গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

মেনু

নারীর রূপের কদর নারীদের কাছেই বেশি, গবেষণায় দাবি

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৫০ পিএম, ৩১ মে ২০২৬ | আপডেট: ১২:১০ এএম ২০২৬
নারীর রূপের কদর নারীদের কাছেই বেশি, গবেষণায় দাবি
ছবি

ছবি সংগৃহীত

নারীর সৌন্দর্যকে নারীরাই তুলনামূলকভাবে বেশি মূল্যায়ন করেন-এমনই এক চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণায়। গবেষণায় দেখা গেছে, একজন গড়পড়তা নারীর চেহারা পুরুষদের তুলনায় প্রায় ৬০ শতাংশ বেশি আকর্ষণীয় হিসেবে নারীদের কাছেই মূল্যায়িত হয়েছে।

 তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সৌন্দর্য-ব্যবধান ধীরে ধীরে কমে আসে এবং ৮০ বছর বয়সে পৌঁছালে তা প্রায় সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত হয়।


গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞানভিত্তিক সাময়িকী ‘প্রোসিডিংস অব দ্য রয়্যাল সোসাইটি বি’-তে। এতে বলা হয়, বিশ্বের ৭৬টি দেশে পরিচালিত ৫২টি আলাদা গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করে তৈরি করা হয়েছে ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ডেটাসেট। এতে প্রায় ৩০ হাজার মূল্যায়নকারীর দেওয়া ১৭ হাজার মুখমণ্ডলের প্রায় ১৫ লাখ রেটিং অন্তর্ভুক্ত ছিল।


গবেষকদের মতে, নারীদের প্রতি এই তুলনামূলক বেশি আকর্ষণ বৈশ্বিকভাবে প্রায় সব সংস্কৃতিতেই দেখা যায়, যদিও পশ্চিমা দেশগুলোতে এর মাত্রা আরো স্পষ্ট। একই সঙ্গে দেখা গেছে, নারী ও পুরুষ উভয়ই নারীর গোলাকার মুখাবয়বকে বেশি আকর্ষণীয় বলে মনে করেন।


জার্মানির ম্যাক্স প্লাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর এম্পিরিক্যাল অ্যাসথেটিকস-এর গবেষক ড. ইউজেন ভাসিলিভিটস্কি বলেন, এটি একটি শক্তিশালী মনস্তাত্ত্বিক প্রবণতা, যা বিভিন্ন সংস্কৃতিতেই দেখা যায়। তার মতে, নারীরাই অন্য নারীদের সৌন্দর্যকে বেশি উচ্চ রেটিং দিয়েছেন, আর পুরুষদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম মূল্যায়ন পাওয়া গেছে।


গবেষণায় আরো বলা হয়েছে, মানুষের এই দৃষ্টিভঙ্গি প্রাণিজগতের প্রচলিত যৌন নির্বাচনের ধারণা থেকে ভিন্ন। যেখানে অনেক প্রাণীর ক্ষেত্রে পুরুষদের বাহ্যিক আকর্ষণীয়তা বেশি থাকে, সেখানে মানুষের ক্ষেত্রে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাবের পাশাপাশি ভিন্ন ধরনের মনস্তাত্ত্বিক কারণ কাজ করতে পারে।


গবেষকদের মতে, মুখের গঠনগত পার্থক্যও এ প্রবণতার পেছনে ভূমিকা রাখে। সাধারণত পুরুষদের মুখ কিছুটা কোণাকৃতি এবং নারীদের মুখ তুলনামূলকভাবে গোলাকার হওয়ায় তা অধিক আকর্ষণীয় হিসেবে বিবেচিত হয়।


অন্যদিকে গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষ ও নারীর মুখাবয়বের পার্থক্য কমে আসে। এর ফলে সৌন্দর্য-ব্যবধানও ক্রমশ হ্রাস পায় এবং প্রবীণ বয়সে গিয়ে তা প্রায় সমান হয়ে যায়।


গবেষকদের মতে, এই ফলাফল সমাজে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত সৌন্দর্য ও লিঙ্গভিত্তিক ধারণাকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ তৈরি করেছে। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, এ প্রবণতার পেছনে একক কোনো কারণ নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা এখনো সম্ভব হয়নি।


সানা/ডিসি/আপ্র/৩১/৫/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

তীব্র গরমে মানুষ ঠান্ডা রাখতে জাপানের ‘মানব ফ্রিজ’
২২ জুলাই ২০২৬

তীব্র গরমে মানুষ ঠান্ডা রাখতে জাপানের ‘মানব ফ্রিজ’

বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান তাপপ্রবাহ ও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি মোকাবিলায় অভিনব এক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে জাপ...

বালু, লবণ ও ঘামে বদলে যাচ্ছে শক্তি সংরক্ষণের ভবিষ্যৎ
২০ জুলাই ২০২৬

বালু, লবণ ও ঘামে বদলে যাচ্ছে শক্তি সংরক্ষণের ভবিষ্যৎ

জ্বালানি সংরক্ষণের প্রচলিত ধারণা বদলে দিচ্ছে নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তি। এত দিন যেখানে শক্তি ধরে রাখার...

খালি চোখে অদৃশ্য ড্রোন বানালেন বিজ্ঞানীরা
১৯ জুলাই ২০২৬

খালি চোখে অদৃশ্য ড্রোন বানালেন বিজ্ঞানীরা

মানুষের চোখকে ফাঁকি দিয়ে প্রায় অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে-এমন অভিনব ড্রোন উদ্ভাবন করেছেন বিজ্ঞানীরা। ‘ফ্যা...

কক্ষপথে পৌঁছেছে ভারতের প্রথম বেসরকারি রকেট
১৮ জুলাই ২০২৬

কক্ষপথে পৌঁছেছে ভারতের প্রথম বেসরকারি রকেট

মহাকাশ বাণিজ্যে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে ভারত। দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

জামায়াত এমপির বিয়ে নিয়ে বিতর্ক, বায়োডাটায় নতুন প্রশ্ন

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সংসদ সদস্য দাবি করেছেন, ভিডিওতে থাকা তরুণী তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী। তবে তাঁর দাবিকৃত বিয়ের পাঁচ দিন পর স্বাক্ষর করা একটি বায়োডাটায় ওই তরুণীর বৈবাহিক অবস্থা ‘অবিবাহিত’ উল্লেখ থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন যে, এমপির দাবি ন্যায়সঙ্গত?

মোট ভোট: ০ | শেষ আপডেট: 1 ঘন্টা আগে