবীর বুকে নয়, ভাসছে মহাকাশে-আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন। আধুনিক বিজ্ঞানের এই অনন্য স্থাপনা শুধু প্রযুক্তিগত বিস্ময়ই নয়, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অনুযায়ী এটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল মানবনির্মিত বস্তু হিসেবেও বিবেচিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার বহু দেশের বার্ষিক জিডিপির চেয়েও বেশি অর্থ ব্যয় হয়েছে এই স্টেশন নির্মাণ ও পরিচালনায়। বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, এর মোট উন্নয়ন ও নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১১ হাজার ৭০০ কোটি থেকে ১৫ হাজার কোটি ডলারের মধ্যে।

ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত এই মহাকাশ স্টেশন ২০০০ সালের শেষ দিকে প্রথমবারের মতো নভোচারীদের বসবাসের জন্য চালু হয়। তখন থেকে এটি মহাকাশ গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, শুরুতে এই প্রকল্পের ব্যয় কয়েক শ কোটি ডলারের মধ্যে সীমিত থাকবে বলে ধারণা করা হলেও পরবর্তীতে নকশা পরিবর্তন, প্রযুক্তিগত জটিলতা ও একাধিকবার পুনর্গঠনের কারণে খরচ বহুগুণ বেড়ে যায়।

শুধু নির্মাণ নয়, এই স্টেশনের বার্ষিক পরিচালন ব্যয়ও অত্যন্ত বেশি। বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, প্রতি বছর প্রায় ৩২০ কোটি থেকে ৪০০ কোটি ডলার পর্যন্ত ব্যয় হয় এর রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রকেট উৎক্ষেপণ, সরঞ্জাম পরিবহন এবং নভোচারী পাঠানোর খরচই এই ব্যয়ের বড় অংশ। অতীতের হিসাব অনুযায়ী, একটি আসনেই নভোচারী পাঠাতে কোটি কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকল্পে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের প্রযুক্তিগত সমন্বয়, বারবার নকশা পরিবর্তন এবং সময়ক্ষেপণ ব্যয় বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ ছিল।

বর্তমানে পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই মহাকাশ স্টেশনটি আগামী দশকের মধ্যে অবসরে যাবে এবং সেটিকে নিরাপদভাবে ধ্বংস বা সরিয়ে ফেলার জন্যও বিপুল ব্যয় ধরা হয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে গ্যাস প্ল্যান্ট, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক-যেগুলোও হাজার হাজার কোটি ডলারের প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত।
সানা/ডিসি/আপ্র/৫/৭/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, সিজেপির দুই নেতা পাঁচ দিনের হেফাজতে
১৪ অক্টোবর ২০২৬

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, সিজেপির দুই নেতা পাঁচ দিনের হেফাজতে

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ প্রদর্শনের ঘটনায় গ্রেফতার ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি...

ফুসফুসের ক্যানসার নিয়ে অস্ত্রোপচারের খবরে পোপকে ঘিরে উদ্বেগ
১৪ অক্টোবর ২০২৬

ফুসফুসের ক্যানসার নিয়ে অস্ত্রোপচারের খবরে পোপকে ঘিরে উদ্বেগ

ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ চতুর্দশ লিওর ফুসফুসে ক্যানসার শনাক্ত এবং অস্ত্রোপচারের...

১৫ বছরে চাকরি পাবে না ৮০ কোটি তরুণ, ইউএনডিপির সতর্কর্তা
১৪ অক্টোবর ২০২৬

১৫ বছরে চাকরি পাবে না ৮০ কোটি তরুণ, ইউএনডিপির সতর্কর্তা

আগামী ১৫ বছরে উন্নয়নশীল দেশগুলোর শ্রমবাজারে প্রবেশ করতে যাওয়া প্রায় ১২০ কোটি তরুণের মধ্যে ৮০ কোটিই ক...

কলোনিতে আড়াই মাস পানিসংকট, জাতিসংঘে তৃণমূল নেতার চিঠি
১৪ অক্টোবর ২০২৬

কলোনিতে আড়াই মাস পানিসংকট, জাতিসংঘে তৃণমূল নেতার চিঠি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার জ্যোতিনগর কলোনিতে দুই মাসের বেশি সময় ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকার অভিযোগ উ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পরিচয় যা-ই হোক, চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজ, ভূমি দখলবাজ ও মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন- কমিশনার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা তা বাস্তবে তা করতে পারবেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 22 ঘন্টা আগে