গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

মেনু

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা, বিচ্ছিন্ন বহু জনপদ

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:১৩ পিএম, ১১ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২২:১৩ এএম ২০২৬
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা, বিচ্ছিন্ন বহু জনপদ
ছবি

কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে -ছবি সংগৃহীত

টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। বান্দরবান, চট্টগ্রাম, রাঙামাটি ও কক্সবাজারের বিস্তীর্ণ এলাকা নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ধস, সড়ক তলিয়ে যাওয়া, সেতু ধসে পড়া এবং বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় বহু জনপদ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। লাখো মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। বহু এলাকায় দেখা দিয়েছে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতেও স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে।

সবচেয়ে সংকটাপন্ন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বান্দরবানে। শনিবার (১১ জুলাই) সকাল থেকে জেলা শহরের সঙ্গে রাঙামাটি, বাঙ্গাল হালিয়া-চন্দ্রঘোনা, রোয়াংছড়ি, রুমা ও থানচি উপজেলার সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। বান্দরবান সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন জানান, সাতকানিয়ার বাজালিয়া এলাকায় সড়ক তলিয়ে যাওয়া এবং বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ায় বান্দরবান থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারগামী দূরপাল্লার বাস চলাচলও বন্ধ রয়েছে।

শুক্রবার রাতে বান্দরবান-রাঙামাটি সড়কের দুধপুকুরিয়া এলাকার রাবার ড্যামের বেড়িবাঁধ ভেঙে পানির তীব্র স্রোতে ব্রিজঘাট সেতু ধসে পড়ে। এতে দুই জেলার মধ্যে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্থানীয়দের অনেককে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হেঁটে সেতুর দুই প্রান্ত পার হতে দেখা গেছে। তবে সড়কে এখনও পানি থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে মেরামতকারী দল পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

বান্দরবান শহরের কসাইপাড়া এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটির ওপর গাছ পড়ে যাওয়ায় পুরো শহর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ বিভাগের রেস্ট হাউস, সেনাবাহিনীর ব্রিগেড এলাকা, পুলিশ লাইন ও বেতার এলাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কোমর থেকে বুকসমান পানি জমে রয়েছে। কোথাও কোথাও নৌকাই এখন চলাচলের একমাত্র ভরসা।

শুক্রবার দিনভর বৃষ্টি কিছুটা কমে পানি নামতে শুরু করলেও রাতে আবার ভারী বর্ষণ হওয়ায় শনিবার সকাল থেকেই জেলা শহর ও বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চলে দ্রুত পানি বাড়তে থাকে। রুমা, রোয়াংছড়ি, থানচি, লামা ও আলীকদমেও পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহ্লাঅং মারমা বলেন, নিম্নাঞ্চলের প্রায় সব পাড়া ডুবে গেছে। যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় মানুষের খোঁজখবর নিতে সরাসরি যেতে হচ্ছে।

আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুর আলম জানান, উপজেলার চার ইউনিয়নে অন্তত এক হাজার ৩৩০টি পরিবারের বসতবাড়িতে পানি ঢুকেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিজমির পৃথক তালিকা প্রস্তুত করছে কৃষি বিভাগ। সরকারি ত্রাণের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাও সহায়তা দিচ্ছে। ব্র্যাক লামা, নাইক্ষ্যংছড়ি ও সদর উপজেলার কয়েকটি এলাকায় শত শত পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে। বলিপাড়া নারী কল্যাণ সংস্থা তাদের প্রকল্পের আওতায় ১৬ হাজার দুর্গত পরিবারকে পাঁচ হাজার টাকা করে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সহায়তা দিয়েছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম মঞ্জুরুল হক জানান, পৌর এলাকার আশ্রয়কেন্দ্র ও অন্যান্য স্থানে আশ্রয় নেওয়া অন্তত তিন হাজার ৩০০ মানুষকে দুপুরে খাবার দেওয়া হয়েছে। রাতে আট হাজারের বেশি মানুষের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরিস্থিতির কারণে জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র ১৫ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বন্যার কারণে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সও কার্যত পানির মধ্যে আটকা পড়েছে। হাসপাতালের সামনের সড়ক এবং পাঁচটি ভবনের নিচতলা হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে ডুবে আছে। জরুরি বিভাগসহ সাতটি ইউনিট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় দ্বিতীয় তলার বারান্দায় অস্থায়ীভাবে বহির্বিভাগ চালানো হচ্ছে। গুরুতর রোগী, আহত ব্যক্তি ও প্রসূতিদের নৌকা, ভেলা কিংবা কাঁধে করে হাসপাতালে আনা হচ্ছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পানি ঢোকার পর তা গলাসমান উচ্চতায় পৌঁছেছিল। বর্তমানে কিছুটা কমলেও হাসপাতালের ল্যাবরেটরির মূল্যবান যন্ত্রপাতির ক্ষতি হয়েছে। প্রতিদিন যেখানে প্রায় ৬০০ রোগী চিকিৎসা নিতেন, সেখানে এখন মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ জন আসতে পারছেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বেলাল উদ্দিন জানান, যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়া, বিদ্যুৎ সংকট ও পানির অভাবে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। তবুও বন্যার মধ্যেই অন্তত ১২টি প্রসব সম্পন্ন হয়েছে।

হাসপাতালে ভর্তি বহু রোগী পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন। খাগরিয়া ইউনিয়নের বৃদ্ধা ছেনু আরা কয়েক দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকলেও বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না। একই ধরনের পরিস্থিতিতে রয়েছেন আরো অনেক রোগী।

সাতকানিয়া পৌরসভা ও উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা এখনও প্লাবিত। অন্তত চার লাখ মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। সাঙ্গু নদীর পানি আবারো বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কেরানীহাট-বান্দরবান মহাসড়কেও স্বাভাবিক যান চলাচল শুরু হয়নি। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে আরো ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

রাঙামাটির বিলাইছড়ির দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নেও বন্যা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। উলুছড়ি বাজারসহ বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। একের পর এক বাজার ডুবে যাওয়ায় খাদ্যসংকট তীব্র হয়েছে। প্রবল স্রোত ও ভাঙা সড়কের কারণে সেখানে সরকারি ত্রাণ এখনও পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন জানান, বিলাইছড়িতে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি। এর মধ্যে শুধু ফারুয়া ইউনিয়নেই প্রায় ১২ হাজার মানুষ রয়েছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগও সম্ভব হচ্ছে না। তাই স্থানীয় বাজার থেকে খাদ্য সংগ্রহ করে জরুরি সহায়তার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা জানান, চাইন্দাপাড়া, উলুছড়ি, তক্তানালা, ওরাছড়ি, লত্যাছড়ি, গোয়াইনছড়ি, ফারুয়া বাজার, তারাছড়ি ও যমুনাছড়িসহ প্রায় সব গ্রাম পানিতে ডুবে গেছে। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া মানুষ খাদ্য ও নিরাপদ পানির সংকটে রয়েছেন।

কক্সবাজারেও বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় লাখ মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। বিভিন্ন মহাসড়কের নিচু অংশ কোমরসমান পানিতে ডুবে থাকায় ছোট যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

চকরিয়ায় নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সময় নৌকা ডুবে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। মাতামুহুরীতে বন্যার পানিতে পড়ে তিন বছরের এক শিশুরও মৃত্যু হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় শত শত নলকূপ ডুবে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। বাঁকখালী ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ৬৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় নগদ অর্থ, চাল ও শুকনা খাবার মজুত রাখা হয়েছে এবং উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনায় নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু করা হয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বোয়ালখালী, পটিয়া ও আনোয়ারার বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও পানির নিচে রয়েছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা, ভেঙে পড়া যোগাযোগব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্যের সংকটে লাখো মানুষ মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। বন্যার প্রথম কয়েক দিন পর্যাপ্ত ত্রাণ না পৌঁছালেও শনিবার থেকে সরকার, সেনাবাহিনী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্যাপকভাবে ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করেছে।

জেলা প্রশাসনের অনুরোধে ‘বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায়’ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন এলাকায় ইঞ্জিনচালিত নৌকায় চাল, চিড়া, মুড়ি, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য জরুরি খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসন, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে উদ্ধার কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক দিন ধরে ঘরবন্দি অবস্থায় থাকা বহু পরিবার খাদ্যসংকটে পড়ে যায়। সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন সংস্থার ত্রাণ পৌঁছানো শুরু হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও দুর্গম এলাকায় এখনও অনেক মানুষ প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আবহাওয়ার উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার, ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলের কোনো দুর্গত পরিবার যাতে সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সানা/ডিসি/আপ্র/১১/৭/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিরোধেই স্বাধীন বাংলাদেশ: স্পিকার
১১ জুলাই ২০২৬

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিরোধেই স্বাধীন বাংলাদেশ: স্পিকার

পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিরোধ গড়ে না তুললে বাংলাদেশ...

বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহ্দী আমিন
১১ জুলাই ২০২৬

বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহ্দী আমিন

দেশজুড়ে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যা, পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রী সার্বক্...

নৈতিকতা ও মানবিকতায় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
১১ জুলাই ২০২৬

নৈতিকতা ও মানবিকতায় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

চিকিৎসা শুধু একটি পেশা নয়, এটি মানুষের জীবন রক্ষার মহান সেবা-এ কথা উল্লেখ করে চিকিৎসকদের নৈতিকতা, মা...

বিদেশে চিকিৎসায় বছরে পাঁচ বিলিয়ন ডলার ব্যয়
১১ জুলাই ২০২৬

বিদেশে চিকিৎসায় বছরে পাঁচ বিলিয়ন ডলার ব্যয়

ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বাক্প্রতিবন্ধী ববি বেগম হত্যায় গ্রেফতার পাঁচ, চলছে জিজ্ঞাসাবাদ

নরসিংদীর রায়পুরার মেথিকান্দা রেলস্টেশনে হামলা ও লুটের শিকার হয়ে বাক্প্রতিবন্ধী বৃদ্ধ ববি বেগম নিহত হওয়ার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল পর্যন্ত নরসিংদী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন যে, এই আসামিদের যথাযথ বিচারের আওতায় এনে বৃদ্ধা হত্যার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 21 ঘন্টা আগে