গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

মেনু

জলাবদ্ধতা ও মশক নিয়ন্ত্রণে রেকর্ড বরাদ্দ ১৪৭ কোটি টাকা

চসিকের ২ হাজার ২৬০ কোটি টাকার নতুন বাজেট ঘোষণা

জেলা প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম

জেলা প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত: ২০:৫৭ পিএম, ৩০ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২২:২০ এএম ২০২৬
চসিকের ২ হাজার ২৬০ কোটি টাকার নতুন বাজেট ঘোষণা
ছবি

মঙ্গলবার দুপুরে নগরের থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ বাজেট ঘোষণা করেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন -ছবি আজকের প্রত্যাশা

একেএম ফজলুল হক: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের জন্য ২ হাজার ২৬০ কোটি ২৪ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে নগরের থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ বাজেট ঘোষণা করেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

নতুন বাজেটে জলাবদ্ধতা নিরসনে ১২২ কোটি টাকা এবং মশকনিধনে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এ দুই খাতে মোট ১৪৭ কোটি টাকার বরাদ্দ, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

একই অনুষ্ঠানে ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটও ঘোষণা করা হয়। ওই অর্থবছরে মূল বাজেট ছিল ১ হাজার ৬৬৫ কোটি ৯২ লাখ টাকার, যা উন্নয়ন অনুদান ও রাজস্ব আদায় কম হওয়ায় প্রায় ২২ দশমিক ৩৪ শতাংশ কমিয়ে সংশোধিত করা হয়। বছর শেষে বাজেট বাস্তবায়নের হার দাঁড়ায় প্রায় ৭৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

চসিকের ২ হাজার ২৬০ কোটি টাকার নতুন বাজেট ঘোষণা
বাজেট বক্তৃতায় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রামকে ক্লিন, গ্রিন, হেলদি, সেফ ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একটি অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ ও পর্যটনবান্ধব নগরীতে রূপান্তর করাই এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য।

চসিকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ৪ হাজার ২২৬ জন জনবল দিয়ে প্রায় ৭০ লাখ নগরবাসীকে সেবা দিতে হচ্ছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে উল্লেখ করেন মেয়র।

আয়ের বড় উৎস কর ও সরকারি অনুদান
নতুন বাজেটে হাল কর ও অভিকর খাতে ৪২৬ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গত অর্থবছরে এই খাতে আদায় হয়েছিল ৩১৫ কোটি টাকা। বকেয়া আদায় থেকে ১৯৭ কোটি টাকা এবং সেবামূলক ফি থেকে ১৪০ কোটি ২০ লাখ টাকা আয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকারি উন্নয়ন অনুদান খাতে ৯৭৫ কোটি টাকা পাওয়ার আশা করা হচ্ছে, যা মোট বাজেটের একটি বড় অংশ।

উন্নয়ন ব্যয় ও অবকাঠামো
নতুন বাজেটে উন্নয়ন খাতে ৮২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। চসিকের নিজস্ব তহবিল থেকে আরো ২১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা যুক্ত হয়ে মোট ১ হাজার ৩৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা রাস্তাঘাট, কালভার্ট ও অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় হবে।

বেতন–ভাতা বাবদ ৪৮০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পানি খাতে ৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া পুরনো দেনা পরিশোধে ১৮৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জলাবদ্ধতা ও মশক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ গুরুত্ব
বর্ষাকালীন দুর্ভোগ কমাতে জলাবদ্ধতা নিরসনে ১২২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪৭ শতাংশ বেশি।

ডেঙ্গু ও মশক নিয়ন্ত্রণে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি।
বাজেট উদ্বৃত্ত: নতুন অর্থবছরের আয়–ব্যয়ের হিসাব শেষে চসিকের তহবিলে ৭ কোটি ৯২ লাখ টাকা উদ্বৃত্ত থাকার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এই উদ্বৃত্ত ছিল ৪৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা।
সানা/আপ্র/৩০/৬/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল পরিদর্শনে ড্যাব মহাসচিব
৩০ জুন ২০২৬

জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল পরিদর্শনে ড্যাব মহাসচিব

ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল দিনাজপুরের জিয়া হার্ট...

রাজৈরে জেলা একীভূত চক্ষু সেবা কর্মসূচির স্টেকহোল্ডার সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
৩০ জুন ২০২৬

রাজৈরে জেলা একীভূত চক্ষু সেবা কর্মসূচির স্টেকহোল্ডার সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

মাদারীপুরের রাজৈরে জেলা একীভূত চক্ষু সেবা কর্মসূচির স্টেকহোল্ডারদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা...

মেহেরপুরে দরিদ্র নারীদের বিনামূল্যে গাভী বিতরণ ও প্রশিক্ষণ
৩০ জুন ২০২৬

মেহেরপুরে দরিদ্র নারীদের বিনামূল্যে গাভী বিতরণ ও প্রশিক্ষণ

এস এ খান শিল্টু: দরিদ্র নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পারিবারিক আয় বৃদ্ধির...

তারাগঞ্জে দোকান দখল ও লুটপাটের অভিযোগ, তদন্ত চলছে
৩০ জুন ২০২৬

তারাগঞ্জে দোকান দখল ও লুটপাটের অভিযোগ, তদন্ত চলছে

খলিলুর রহমান খলিল, তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি: রংপুরের তারাগঞ্জ বাজারে একটি ডেকোরেটরের দোকান ভাঙচুর,...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ট্রাইব্যুনাল আইন নিয়ে রিট বিতর্ক ও হেয় প্রতিপন্ন করার প্রচেষ্টা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট আবেদনটি ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত ও হেয় প্রতিপন্ন করার একটি প্রচেষ্টা। আপনি কি মনে করেন চিফ প্রসিকিউটরের মন্তব্য সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে