গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকতে আগ্রহী চীন

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:৪৫ পিএম, ২৬ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৯:৫৪ এএম ২০২৬
তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকতে আগ্রহী চীন
ছবি

ছবি পিআইডি

বাংলাদেশের তিস্তা নদী ঘিরে বহুল আলোচিত মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কারিগরি, নকশা ও বাস্তবায়ন পর্যায়ে সহযোগিতা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন। বিষয়টি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন তিয়াওইউথাইয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী খর ছরধহম–এর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, তিস্তা প্রকল্পকে ঘিরে বাংলাদেশের একটি “মহাপরিকল্পনা” রয়েছে, যা রাজনৈতিক ইশতেহারেও উল্লেখ আছে। সেই পরিকল্পনার আলোকে প্রকল্পের নকশা, পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়ন—সব পর্যায়েই চীন বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।

তিনি আরো জানান, এত বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলেও আলোচনা হয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও স্যানিটেশন খাতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ উপকৃত হতে পারে। দুই দেশের সরকারপ্রধান এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন বলেও তিনি দাবি করেন।

বৈঠকটি স্থানীয় সময় বিকাল ৫টায় বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৪৫ মিনিটের এ আলোচনায় দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিনিয়োগ ও সহযোগিতা বিষয়ক মোট ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়।

চীন সফররত প্রধানমন্ত্রী ঞধৎরয়ঁব জধযসধহ নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে, আর চীনের পক্ষে নেতৃত্ব দেন খর ছরধহম।

সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন আরো জানান, চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ভারসাম্য, রপ্তানি সম্ভাবনা এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, চীনের বিশাল বাজারে বাংলাদেশের পণ্য—বিশেষ করে কৃষিপণ্য, মাছ, সিরামিক ও ফার্মাসিউটিক্যালস—রপ্তানির নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি চীনের কয়েকটি ব্যাংক বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করতে আগ্রহ দেখিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বৈঠকের পর দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
সানা/আপ্র/২৬/৬/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ডেঙ্গু ঠেকাতে প্রতি শনিবার ৭৫ ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেঙ্গু ঠেকাতে প্রতি শনিবার ৭৫ ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭৫টি ওয়ার্ডে আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে বিশেষ পরিচ্ছন...

জাতিসংঘে তারেক রহমানের ভাষণকে দিকনির্দেশনামূলক বললেন রাষ্ট্রপতি
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘে তারেক রহমানের ভাষণকে দিকনির্দেশনামূলক বললেন রাষ্ট্রপতি

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া ভাষণকে ‘দূরদর্শী, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ...

নারীদের প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতা ঠেকাতে বৈশ্বিক পদক্ষেপ চান শামা
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারীদের প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতা ঠেকাতে বৈশ্বিক পদক্ষেপ চান শামা

নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতা প্রতিরোধে আরো শক্তিশালী বৈশ্বিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ...

তাঁবেদার রাষ্ট্রের চেষ্টা হলে প্রতিরোধ গড়ার হুঁশিয়ারি রিজভীর
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তাঁবেদার রাষ্ট্রের চেষ্টা হলে প্রতিরোধ গড়ার হুঁশিয়ারি রিজভীর

বাংলাদেশকে ‘তাঁবেদার রাষ্ট্রে’ পরিণত করার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির ভা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বাস ভাড়া বাড়লো কিলোমিটারে ১৭ পয়সা, প্রজ্ঞাপনের আগেই বাড়তি আদায়

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির আগেই রাজধানীসহ বিভিন্ন রুটে বাসভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন পরিবহনকর্মীদের কেউ কেউ। কোথাও ১০ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১৫ টাকা, কোথাও প্রতি স্টপেজে পাঁচ টাকা করে বেশি নেওয়া হচ্ছে। দূরপাল্লার বাসেও গন্তব্যভেদে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অথচ সরকার ও সড়ক পরিবহন মালিকপক্ষ প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন বাস ভাড়ার এই নৈরাজ্য সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে?

মোট ভোট: ০ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে