গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

মেনু

সপ্তাহে ১৮ ঘণ্টারও বেশি সময় কেড়ে নিচ্ছে সামাজিক মাধ্যম

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:২১ পিএম, ০৫ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৮:৪৫ এএম ২০২৬
সপ্তাহে ১৮ ঘণ্টারও বেশি সময় কেড়ে নিচ্ছে সামাজিক মাধ্যম
ছবি

ছবি সংগৃহীত

সামাজিক মাধ্যম এখন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে এই নির্ভরশীলতার মূল্যও কম নয়। নতুন এক বৈশ্বিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, একজন সক্রিয় ব্যবহারকারী সামাজিক মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ ঘণ্টা ৩৯ মিনিট সময় ব্যয় করেন। ওই হিসাবে বছরে এক হাজার ঘণ্টারও বেশি। অর্থাৎ প্রায় ৪০টি পুরো দিন কেবল স্ক্রিন স্ক্রল করেই কেটে যাচ্ছে।

ডেটারিপোর্টালের ‘ডিজিটাল ২০২৬ গ্লোবাল ওভারভিউ রিপোর্ট’ অনুযায়ী বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৫৬৬ কোটি মানুষের অন্তত একটি সামাজিক মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট রয়েছে- যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি। ২০০৫ সালে এই সংখ্যা ছিল ৫০ কোটিরও কম। এক দশক পরে ২০১৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২২৭ কোটিতে। বিশ্লেষকদের মতে, সাশ্রয়ী স্মার্টফোন ও সহজলভ্য ইন্টারনেটের কারণে এই প্রবৃদ্ধি দ্রুত ঘটেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিদিনের আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় খুব বেশি মনে না হলেও সপ্তাহ শেষে তা ১৮ ঘণ্টারও বেশি হয়ে যায়। আর বছরের হিসাবে ওই সময় দাঁড়ায় ৪০ দিনের বেশি। গবেষকদের মতে, এত দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে ব্যয় করার ফলে মানুষের উৎপাদনশীলতা, মনোযোগ, ঘুমের মান এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

অঞ্চলভেদে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের হার কিছুটা ভিন্ন হলেও এর প্রভাব বিশ্বজুড়েই স্পষ্ট। পূর্ব এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি, যেখানে মোট জনসংখ্যার ৮৮ শতাংশেরও বেশি মানুষ নিয়মিত সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে। এর পরের অবস্থানে রয়েছে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মে থাকা রিলস ও স্বল্পদৈর্ঘ্যরে ভিডিও ব্যবহারকারীদের দীর্ঘ সময় ধরে স্ক্রিনে আটকে রাখছে। একটির পর একটি ভিডিও দেখার প্রবণতা অনেক ক্ষেত্রে অজান্তেই আসক্তিতে রূপ নিচ্ছে। এই পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি করেছে শিশু ও কিশোরদের ক্ষেত্রে।

বিশ্বে প্রথম দেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল ও তুরস্ক। অন্যদিকে যুক্তরাজ্য সরকারও আগামী বছর থেকে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি এর ব্যবহারেও ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। অন্যথায় প্রতিদিনের কয়েক ঘণ্টার স্ক্রিন টাইম অজান্তেই জীবনের মূল্যবান সময় কেড়ে নিতে পারে।

কেএমএএ/আপ্র/০৫.০৭.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

২০২৭ সালের আগস্টে ৬ মিনিট অন্ধকারে থাকবে কিছু অঞ্চল
২০ আগস্ট ২০২৬

২০২৭ সালের আগস্টে ৬ মিনিট অন্ধকারে থাকবে কিছু অঞ্চল

২০২৭ সালের আগস্টে ৬ মিনিট অন্ধকারে থাকবে কিছু অঞ্চল২০২৭ সালের ২ আগস্ট এক বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণে...

আগামী সপ্তাহ থেকে ইউটিউবের ভিডিওতে বাড়বে ভিউ
১৯ আগস্ট ২০২৬

আগামী সপ্তাহ থেকে ইউটিউবের ভিডিওতে বাড়বে ভিউ

ভিডিও দেখার হিসাব পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আনছে ইউটিউব। আগামী ২৪ আগস্ট থেকে বিশ্বজুড়ে প্ল্যাটফর্মটির সাধ...

বড়রা পারেনি, এআই ব্যবহারের নীতি বানালো কিশোরেরাই
১৯ আগস্ট ২০২৬

বড়রা পারেনি, এআই ব্যবহারের নীতি বানালো কিশোরেরাই

যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে এখনো নির্দিষ...

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে চাকরি বাঁচানোর লড়াই চীনে
১৭ আগস্ট ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে চাকরি বাঁচানোর লড়াই চীনে

চীনে দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। চালকবিহীন ট্যাক্সি থেকে চলচ্চিত্র নির্মাণ-বিভিন্ন খাতে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ শতাংশ, সরকারের প্রতি ৫৪ শতাংশ

সরকারের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে পরিচালিত এক জনমত জরিপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব পালনে ৬৬ দশমিক ৩০ শতাংশ উত্তরদাতা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, প্রধানমন্ত্রী ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে সরকারের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন ৫৪ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ। সরকারের কর্মকাণ্ডকে খারাপ বলেছেন ৩২ দশমিক ৯০ শতাংশ। ডপলার অপিনিয়ন রিসার্চের ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং সার্ভে ২০২৬’-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই জরিপে সরকারের সঠিক মূল্যায়ন হয়েছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 18 ঘন্টা আগে