গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে আমাজনের বন উজাড়

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:২৫ পিএম, ১১ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ০৪:৩২ এএম ২০২৬
এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে আমাজনের বন উজাড়
ছবি

ছবি রয়টার্স

ব্রাজিলে চলতি বছরের প্রথমার্ধে আমাজন বনাঞ্চলে বন উজাড়ের হার এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বের বৃহত্তম এই বৃষ্টিপ্রধান অরণ্য সংরক্ষণে এটি দেশটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য। প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার পরিবেশ সংরক্ষণ নীতির বড় অর্জন হিসেবেও এ অগ্রগতিকে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত ব্রাজিলের জাতীয় মহাকাশ গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ব্রাজিলীয় আমাজন অঞ্চলে প্রায় ১ হাজার ২৯৫ বর্গকিলোমিটার বনভূমি উজাড় হয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ হার ৩৮ শতাংশ কম। ২০১৬ সালের পর এটিই প্রথমবারের মতো বছরের প্রথম ছয় মাসে বন উজাড়ের পরিমাণ সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্রাজিলে বন উজাড় উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছিল। বিশেষ করে ২০২২ সালে পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ হয়ে ওঠে। সে সময় কট্টর ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর শাসনামলে নিউইয়র্ক শহরের আয়তনের প্রায় ১৩ গুণ সমপরিমাণ বনভূমি উজাড় করা হয়েছিল।

বলসোনারো আমাজন অঞ্চলে খনিজ উত্তোলন ও তথাকথিত ‘টেকসই উন্নয়ন’ কার্যক্রমের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তবে সমালোচকদের অভিযোগ, তাঁর নীতির ফলে পরিবেশ ধ্বংসের গতি বেড়েছে এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকারও হুমকির মুখে পড়েছে।

২০২২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের অঙ্গীকার নিয়ে বলসোনারোকে পরাজিত করেন লুলা। ক্ষমতায় ফিরে তিনি ২০৩০ সালের মধ্যে অবৈধ বন উজাড় সম্পূর্ণ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

লুলা দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম বছরেই বন উজাড়ের হার প্রায় অর্ধেকে নেমে আসে। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে এ হার কমছে।

বিশ্বের বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান অরণ্য আমাজন বিপুল পরিমাণ কার্বন শোষণ করে বৈশ্বিক জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ কারণে বনাঞ্চলটির অবস্থা নিয়ে বিজ্ঞানী ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো নিবিড় নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে বন উজাড়কে ব্রাজিলের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সূত্র: রয়টার্স
সানা/ডিসি/আপ্র/১১/৭/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

মক্কার মসজিদে ‘অনৈতিক কাজ’, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
১৬ অক্টোবর ২০২৬

মক্কার মসজিদে ‘অনৈতিক কাজ’, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা অঞ্চলের একটি মসজিদে ‘অনৈতিক কাজের’ অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত দুই বাংলাদেশি নাগরি...

সংঘাতের শঙ্কার মধ্যেও বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম
১৬ অক্টোবর ২০২৬

সংঘাতের শঙ্কার মধ্যেও বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেও বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। শ...

যুক্তরাষ্ট্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্দুক হামলায় নিহত ৪
১৬ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্দুক হামলায় নিহত ৪

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যের বেন্ড শহরের সিলভার রেল এলিমেন্টারি স্কুলে বন্দুক হামলায় তিন শিশুসহ...

ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্যালেসে হুথির হামলা, প্রাণে বাঁচলেন প্রধানমন্ত্রী
১৫ অক্টোবর ২০২৬

ইয়েমেনে প্রেসিডেন্ট প্যালেসে হুথির হামলা, প্রাণে বাঁচলেন প্রধানমন্ত্রী

ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর এডেনে প্রেসিডেন্ট প্যালেস লক্ষ্য করে পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে হ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পরিচয় যা-ই হোক, চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজ, ভূমি দখলবাজ ও মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন- কমিশনার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা তা বাস্তবে তা করতে পারবেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে