গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬

মেনু

কাঁঠাল দিয়ে তৈরি হচ্ছে সিঙ্গারা-সমুচা-কাবাব, বাড়ছে রপ্তানির সম্ভাবনা: কৃষিমন্ত্রী

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:১১ পিএম, ১৮ জুন ২০২৬ | আপডেট: ০৬:২৮ এএম ২০২৬
কাঁঠাল দিয়ে তৈরি হচ্ছে সিঙ্গারা-সমুচা-কাবাব, বাড়ছে রপ্তানির সম্ভাবনা: কৃষিমন্ত্রী
ছবি

ছবি সংগৃহীত

দেশীয় ফল কাঁঠালের বহুমুখী ব্যবহার বাড়াতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, কাঁঠাল দিয়ে সিঙ্গারা, সমুচা, কাবাবসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য তৈরি করা হচ্ছে, যেগুলোর পুষ্টিগুণও অনেক বেশি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) প্রাঙ্গণে জাতীয় ফল মেলা-২০২৬-এর উদ্বোধনের পর বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে ফল উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। একসময় যেসব ফল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো, বর্তমানে সেগুলোর অনেকই দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। ফলে আমদানিনির্ভরতা কমেছে এবং ভবিষ্যতে আরও কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি জানান, ফল মেলায় দেশীয় মৌসুমি ফলের পাশাপাশি বর্তমানে কম দেখা যায় এমন নানা ধরনের ফলও প্রদর্শিত হচ্ছে। বিদেশি অনেক ফল এখন বাংলাদেশেই সফলভাবে উৎপাদিত হচ্ছে।

ড্রাগন ফলের উদাহরণ দিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, কয়েক বছর আগেও এ ফল আমদানি করা হতো। এখন বাংলাদেশে উৎপাদিত ড্রাগন ফল শুধু দেশীয় চাহিদা পূরণই করছে না, ভবিষ্যতে রপ্তানিরও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তার ভাষ্য, বাংলাদেশের আবহাওয়ায় উৎপাদিত ড্রাগন ফল বিদেশি ফলের তুলনায় বেশি সুস্বাদু ও মিষ্টি।

কাঁঠালভিত্তিক খাদ্যপণ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণে আগ্রহ দেখাচ্ছে। সরকারও স্থানীয় পর্যায়ে এসব পণ্যের উন্নয়ন ও বাণিজ্যিক উৎপাদনে উৎসাহ দিচ্ছে।

মন্ত্রী আরো জানান, দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ ও মূল্য সংযোজন কার্যক্রমে যুক্ত হচ্ছেন। ইতোমধ্যে আম, আনারস ও কাঁঠাল রপ্তানি শুরু হয়েছে। চলতি বছর কাঁঠাল রপ্তানি আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে চীনের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে ফল বাংলাদেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় রপ্তানি পণ্যে পরিণত হবে বলে সরকার আশাবাদী।

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষিখাতের বরাদ্দ কমানো হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষির বরাদ্দ কমেনি; বরং গত অর্থবছরের তুলনায় ১০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া প্রণোদনা ও উন্নয়ন বাজেটও রয়েছে। তার মতে, কৃষিকে কেন্দ্র করেই সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয় ফল মেলা-২০২৬-এ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মৌসুমি ও অপ্রচলিত ফলের পাশাপাশি ফলভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। মেলায় কৃষক, উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।

এসি/আপ্র/১৮/০৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

টেকনাফে বাস থামিয়ে গুলি, বিকাশ কর্মীর ৫৭ লাখ টাকা লুট
০২ আগস্ট ২০২৬

টেকনাফে বাস থামিয়ে গুলি, বিকাশ কর্মীর ৫৭ লাখ টাকা লুট

কক্সবাজারের টেকনাফে দিনদুপুরে যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা গুলি ও ছুরিকাঘাত করে বিকা...

দেশের অধিকাংশ কৃষক এখনো মাটি পরীক্ষার সুযোগবঞ্চিত
০২ আগস্ট ২০২৬

দেশের অধিকাংশ কৃষক এখনো মাটি পরীক্ষার সুযোগবঞ্চিত

মাটি একটি জীবন্ত প্রাকৃতিক সম্পদ। এটি কেবল খনিজ কণার সমষ্টি নয়; বরং এতে অসংখ্য অণুজীব, জৈব পদার্থ, প...

মাটির স্বাস্থ্য ও ফসলসহ জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করছে জলাবদ্ধতা
০২ আগস্ট ২০২৬

মাটির স্বাস্থ্য ও ফসলসহ জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করছে জলাবদ্ধতা

বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষকের জীবিকা ও সামগ্রিক অর্থনীতি অনেকাংশেই কৃষির ও...

টবে কাঁচা মরিচ চাষে দাম বৃদ্ধির সময় বাচাবে অতিরিক্ত খরচ
০২ আগস্ট ২০২৬

টবে কাঁচা মরিচ চাষে দাম বৃদ্ধির সময় বাচাবে অতিরিক্ত খরচ

কাঁচা মরিচের কেজি এখন ৪০০ টাকা। কিন্তু এই মরিচ ছাড়া কোনো তরকারি রান্না করা সম্ভব নয়। তাই কম পরিশ্রমে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শেখ হাসিনার বক্তব্য সমর্থন করে না ভারত, জানালেন জয়সওয়াল

বাংলাদেশের বর্তমান বৈধ ও গঠিত সরকারের বিষয়ে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্য সমর্থন করে না নয়াদিল্লি। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে আমাদের অবস্থান আগেই স্পষ্ট করা হয়েছে। আমি আবারো সেটিই বলছি। এটি একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যম আয়োজিত অনুষ্ঠান ছিল, যেখানে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা ছিল না।” প্রিয় পাঠক. আপনি কি মনে করেন ভারত সঠিক বলেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 7 ঘন্টা আগে