গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬

মেনু

সরকারি দামের তোয়াক্কা নেই

এলপিজি সিলিন্ডার বাজারে নৈরাজ্য

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৩৩ পিএম, ০৩ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ০৯:২৩ এএম ২০২৬
এলপিজি সিলিন্ডার বাজারে নৈরাজ্য
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১২ কেজির জন্য এক হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আগের মাসের এক হাজার ৩৪১ টাকা থেকে দাম বেড়েছে ৩৮৭ টাকা। তবে সরকারি এই মূল্য নির্ধারণের পরও বাজারে এর কোনো প্রতিফলন নেই- বরং আরো বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডার।  

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এবং খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার ২ হাজার ১০০ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দোকানভেদে দামের তারতম্য থাকলেও কোথাও সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে না।

সরকারি মূল্য বনাম বাজার 
বিইআরসি ঘোষিত মূল্য অনুযায়ী এপ্রিল মাসে একজন ভোক্তার ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার কিনতে খরচ হওয়ার কথা এক হাজার ৭২৮ টাকা। কিন্তু বাস্তবে তাকে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। এতে মাসিক গ্যাস খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। শুধু ১২ কেজির এলপিজি নয়, অন্যান্য পরিমাপের সিলিন্ডার কিনতেও বাড়তি ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা গুনতে হচ্ছে ভোক্তাদের।

ভোক্তাদের ক্ষোভ
ভোক্তারা বলছেন, এলপিজির দাম আগে থেকেই সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি ছিল। নতুন করে দাম বাড়ানোর ফলে বিক্রেতারা সেটিকে আরো বেশি দামে বিক্রি করছেন। ধানমন্ডির বাসিন্দা নিহাল হোসেন বলেন, আগে ১৮০০ থেকে ১৯০০ টাকায় এলপিজি সিলিন্ডার কিনতাম, এখন ২২০০ টাকা দিতে হচ্ছে। সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। সরকারি দামে কোনো মাসেই এলপিজি কিনতে পারি না।  
বিক্রেতারা জানান, সরবরাহ সংকট, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং ডিলার পর্যায়ে উচ্চমূল্যের কারণে তারা বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন। তাদের মতে, নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না বলেই খুচরা পর্যায়ে দাম বেড়ে যাচ্ছে।
কথা হয় রাজধানীর হাতিরপুলের এলপিজির খুচরা ব্যবসায়ী রিপন হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ১২ কেজির সিলিন্ডার ২১০০ টাকায় বিক্রি করছি। আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। সরকারি দামে আমরাও পাই না, বিক্রি করবো কীভাবে! 
টঙ্গী এলাকার মাদানী এন্টারপ্রাইজের এলপিজি ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন মিঠু মুঠোফোনে বলেন, ১২ কেজির এলপিজি ২২০০ টাকা। সরকার দাম বাড়িয়েছে তাই দাম বেশি। আমরা বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করি। আমাদের কিছুই করার নেই।  
জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এলপিজি বাজারে কার্যকর মনিটরিংয়ের অভাব রয়েছে। সরকারি সংস্থাগুলোর নজরদারি দুর্বল হওয়ায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দাম বাড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন। দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।  
সানা/আপ্র/৩/৪/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

এআইয়ের প্রভাবে উন্নত দেশে চাকরি হারানোর ঝুঁকি বেশি
০৭ আগস্ট ২০২৬

এআইয়ের প্রভাবে উন্নত দেশে চাকরি হারানোর ঝুঁকি বেশি

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন

টেলিটকের ‘জেন-জেড’ অফারে তরুণদের ব্যাপক সাড়া
০৭ আগস্ট ২০২৬

টেলিটকের ‘জেন-জেড’ অফারে তরুণদের ব্যাপক সাড়া

‘৩৬ জুলাই’ স্মারক উপলক্ষে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের চালু করা বিশেষ ‘৩৬ জ...

সবজিতে কিছুটা স্বস্তি, মাছ-মাংস-ডিমে বাড়ছে চাপ
০৭ আগস্ট ২০২৬

সবজিতে কিছুটা স্বস্তি, মাছ-মাংস-ডিমে বাড়ছে চাপ

রাজধানীর বাজারে সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও মাছ, মুরগি, ডিম ও মাংসের উচ্চমূল্যে সাধারণ মানুষের...

ছুটির দিনেও বৈঠক, আরামকো থেকে এলএনজি কেনার অনুমোদন
০৭ আগস্ট ২০২৬

ছুটির দিনেও বৈঠক, আরামকো থেকে এলএনজি কেনার অনুমোদন

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ছুটির দিনেও বৈঠক করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বৈঠকে সরাসরি...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শেখ হাসিনার বক্তব্য সমর্থন করে না ভারত, জানালেন জয়সওয়াল

বাংলাদেশের বর্তমান বৈধ ও গঠিত সরকারের বিষয়ে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্য সমর্থন করে না নয়াদিল্লি। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে আমাদের অবস্থান আগেই স্পষ্ট করা হয়েছে। আমি আবারো সেটিই বলছি। এটি একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যম আয়োজিত অনুষ্ঠান ছিল, যেখানে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা ছিল না।” প্রিয় পাঠক. আপনি কি মনে করেন ভারত সঠিক বলেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 7 ঘন্টা আগে