বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি জোরালোভাবে শুরু করেছে ব্রাজিল। রিও ডি জেনেইরোর ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে পানামার বিপক্ষে দাপুটে ফুটবল খেলে ৬-২ গোলের বড় জয় তুলে নিয়েছে সেলেসাওরা। পুরো ম্যাচে আক্রমণ, পাসিং ও ফিনিশিং সব বিভাগেই প্রতিপক্ষের চেয়ে এগিয়ে ছিল ব্রাজিল।
ম্যাচের শুরুতেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। দ্বিতীয় মিনিটেই জালের দেখা পান তিনি। তবে খুব দ্রুতই সমতায় ফেরে পানামা। মাইকেল মুরিলোর ফ্রি-কিক ব্রাজিলের মাথিউস কুনহার গায়ে লেগে ডিফ্লেক্টেড হয়ে আত্মঘাতী গোলে পরিণত হলে স্কোর হয় ১-১।
সমতা ভাঙতে বেশি সময় নেয়নি ব্রাজিল। অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরো দুর্দান্ত এক শটে দলকে আবারো এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধ শেষে ২-১ গোলে এগিয়ে থাকে স্বাগতিকরা।
দ্বিতীয়ার্ধে আরো বিধ্বংসী হয়ে ওঠে ব্রাজিল। তরুণ ফরোয়ার্ড রায়ান প্রতিপক্ষের ভুল কাজে লাগিয়ে ব্যবধান বাড়ান। এরপর লুকাস পাকেতার শট পানামার কর্দোবার গায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়। শেষদিকে পেনাল্টি থেকে গোল করেন ইগর থিয়াগো। আর ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দারুণ টার্ন ও ফিনিশিংয়ে ষষ্ঠ গোলটি করেন ডিফেন্ডার দানিলো।
তবে পানামাও একেবারে নিরুত্তর ছিল না। হার্ভে চোখধাঁধানো এক দূরপাল্লার শটে ব্রাজিলের জাল কাঁপিয়ে দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন।
পরিসংখ্যানেও ব্রাজিলের আধিপত্য স্পষ্ট ছিল। পুরো ম্যাচে তাদের শট ছিল ১৪টি এবং এক্সপেক্টেড গোলস ছিল ২.২৬। কোচ পুরো স্কোয়াডকে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে খেলিয়ে কৌশল ও সমন্বয় ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
পানামার বিপক্ষে এই জয়ের পর আগামী ৭ জুন মোহামেদ সালাহর মিশরের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। এরপরই শুরু হবে বিশ্বকাপের মূল লড়াই। আগামী ১৪ জুন ‘সি’ গ্রুপে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এরপর ২০ জুন হাইতি এবং ২৫ জুন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে সেলেসাওরা।
এসি/আপ্র/০১/০৬/২০২৬