গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

মেনু

দাম কমছে লেবু-শসা-বেগুনের

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:০১ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ২৩:৪৬ এএম ২০২৬
দাম কমছে লেবু-শসা-বেগুনের
ছবি

ছবি সংগৃহীত

রোজার শুরুতে বাজারে লেবুর যে দাপট ছিল, এখন সেটা কিছুটা কমেছে। এখন ১৫ টাকার মধ্যে এসেছে প্রতিটি লেবুর দাম, যা রোজার শুরুতে দ্বিগুণ ছিল। একইভাবে শসা ও বেগুনের দামও কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারে এখন মোটামুটি মানের এক হালি লেবুর দাম ৬০ টাকা। আকারে একটু বড় হলে এক হালির দাম পড়বে ৮০ টাকা, যা রোজার আগের দিন থেকে প্রথম দুদিন যথাক্রমে ১০০ ও ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

এবারের রমজানে মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে রয়েছে এ পণ্যটি। রমজান মাস শুরুর ঠিক আগের দিন গত বুধবার ও রোজার প্রথম এবং দ্বিতীয় দিন আকার ও মানভেদে খুচরায় এক হালি লেবু সর্বোচ্চ ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। যেখানে এই দামে এক ডজন ডিম, এক কেজির বেশি ছোলা, চিনি বা দুই কেজি চাল কেনা সম্ভব।

তবে এখন বিক্রেতারা বলছেন, দিন যত যাচ্ছে লেবুর দাম তত কমছে। গত শনিবার প্রতি ডজন লেবুতে ১০ টাকা এবং রোববার আরো ১০-২০ টাকা দাম কমেছে।

মালিবাগ বাজারের বিক্রেতা ফরিদ হোসেন বলেন, রোজার প্রথমে সবাই শরবত খেতে লেবু কেনেন। তখন দাম বেশি হলেও গায়ে লাগে না। এখন দিন যত যাবে, ঝোঁক তত কাটতে থাকবে। শেষে এক টাকা বেশি দিয়ে লেবু কেনার লোকও (ক্রেতা) থাকবে না।

গত শুক্রবারের পরে দুদিনে কাঁচামরিচ, খিরা ও শসার দাম আরো কিছুটা কমেছে। মান ও জাতভেদে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ গতকাল বিক্রি হয়েছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়, যা দুই দিন আগেও ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা উঠেছিল।

এদিকে রোবরার শসা ও খিরা বিক্রি হয়েছে ৬০-৮০ টাকায়, যা আগে ১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে ইফতারে অনেকে বেগুনি খেতে পছন্দ করেন। যে কারণে প্রতি বছর রমজানের সময় বেগুনের দাম বাড়ে। সেই ‘ঐতিহ্য’ এবারও বজায় ছিল। রোজার শুরু থেকে প্রতি কেজি লম্বা বেগুনের দাম ২০ টাকা বেড়ে হয় ৮০-১০০ টাকা। এখন সেই বেগুন আবারো ৬০ থেকে ৮০ টাকায় নেমেছে।

সবজি বিক্রেতা বুলু মিয়া বলেন, এখন দিন দিন সবজির চাহিদা কমবে। স্কুল-কলেজ বন্ধ হয়ে গেছে, কয়েকদিন পর থেকে মানুষ গ্রামে যেতে শুরু করবে। প্রতি বছরই এমন হয়। শুরুতে সবজির দাম বেশি থাকলেও রোজার এক সপ্তাহ গেলে কমতে থাকে, কিন্তু তখন কেউ খোঁজ নেয় না।

এদিকে সবুজ নামের একজন ক্রেতা বলেন, রোজা এলেই নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে, এটি নিয়তি। কারণ ওই সময় বাড়তি চাহিদা পুঁজি করে পাইকারি থেকে খুচরা—সব পর্যায়ের বিক্রেতারা রমজানে অতিরিক্ত মুনাফা করেন।

এসি/আপ্র/২২/০২/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

কসবায় ব্যাংকার্স ফোরামের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন
২১ এপ্রিল ২০২৬

কসবায় ব্যাংকার্স ফোরামের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন

নাজমুল হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় ব্যাংকার্স ফোরামের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপ...

এ বছর মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ
২১ এপ্রিল ২০২৬

এ বছর মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ

বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ চলতি বছর ভারতের চেয়ে বেশি থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জ...

বিদেশি ঋণ ছাড়িয়েছে ৭৮ বিলিয়ন ডলার
২১ এপ্রিল ২০২৬

বিদেশি ঋণ ছাড়িয়েছে ৭৮ বিলিয়ন ডলার

দেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বর্তমানে ৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খস...

তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে বাসের ভাড়া নির্ধারণ হবে: ডা. জাহেদ
২১ এপ্রিল ২০২৬

তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে বাসের ভাড়া নির্ধারণ হবে: ডা. জাহেদ

জ্বালানি তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহনের ভাড়া নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই