গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

মেনু

জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে আন্দোলনের ঘোষণা বিরোধী দলীয় নেতার

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৩৩ পিএম, ০১ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৭:২৭ এএম ২০২৬
জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে আন্দোলনের ঘোষণা বিরোধী দলীয় নেতার
ছবি

ছবি সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে যে সংস্কার সনদ (চার্টার) তৈরি হয়েছিল, তার ভিত্তিতে গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিলেও সরকার তা বাস্তবায়ন করেনি। তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কারের সুযোগ সংসদে না পেলে জনগণের কাছেই গিয়ে জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে জাতীয় সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সরকার জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করে দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে ৩১টি রাজনৈতিক সংগঠন একটি সংস্কার সনদে একমত হয়। তার দাবি, ‘বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি’ ছাড়া বাকি সব দল শেষ পর্যন্ত ওই সনদে স্বাক্ষর করেছে।

তিনি বলেন, একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজন এবং গণভোটের রায় সবাই মেনে নেওয়ার বিষয়ে রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছিল। সেই রায়ের ভিত্তিতে একটি সংস্কার পরিষদ গঠন ও সদস্যদের শপথ গ্রহণের সিদ্ধান্তও ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে সরকারি দলের সদস্যরা সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি, কেবল সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

শফিকুর রহমান বলেন, সংবিধানে না থাকলেও অতীতে বিভিন্ন সময় প্রয়োজন অনুযায়ী গণভোট ও সাংবিধানিক পরিবর্তন হয়েছে। তাই বর্তমান বাস্তবতায় জনগণের রায় বাস্তবায়ন করা জরুরি ছিল।

তিনি আরো বলেন, গণভোটে প্রায় ৬৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন, কিন্তু সেই রায় উপেক্ষা করে দেশে নতুন রাজনৈতিক সংকট তৈরি করা হয়েছে। সংসদে বিষয়টি তুললেও কার্যকর আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, “আমরা জনগণকে দেওয়া ওয়াদা থেকে সরে যাব না। সংসদে সুযোগ না পেলে জনগণের পার্লামেন্টে যাব। জনগণের দাবি নিয়েই আমাদের আন্দোলন চলবে।”

তিনি সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগের সমালোচনা করে বলেন, জনগণ সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য রায় দিয়েছে। তার মতে, সংস্কার ও সংশোধনের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।

শফিকুর রহমান দাবি করেন, অতীতে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা ও হাইকোর্ট বেঞ্চ বিকেন্দ্রীকরণের মতো বিষয়ে আদালতের রায়ে পরিবর্তন এসেছে, যা প্রমাণ করে জনগণের ম্যান্ডেটভিত্তিক সংস্কার বাস্তবায়ন সম্ভব। তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আইন প্রণয়ন করতে হবে। রাজনৈতিক স্বার্থ নয়, গণতান্ত্রিক ধারা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক সংস্কারই বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় দেশ বারবার পথ হারাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সানা/আপ্র/১/৭/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

জাতীয় উলামা মাশায়েখ সম্মেলনে ৯ দফা দাবি ঘোষণা
১৬ আগস্ট ২০২৬

জাতীয় উলামা মাশায়েখ সম্মেলনে ৯ দফা দাবি ঘোষণা

রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় জাতীয় উলামা মাশায়েখ সম্মেলন থ...

১৫ আগস্ট নিয়ে জাসদের সভা, পরাজয়ের প্রতিশোধের অভিযোগ
১৬ আগস্ট ২০২৬

১৫ আগস্ট নিয়ে জাসদের সভা, পরাজয়ের প্রতিশোধের অভিযোগ

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ড এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ‘রেজি...

বিএনপি ৩১ দফা দেয়, ৩২ দফা পর্যন্ত পূরণ করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৫ আগস্ট ২০২৬

বিএনপি ৩১ দফা দেয়, ৩২ দফা পর্যন্ত পূরণ করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা বাস্তবায়ন করে দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, দলটি ৩...

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে রিজভীসহ নতুন চার নেতা
১৫ আগস্ট ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে রিজভীসহ নতুন চার নেতা

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে নতুন করে চার নেতাকে মনোনীত করা হয়েছে। তাঁ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

লোডশেডিং নিয়ে বিএনপি সরকারের কড়া সমালোচনা নাহিদ ইসলামের

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে বিএনপি সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এক সমাবেশে তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি ২০০১-২০০৬ সময়কার লোডশেডিং সংকটের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন নাহিদ ইসলাম সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে