আইপিএল ফাইনালের আগের দিন শুরু সিরিজ। সূচির এই সংঘর্ষের কারণে পাকিস্তান সফরে নিয়মিতদের কয়েকজনকে পাবে না অস্ট্রেলিয়া। যাদের মধ্যে অভিজ্ঞ পেসত্রয়ী প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও জশ হেইজেলউডের না খেলা একরকম নিশ্চিত। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের সূচি বৃহস্পতিবার ঘোষণা করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
রাওয়ালপিন্ডিতে আগামী ৩০ মে শুরু মাঠের লড়াই। লাহোরে শেষ দুই ম্যাচ হবে ২ ও ৪ জুন। গত জানুয়ারিতে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তান সফর করে অস্ট্রেলিয়া। তখন তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার কথা ছিল। কিন্তু ব্যস্ত সূচির কারণে মে-জুনে সরিয়ে নেওয়া হয় ওয়ানডে সিরিজ।
পাকিস্তান সিরিজ শেষেই তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসবে অস্ট্রেলিয়া। আগামী ৯ জুন ওয়ানডে দিয়ে শুরু হবে মাঠের লড়াই। এবারের আইপিএলের প্রাথমিক পর্ব শেষ আগামী ২৪ মে।
প্লেঅফ পর্ব শুরু ২৬ মে। আহমেদাবাদে ফাইনাল হবে ৩১ মে। আগামী ২৩ মে পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবে অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে দল। ফলে, আইপিএলের প্লেঅফে যারা খেলবেন, তাদের এই সফরে খেলার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কামিন্স ও ট্রাভিস হেড, পাঞ্জাব কিংসের কুপার কনোলি ও জেভিয়ার বার্টলেট এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হেইজেলউডের পাকিস্তান সফরে না খেলা প্রায় নিশ্চিত।
পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষ তিনে আছে এই তিন দল। স্টার্কের দিল্লি ক্যাপিটালস সপ্তম স্থানে এবং ক্যামেরন গ্রিনের কলকাতা নাইট রাইডার্সের অবস্থান অষ্টম। সামনের ম্যাচগুলোতে অসাধারণ কিছু করতে পারলে এই দুই দলেরও সম্ভাবনা রয়েছে প্লেঅফে খেলার।
প্লেঅফের দৌড় থেকে ছিটকে পড়ার দুয়ারে আছে লখনৌ সুপার জায়ান্টস। আর এই ফ্র্যাঞ্চাইজিতে খেলছেন অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে দলের সহ-অধিনায়ক মিচেল মার্শ ও কিপার-ব্যাটসম্যান জশ ইংলিস।
তাদের তাই পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে খেলার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোর ধারণা, আইপিএল প্লেঅফ ছাড়াও সামনে ঠাসা সূচির কারণে কামিন্স, হেইজেলউড ও স্টার্ককে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সফরে খেলাবে না অস্ট্রেলিয়া। আগামী ১২ মাসে প্রায় ২০টি (সম্ভবত ২১টি) টেস্ট ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়া, যে যাত্রা অগাস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে হোম সিরিজ দিয়ে শুরু হবে। ফলে এই তিনজনকে নির্বাচকরা পুরোপুরি বিশ্রাম দিতে পারেন।
২০২৩ বিশ্বকাপ জয়ের পর, ওয়ানডে অধিনায়ক কামিন্স অস্ট্রেলিয়ার হয়ে এই সংস্করণে মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেছেন। এই সফরগুলোতে না খেললে আগামী সেপ্টেম্বরে জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ওয়ানডে জার্সি গায়ে দেখা যেতে পারে তাকে।
হেইজেলউড ও স্টার্ক সবশেষ ওয়ানডে খেলেছেন গত অক্টোবরে, ভারতের বিপক্ষে।
কামিন্সের মতো তাদেরকেও পরবর্তী ওয়ানডে ম্যাচে দেখা যেতে পারে আগামী সেপ্টেম্বরে।
ডিসি/আপ্র/০৭/০৫/২০২৬