গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মেনু

বন গেজেট থেকে জমি অবমুক্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৫৬ পিএম, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ২৩:১৯ এএম ২০২৬
বন গেজেট থেকে জমি অবমুক্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
ছবি

ছবি আজকের প্রত্যাশা

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি বন বিভাগের গেজেটভুক্তি থেকে অবমুক্ত করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে স্থানীয় ভুক্তভোগীরা। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও এই দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে ৭১ দফা ঘোষণা উপস্থাপন করে।

রোববার (২০ এপ্রিল) দুপুরে শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া গরুরহাট এলাকায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেয় নদী ও প্রকৃতি ফাউন্ডেশন, শ্রীপুর সাহিত্য পরিষদ এবং শ্রীপুর পৌর সচেতন নাগরিক ফোরামসহ কয়েকটি সংগঠন।

নদী ও প্রকৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মিসকাত রাসেলের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা কলেজের অধ্যাপক এমদাদুল হক, শ্রীপুর সাহিত্য পরিষদের সভাপতি রানা মাসুদ এবং ভুক্তভোগী জামাল উদ্দিনসহ অনেকে। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নদী ও প্রকৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের একাধিক স্মারকের নির্দেশনা অনুযায়ী গেজেটভুক্ত বনের সঙ্গে একই দাগে আংশিক ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি থাকলে ১৯২৭ সালের বন আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন না হওয়া পর্যন্ত ওই জমির হস্তান্তর, নামজারি ও রাজস্ব আদায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

অভিযোগ করা হয়, বন বিভাগের পক্ষ থেকে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে খাজনা গ্রহণে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে, অন্যদিকে সরকারি রাজস্ব বিভাগ খাজনা গ্রহণ করছে না। ফলে জমির মালিকরা নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধে জটিলতার মধ্যে পড়েছেন।

বক্তারা আরো বলেন, সিএস, এসএ, আরএস রেকর্ড এবং নামজারি থাকা সত্ত্বেও অনেক জমির মালিক তাদের বৈধ অধিকার ভোগ করতে পারছেন না। বন বিভাগ আদালতে মামলা করে হয়রানি করছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিভিন্ন সময়ে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হলেও বাস্তবে গাজীপুরের অনেক এলাকায় ২০ ধারা অনুযায়ী চূড়ান্ত সমাধান কার্যকর হয়নি। এতে জমির মালিকরা ঘরবাড়ি নির্মাণ, গাছ রোপণ কিংবা জমি বিক্রির মতো স্বাভাবিক কার্যক্রমও করতে পারছেন না।

বক্তারা দাবি করেন, বন গেজেটভুক্তি থাকার কারণে ব্যক্তি মালিকরা নিজেদের জমিতে উন্নয়ন কার্যক্রম চালাতে বাধার মুখে পড়ছেন এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি দ্রুত সমস্যা সমাধান এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি গেজেট থেকে অবমুক্ত করার দাবি জানানো হয়।


সানা/ডিসি/আপ্র/১৯/৪/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ড কাপে যুক্ত হবে এক কোটি ৬০ লাখ শিক্ষার্থী
৩০ জুলাই ২০২৬

প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ড কাপে যুক্ত হবে এক কোটি ৬০ লাখ শিক্ষার্থী

একেএম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম: দেশব্যাপী আয়োজন হতে যাওয়া প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ড কাপ টুর্নামেন্টে প্রায়...

জলাবদ্ধতামুক্ত নগর গড়তে খাল সচল রাখা জরুরি: মেয়র
৩০ জুলাই ২০২৬

জলাবদ্ধতামুক্ত নগর গড়তে খাল সচল রাখা জরুরি: মেয়র

চট্টগ্রাম মহানগরীকে জলাবদ্ধতামুক্ত করতে খালগুলোর স্বাভাবিক পানি প্রবাহ সচল রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে মন...

তারাগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনের প্রস্তুতি সম্পন্ন
৩০ জুলাই ২০২৬

তারাগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনের প্রস্তুতি সম্পন্ন

খলিলুর রহমান খলিল, তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি: রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যু...

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের জেলা কমিটি অনুমোদনের দাবি মেহেরপুরে
৩০ জুলাই ২০২৬

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের জেলা কমিটি অনুমোদনের দাবি মেহেরপুরে

এস এ খান শিল্টু: বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ ঘোষণার পর মেহেরপুর জেলা ছাত্রলীগের ১০১ সদস্যের কমিটি অনুম...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে