গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

কাঁঠাল দিয়ে তৈরি হচ্ছে সিঙ্গারা-সমুচা-কাবাব, বাড়ছে রপ্তানির সম্ভাবনা: কৃষিমন্ত্রী

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:১১ পিএম, ১৮ জুন ২০২৬ | আপডেট: ০০:২১ এএম ২০২৬
কাঁঠাল দিয়ে তৈরি হচ্ছে সিঙ্গারা-সমুচা-কাবাব, বাড়ছে রপ্তানির সম্ভাবনা: কৃষিমন্ত্রী
ছবি

ছবি সংগৃহীত

দেশীয় ফল কাঁঠালের বহুমুখী ব্যবহার বাড়াতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, কাঁঠাল দিয়ে সিঙ্গারা, সমুচা, কাবাবসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য তৈরি করা হচ্ছে, যেগুলোর পুষ্টিগুণও অনেক বেশি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) প্রাঙ্গণে জাতীয় ফল মেলা-২০২৬-এর উদ্বোধনের পর বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে ফল উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। একসময় যেসব ফল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো, বর্তমানে সেগুলোর অনেকই দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। ফলে আমদানিনির্ভরতা কমেছে এবং ভবিষ্যতে আরও কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি জানান, ফল মেলায় দেশীয় মৌসুমি ফলের পাশাপাশি বর্তমানে কম দেখা যায় এমন নানা ধরনের ফলও প্রদর্শিত হচ্ছে। বিদেশি অনেক ফল এখন বাংলাদেশেই সফলভাবে উৎপাদিত হচ্ছে।

ড্রাগন ফলের উদাহরণ দিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, কয়েক বছর আগেও এ ফল আমদানি করা হতো। এখন বাংলাদেশে উৎপাদিত ড্রাগন ফল শুধু দেশীয় চাহিদা পূরণই করছে না, ভবিষ্যতে রপ্তানিরও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তার ভাষ্য, বাংলাদেশের আবহাওয়ায় উৎপাদিত ড্রাগন ফল বিদেশি ফলের তুলনায় বেশি সুস্বাদু ও মিষ্টি।

কাঁঠালভিত্তিক খাদ্যপণ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণে আগ্রহ দেখাচ্ছে। সরকারও স্থানীয় পর্যায়ে এসব পণ্যের উন্নয়ন ও বাণিজ্যিক উৎপাদনে উৎসাহ দিচ্ছে।

মন্ত্রী আরো জানান, দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ ও মূল্য সংযোজন কার্যক্রমে যুক্ত হচ্ছেন। ইতোমধ্যে আম, আনারস ও কাঁঠাল রপ্তানি শুরু হয়েছে। চলতি বছর কাঁঠাল রপ্তানি আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে চীনের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে ফল বাংলাদেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় রপ্তানি পণ্যে পরিণত হবে বলে সরকার আশাবাদী।

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষিখাতের বরাদ্দ কমানো হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষির বরাদ্দ কমেনি; বরং গত অর্থবছরের তুলনায় ১০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া প্রণোদনা ও উন্নয়ন বাজেটও রয়েছে। তার মতে, কৃষিকে কেন্দ্র করেই সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয় ফল মেলা-২০২৬-এ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মৌসুমি ও অপ্রচলিত ফলের পাশাপাশি ফলভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। মেলায় কৃষক, উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।

এসি/আপ্র/১৮/০৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ইউটিউব দেখে আনারকলি চাষ, ১০ লাখ টাকা আয়ের আশা
১৪ অক্টোবর ২০২৬

ইউটিউব দেখে আনারকলি চাষ, ১০ লাখ টাকা আয়ের আশা

সবজি চাষে বারবার লোকসানের মুখে পড়ে নতুন সম্ভাবনার খোঁজে ইউটিউবের সহায়তা নেন মেহেরপুরের তরুণ কৃষি উদ্...

মানববসতি ও নদীভাঙনে বছরে হারাচ্ছে ৮০ হাজার হেক্টর কৃষিজমি
১১ অক্টোবর ২০২৬

মানববসতি ও নদীভাঙনে বছরে হারাচ্ছে ৮০ হাজার হেক্টর কৃষিজমি

দেশে নগরায়ণ বৃদ্ধির সঙ্গে আবাসন, সড়ক, শিল্প ও অন্যান্য অবকাঠামোর চাহিদাও বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে জলবা...

খাদ্য নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা
১১ অক্টোবর ২০২৬

খাদ্য নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা

কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানি নিশ্চিতে সারা দেশে ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা তৈরীর উদ্যোগ নিয়েছে সর...

ঔষধি গাছ চাষে কৃষকের আয় বৃদ্ধিসহ শক্তিশালী করবে অর্থনীতি
১১ অক্টোবর ২০২৬

ঔষধি গাছ চাষে কৃষকের আয় বৃদ্ধিসহ শক্তিশালী করবে অর্থনীতি

বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি এখনো অনেকটাই কৃষিনির্ভর। গ্রামের মানুষের আয়, জীবিকা ও কর্মসংস্থানের সঙ্গ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পরিচয় যা-ই হোক, চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজ, ভূমি দখলবাজ ও মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন- কমিশনার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা তা বাস্তবে তা করতে পারবেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে